Tranding

11:48 AM - 04 Feb 2026

Home / Politics / মূখ্যমন্ত্রী রামপুরহাটে, সাংসদ অধীরকে বাধা, মহঃ সেলিমের নিন্দা

মূখ্যমন্ত্রী রামপুরহাটে, সাংসদ অধীরকে বাধা, মহঃ সেলিমের নিন্দা

এক অনুগামী বলেন, "দাদাকে ফাঁসানো হচ্ছে। ঘটনার দিন উনি হাসাপাতালে ছিলেন। ওনাকে এখান থেকে নিয়ে যেতে দেব না। আমরা পথ অবরোধ করব।" তৎক্ষণে পুলিশ আনারুলের বাড়ির ভিতর প্রবেশ করেছে। এখানে উল্লেখ্য, আনারুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ যে অগ্নিসংযোগের দিন তার কাছে বার বার আবেদন জানানো হলেও তিনি পুলিশে খবর দেননি। উল্টে পুলিশের কাছে যেতে বাধা দিয়েছে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা

মূখ্যমন্ত্রী রামপুরহাটে, সাংসদ অধীরকে বাধা, মহঃ সেলিমের নিন্দা

মূখ্যমন্ত্রী রামপুরহাটে, সাংসদ অধীরকে বাধা, মহঃ সেলিমের নিন্দা

 

বালি খাদানের ভাগ - বাঁটোয়ারাকে কেন্দ্র করে নারকীয় হত্যালীলার দুদিন পর এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে যান ও আক্রান্তদের পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের রোষের মুখে মুখ্যমন্ত্রী অগ্নিসংযোগের ঘটনার মূলচক্রি আনারুল হোসেনেকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিতে বাধ্য হন। 


এর কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্লক প্রেসিডেন্ট আনারুল হোসেনের প্রাসাদপম বাড়ি পুলিশ ঘিরে ফেলে ও মাইকিং করে তাঁকে আত্মসমর্পন করতে বলে। ঘটনাস্থলে আনারুলের অনুগামীরাও কোমর বেঁধে নেমে পড়ে ও মিডিয়াকে সাফ জানিয়ে দেয় যে তারা প্রাণ থাকতে তাদের নেতাকে নিয়ে যেতে দেবে না। 


এক অনুগামী বলেন, "দাদাকে ফাঁসানো হচ্ছে। ঘটনার দিন উনি হাসাপাতালে ছিলেন। ওনাকে এখান থেকে নিয়ে যেতে দেব না। আমরা পথ অবরোধ করব।" তৎক্ষণে পুলিশ আনারুলের বাড়ির ভিতর প্রবেশ করেছে। এখানে উল্লেখ্য, আনারুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ যে অগ্নিসংযোগের দিন তার কাছে বার বার আবেদন জানানো হলেও তিনি পুলিশে খবর দেননি। উল্টে পুলিশের কাছে যেতে বাধা দিয়েছে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা। তাঁর বাড়ির চারিদিকে মোতায়েন হওয়া অনুগামীদের মধ্যে তাঁর ভাইপোও ছিলেন যিনি প্রকাশ্যে দাবি করেন, "আমার কাকা ভালো মানুষ। ওনাকে ফাঁসাচ্ছে 'অনুব্রত মন্ডল'। আমিও দেখব কে এখান থেকে কাকাকে ধরে নিয়ে যায়!" এরপরই রাজনৈতিক মহলে চাপানউতর শুরু হয়ে গেছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেও আনারুলকে গ্রেপ্তার করতে বাধা দেওয়ার বার্তা দিয়ে তাঁর অনুগামীরা কার্যত মুখ্যমন্ত্রীকেই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। 


এদিকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীকে রামপুরহাট যাওয়ার পথে বোলপুরেই আটকে দেওয়া হয়। অধীর রাস্তাতেই অবস্থান বিক্ষোভে বসে পড়েন ও জানান, "মুখ্যমন্ত্রীর বাপের জমিদারী নয় পশ্চিমবঙ্গ। আমি একজন জনপ্রতিনিধি। এরকম একটা নারকীয় হত্যালীলা হল আর আমি সেখানে যাব না? মুখ্যমন্ত্রী একজন এমএলএ, মুখ্যমন্ত্রী  ২ লক্ষ মানুষের প্রতিনিধি, আর আমি ১৪ লক্ষ মানুষের প্রতিনিধি।" তিনি আরো জানান, " পুলিশ বলছে মুখ্যমন্ত্রীকে নাকি হত্যা করা হবে, সেই আশঙ্কায় নাকি আমাকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না
 আমাদের কাছে কি বন্দুক, তোপ, বোমা আছে। আর আটকাচ্ছে কোথায়? বোলপুরে। বোলপুর থেকে ওনার ওপর কি মিসাইল দিয়ে হামলা করবো?" 

 

নব নির্বাচিত সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন যে এই ঘটনার শেকড় অনেক গভীরে। বালি খাদানের দখলদারীকে কেন্দ্র করেই এই মর্মান্তিক ঘটনা। সব মিলিয়ে রামপুরহাটকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতি সরগরম।
 

Your Opinion

We hate spam as much as you do