শুক্রবার সোশাল মিডিয়ায় মেহেবুবা লেখেন, ‘হোলি আমার জন্য বরাবরই গঙ্গা-যমুনার সঙ্গমের মতো। আমার মনে পড়ে আগে এই উৎসবের জন্য অপেক্ষা করতাম যাতে হিন্দু বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ এবং উৎসাহের সঙ্গে রং খেলতে পারি। কিন্তু কিছু ধর্মান্ধ এই আনন্দ উৎসবকে সংখ্যালঘুদের জন্য ভীতির কারণ বানিয়ে ফেলেছে। যারা ক্ষমতাসীন তারা আবার এই কাজে সাহায্য করছে। এটাই সময় ভারত জেগে ওঠো।”
রঙের দিনে ধর্মান্ধরাই সংখ্যালঘুদের ভীতির কারন, বললেন মেহেবুবা
March 14, 2025
রঙের উৎসব এখন সংখ্যালঘুদের জন্য ভীতির কারণ। হোলির সকালে সোশাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক পোস্ট পিডিপি নেত্রী মেহেবুবা মুফতির। তাঁর দাবি, কিছু ধর্মান্ধ মানুষ দেশে হিন্দু আর মুসলমানদের একে অপরের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দিতে চাইছে।
শুক্রবার সোশাল মিডিয়ায় মেহেবুবা লেখেন, ‘হোলি আমার জন্য বরাবরই গঙ্গা-যমুনার সঙ্গমের মতো। আমার মনে পড়ে আগে এই উৎসবের জন্য অপেক্ষা করতাম যাতে হিন্দু বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ এবং উৎসাহের সঙ্গে রং খেলতে পারি। কিন্তু কিছু ধর্মান্ধ এই আনন্দ উৎসবকে সংখ্যালঘুদের জন্য ভীতির কারণ বানিয়ে ফেলেছে। যারা ক্ষমতাসীন তারা আবার এই কাজে সাহায্য করছে। এটাই সময় ভারত জেগে ওঠো।”
বস্তুত এবছর রমজান মাসের মধ্যেই হোলি। শুক্রবারের নমাজের সময় রঙের উৎসব। অশান্তির আশঙ্কায় উত্তর ভারতের বহু শহরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের সম্ভলের মতো এলাকায় মুসলিমদের বাড়ি থেকে না বেরোনোর পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। একাধিক সংখ্যালঘু সংগঠনের অভিযোগ, বহু জায়গাতেই শুক্রবারের নমাজে অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সম্ভবত সেকারণেই সংখ্যালঘুদের প্রতি বিদ্বেষ নিয়ে সরব মেহেবুবা।
মেহেবুবা এদিন নাম না করে বিজেপিকে তোপ দেগেছেন। আসলে কাশ্মীরের রাজনীতিতে মেহেবুবা এবং তাঁর দল পিডিপি এখন একপ্রকার অপ্রাসঙ্গিক। বস্তুত বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়ার পর থেকেই কাশ্মীরে রাজনৈতিকভাবে অচ্যুত হয়ে যায় পিডিপি। মেহেবুবা এখন সম্ভবত বিজেপির সঙ্গে জোটের সেই ‘দাগ’ ঝেড়ে ফেলতে চাইছেন।
We hate spam as much as you do