Tranding

08:38 AM - 04 Feb 2026

Home / Politics / সাংবাদিক বৈঠকে সব্যসাচী চক্রবর্তী "আমি বামপন্থী ছিলাম আছি এবং থাকব"

সাংবাদিক বৈঠকে সব্যসাচী চক্রবর্তী "আমি বামপন্থী ছিলাম আছি এবং থাকব"

এদিন পলাশ দাস জানান, দক্ষিণের রাজ্যগুলি থেকে যে প্রতিনিধিরা আসবেন তাঁদের খাদ্যাভাস আলাদা। তাই সাউথ ইন্ডিয়ান রান্নার জন্য আলাদা করে রাঁধুনি ভাড়া করতে হয়েছে। বাকি সব রান্নাতেই থাকবে বাংলার ছোঁয়া। শুধুমাত্র থাকা-খাওয়া নয়। সম্মেলন স্থলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বই উৎসব, সেমিনারও অনুষ্ঠিত হবে। তাতেও ভাল টাকা খরচ রয়েছে। পলাশ এও জানিয়েছেন, প্রতিনিধিদের দু’দিনের বিকেলের টিফিনের বন্দোবস্ত করছে যাদবপুর শ্রমজীবী ক্যান্টিন।

সাংবাদিক বৈঠকে সব্যসাচী চক্রবর্তী  "আমি বামপন্থী ছিলাম আছি এবং থাকব"

সাংবাদিক বৈঠকে সব্যসাচী চক্রবর্তী  "আমি বামপন্থী ছিলাম আছি এবং থাকব"


২৭ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে সর্ববৃহৎ বাম  যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই-এর (DYFI) সর্বভারতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে । ১২ মে রানি রাসমণি রোডে হবে প্রকাশ্য সমাবেশ। তারপর ১৩-১৫ মে সল্টলেকের ইজেডসিসিতে হবে প্রতিনিধি অধিবেশন। সারা দেশ থেকে ৫০০-র বেশি প্রতিনিধি সহ হাজারের বেশি  যোগ দেবেন সর্বভারতীয় সম্মেলনে। 

 

এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অভ্যর্থনা কমিটির সভাপতি অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী, রাজ্য সম্পাদক মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, অভ্যর্থনা কমিটির সম্পাদক  পলাশ দাশ। সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য পলাশ জানান, এই সম্মেলনের বাজেট ৫০ লক্ষ টাকা।

 

সর্বভারতীয় সম্মেলন এর অভ্যর্থনা সমিতির সভাপতি বিশিষ্ট চিত্রাভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী সাংবাদিকদের সামনে খোলামেলা বলেন তিনি বামপন্থী তার পরিবার বামপন্থী এবং বামপন্থার সাথে থাকা তার স্বাভাবিক। তিনি বলেন আমি বামপন্থী আছি ছিলাম এবং থাকবো নির্বাচনে হেরে গেছে বলে কোনদিন জিতবে না এটা কোন কথা নয়

 

 সব্যসাচী এই স্পষ্ট বক্তব্য বিশেষ করে বামপন্থীদের যখন নির্বাচনী সাফল্য প্রায় নেই বললেই চলে তখন যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ এবং বামপন্থী সমর্থক কর্মীদের মধ্যে যথেষ্ট উৎসাহিত করবে সাংবাদিক বৈঠকে ডিওয়াইএফআই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সম্পাদিকা মীনাক্ষী মুখার্জি সম্মিলনী রাজনৈতিক তাৎপর্য উল্লেখ করেন।

 

এই সঙ্গে সহস্রাধিক সর্বভারতীয় প্রতিনিধির থাকার জায়গার বন্দোবস্ত করা, চার বেলা করে খাওয়ানো, প্রচার-সহ আরও নানাবিধ কর্মকাণ্ডে খরচ নেহাত কম নয়। সেই সম্মেলনের জন্য গঠন হওয়া অভ্যর্থনা সমিতির তরফে সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়ে দেওয়া হল, এই সম্মেলন করতে কত খরচ এবং কী ভাবে তা তোলা হচ্ছে।

 

সে ব্যাপারেও ফর্মুলা জানিয়েছেন সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর এই সদস্য। তাঁর কথায়, বাংলায় ডিওয়াইএফআই-এর ২৯ লক্ষ ৩৫ হাজার সদস্যের কাছ থেকে সম্মেলনের জন্য এক টাকা করে সংগ্রহ করা হচ্ছে। তাতেই এই বিরাট আয়োজনের একটা বড় অংশ উঠে যাচ্ছে।  বলা হচ্ছে, খাওয়াদাওয়ার ক্ষেত্রেও চাল, ডাল, তেল, নুন, সবজি—সংগ্রহ করা হচ্ছে জেলাগুলি থেকে। যেমন সম্মেলনে যা চাল লাগবে তা দিচ্ছে পূর্ব বর্ধমান জেলা। আলুর দায়িত্ব পড়েছে হুগলি সিপিআইএমের কাঁধে। উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা থেকে আসবে ট্রাক ট্রাক সবজি। জেলাগত ভাবে আবার কোনও এলাকা পটল দেবে, কোন এলাকা থেকে আসবে কুমড়ো বা পুঁই শাক তা সংশ্লিষ্ট জেলা কমিটি ঠিক করে দেবে।

 
গতবার ডিওয়াইএফআই-এর সর্বভারতীয় সম্মেলন যখন কেরলে হয়েছিল তখন দক্ষিণের রাজ্যটি একটি অভিনব কায়দা নিয়েছিল। কোচিতে সম্মেলন হলেও মুন্নার, আলেপ্পি-সহ বিভিন্ন জেলায় নির্দিষ্ট জমিতে সবজি চাষ করেছিল কৃষক সভার কেরল ইউনিট। সম্মেলনের ছ’মাস আগে থেকে চাষের কাজ শুরু হয়। যাতে সম্মেলনের প্রয়োজনীয় সবজি সেখান থেকে তুলে আনা যায়। বাংলায় তেমন জমি ধরে চাষ না করলেও পণ্য ও অর্থ সংগ্রহে বিকেন্দ্রীকৃত চিন্তা নিয়েই হাঁটল সিপিএম।


এদিন পলাশ দাস  জানান, দক্ষিণের রাজ্যগুলি থেকে যে প্রতিনিধিরা আসবেন তাঁদের খাদ্যাভাস আলাদা। তাই সাউথ ইন্ডিয়ান রান্নার জন্য আলাদা করে রাঁধুনি ভাড়া করতে হয়েছে। বাকি সব রান্নাতেই থাকবে বাংলার ছোঁয়া। শুধুমাত্র থাকা-খাওয়া নয়। সম্মেলন স্থলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বই উৎসব, সেমিনারও অনুষ্ঠিত হবে। তাতেও ভাল টাকা খরচ রয়েছে। পলাশ এও জানিয়েছেন, প্রতিনিধিদের দু’দিনের বিকেলের টিফিনের বন্দোবস্ত করছে যাদবপুর শ্রমজীবী ক্যান্টিন।

 

 
 

Your Opinion

We hate spam as much as you do