এলজেপির তিন সাংসদ আগেই পশুপতি পারসের শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন। এবার তাঁরাই মহাজোটের দিকে ঝুঁকছেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে এনডিএ-র হয়ে দাঁড়িয়ে জেতার সম্ভাবনা প্রায় নেই তাঁদের। তা বুঝেই তিন সাংসদ মহাজোটের দিকে পা বাড়িয়েছেন। এবং মহাজোটে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বিহার বিজেপির আরও মহাসংকট, জোট-সঙ্গী তিন সাংসদ যোগ দেবেন মহাজোটে
August 14 2022,
বিহারে ফের ধাক্কা খেতে চলেছে বিজেপি। ইতিমধ্যে বিজেপির সঙ্গ ছেড়েছে দুটি দল। এবং অপরসঙ্গী এনজেডিপর তিন সাংসদও বিজেপি সংস্রব ছাড়তে চলেছেন। ফলে বিহারে ক্ষমতা হাতছাড়া হওয়ার পর থেকে বিজেপি ধাক্কা খেয়ে চলেছে একের পর এক। শক্তিক্ষয় হয়ে চলেছে এনডিএ-র।
বিজেপিকে একের পর এক ধাক্কা বিহারে
বিজেপি জোট থেকে বেরিয়ে এসে নীতীশ কুমার আরজেডি-কংগ্রেস-বামেদের মহাজোটে শামিল হয়েছেন আবার। ফলে বিহারে পালাবদল হয়েছে। বিজেপির হাতছাড়া হয়েছে বিহারের কুর্সি। নীতীশ কুমার ও তেজস্বী যাদবদের জোট ইতিমধ্যেই বিহারে সরকার গঠন করেছে। তারপর থেকেই বিজেপিকে একের পর এক ধাক্কা দিয়েই চলেছেন তাঁরা।
বিহারে বিজেপি প্রায় একা হয়ে যাচ্ছে নীতীশ কুমার বিজেপি জোট বা এনডিএ ছাড়ার পরই অপর এক ধাক্কা আসে। জীতেন রাম মাঝির হামও বেরিয়ে আসে এনডিএ থেকে। এবার বিজেপির সংস্রব ছেড়ে এলজেপির তিন সাংসদ মহাজোট-মুখী হতে চলেছেন। লোক জনশক্তি পার্টির তিন সাংসদ যদি মহাজোটের দিকে ঝোঁকেন, তা হবে বিহারে বিজেপির পক্ষে আশঙ্কারই। বিহারে বিজেপি প্রায় একা হয়ে যাবে।
তবে তিন সাংসদ মহাজোটের দিকে ঝুঁকলেও লোক জনশক্তি পার্টি বা এলজেপি এনডিএ ছাড়ছে না। এলজেপি বিজেপির সঙ্গে জোটেই থাকছে। আসলে বিহারের লোক জনশক্তি পার্টিতে আড়াআড়ি ভাঙন দেখা দিয়েছে। দুটো শিবির তৈরি হয়েছে এলজেপিতে। রামবিলাস পাসোয়ানের দলের কর্তৃত্ব তাঁর পুত্র চিরাগ পাসোয়ানের উপর বর্তেছে আগেই। তারপরই রামবিলাসের ভাই পশুপতি পারসের একটি আলাদা শিবির তৈরি হয়েছে।
এলজেপির তিন সাংসদ আগেই পশুপতি পারসের শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন। এবার তাঁরাই মহাজোটের দিকে ঝুঁকছেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে এনডিএ-র হয়ে দাঁড়িয়ে জেতার সম্ভাবনা প্রায় নেই তাঁদের। তা বুঝেই তিন সাংসদ মহাজোটের দিকে পা বাড়িয়েছেন। এবং মহাজোটে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সূত্রের খবর, এলজেপির যে তিন সাংসদ মহাজোটের দিকে পা বাড়িয়ে রয়েছেন, তাঁরা হলেন- নওদা থেকে নির্বাচিত চন্দন সিং, কাগারিয়ার চৌধুরী মেহবুব আলি কেশর, বৈশালীর বীণা দেবী। মেহবুব আলি কেশর যোগ দিতে পারেন আরজেডিতে। আর চন্দন সিং এবং বীণা দেবী যোগ দিতে পারেন নীতাশ কুমারের জেডিইউতে।
বিহারের রাজনৈতিক সমীকরণ রাতারাতি বদলে গিয়েছে। নীতীশ কুমারের সৌজন্যে ক্ষমতার অলিন্দে প্রবেশ করেছে আরজেডি ও কংগ্রেসও। বামেরা বাইরে থেকে সমর্থন দিচ্ছে সরকারকে। এর ফলে বেশ চাপে পড়ে গিয়েছে বিজেপি। সেই চাপ আরও বাড়ল এলজেপি একটি অংশ সরাসরি জেডিইউ-আরজেডি-কংগ্রেসের মহাজোটে শামিল হওয়ায়।
We hate spam as much as you do