দিল্লি পুলিশের কাছেও টুইটের মাধ্যমে বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ জানান এক আইনজীবী। তিনি অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর, সাংবাদিক আরফা খানুম শেরওয়ানি , আসিফ খান ও টুইটার অধিকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
স্বরা ভাস্কর আর ট্যুইটার এম ডি মনীষ এর বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের
দিল্লি পুলিশের কাছেও টুইটের মাধ্যমে বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ জানান এক আইনজীবী। তিনি অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর, সাংবাদিক আরফা খানুম শেরওয়ানি , আসিফ খান ও টুইটার অধিকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
এছাড়া লোনির বিজেপি বিধায়ক নন্দকিশোর গুর্জর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং আসাউদ্দিন কুরেশির বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ করেছেন যে বয়স্ক মুসলিম ভদ্রলোকের হেনস্থা হয়েছে , তার সঠিক চিকিত্সার ব্যবস্থা হয়েছে ।
বৃহস্পতিবার দিল্লি পুলিশের কাছে অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর, টুইটারের ভারতের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মনিশ মাহেশ্বরী সহ আরও দুইজনের নামে অভিযোগ দায়ের করেন আইনজীবী অমিত ।
এডভোকেট অমিত আচার্য এদের বিরুদ্ধে নাগরিকদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়িয়ে একটা ঘটনার সাম্প্রদায়িক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তিনি তিলক মার্গ থানায় এই অভিযোগ করেন।
অমিত বলেন "এই ট্যুইট ওদের ব্যাক্তিগত মত বলা যাবেনা যা বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে ঘৃণা তৈরি করে দেশের ধর্মীয় সম্প্রীতিকে নষ্ট করবে । এই ট্যুইট হাজার হাজার মানুষ দেখেছেন লাইক , শেয়ার করেছেন , রিট্যুইট করেছেন। এইভাবে একটা মিথ্যা তথ্য প্রচারিত হয়েছে" এই বলে অমিত অভিযোগ করেন।
তাঁর অভিযোগ, গোটা ঘটনার সত্যতা যাচাই না করেই এনারা নিজেদের টুইটার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা করছিলেন। যদিও এর প্রেক্ষিতে এখনও কোনও এফআইআর দায়ের করা হয়নি বলেই জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।
তিনি অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর, সাংবাদিক আরফা খানুম, আসিফ খান ও টুইটার অধিকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
চলতি মাসেই উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে এক মুসলিম বৃদ্ধ সুফী আবদুল সামাদ কে মারধর ও জোর করে দাড়ি কেটে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে ছয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ওই বৃদ্ধ দাবি করেন, তাঁকে জোর করে “জয় শ্রী রাম” ও “বন্দেমাতরম” বলতেও বাধ্য করে হয়েছিল। সুফি আব্দুল সামাদ নামক ওই বৃদ্ধের কাকুতি-মিনতি করার ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। যদিও তদন্তে নেমে উত্তর প্রদেশ পুলিশ জানায়, ওই বৃদ্ধ নকল তাবিজ বিক্রি করায় তাঁকে মারধর করে অভিযুক্ত ৬ জন। তাঁদের সবাইকেই আটক করা হয়েছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে সাম্প্রদায়িক কোনও যোগ নেই।
উত্তর প্রদেশ পুলিশের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং কেন্দ্রের নয়া ডিজিটাল নীতি অনুসরণ না করায় টুইটারের আইনি সুরক্ষা তুলে নেওয়া হয়। পরে দিল্লি পুলিশের কাছেও টুইটের মাধ্যমে বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ জানান এই আইনজীবী।
অন্যদিকে, ভারতে টুইটার অধিকর্তা হিসাবে মনীশ মাহেশ্বরীও গোটা বিষয়টি সম্পর্কে কোনও পদক্ষেপ করেননি এবং ভুয়ো টুইটগুলিও সরিয়ে ফেলেননি। এটা জেনেও যে এই ঘটনার পিছনে কোনো সাম্প্রদায়িক দিক ছিল না।
ইতিমধ্যে তিন জন গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং ন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ।
We hate spam as much as you do