দিল্লির আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে দিল্লি সরকারের সঙ্গে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের আর দড়ি টানাটানি চলবে না। স্পষ্ট জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। দিল্লি সরকারের হাতেই থাকবে যাবতীয় প্রশাসনিক ক্ষমতা। এমনকী এই বিষয়ে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কোনও হস্তক্ষেপ চলবে না। তাঁকেও মেনে চলতে হবে দিল্লি সরকারের নির্দেশ।
সুপ্রিম কোর্টে বড় জয়! রাজ্যের প্রশাসন দেখবে কেজরিওয়াল সরকার - লেফটেন্যান্ট নয়
May 11, 2023,
সুপ্রিম কোর্টে বড় জয় কেজরিওয়াল সরকারের। সুপ্রিম কোর্টে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চে ছিল মামলার শুনানি। প্রধান বিচারপতি ডিএওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়েছিল। জমি, আইন-শৃঙ্খলা এবং পুলিশ প্রশাসন সংক্রান্ত সব কিছুই দিল্লি সরকারের অধীনে।
দিল্লির আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে দিল্লি সরকারের সঙ্গে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের আর দড়ি টানাটানি চলবে না। স্পষ্ট জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। দিল্লি সরকারের হাতেই থাকবে যাবতীয় প্রশাসনিক ক্ষমতা। এমনকী এই বিষয়ে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কোনও হস্তক্ষেপ চলবে না। তাঁকেও মেনে চলতে হবে দিল্লি সরকারের নির্দেশ।
সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোয় প্রশাসনির ক্ষমতা নির্বাচিত সরকারের কাছেই থাকা উচিত বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। দিল্লির শাসন ব্যবস্থা নিয়ে কেজরিওয়াল সরকারের সঙ্গে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের টানাপোড়েন চরম পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল। প্রতিটি কাজেই কেজরিওয়াল সরকারের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করে চলেছিলেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর।
এতে প্রতিমুহূর্তে বিরোধিতা চরমে উঠেছিল। কেজরিওয়াল সরকার এক প্রকার চরম বিরোধিতা করেছিলেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর এই বার্তা দিয়েছেন। চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে এই নিয়ে মামলা চলছিল সুপ্রিম কোর্টে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি এমআর শাহ, বিচারপতি কৃষ্ণ মুরারি, বিচারপতি পিএস নরসিমা এবং বিচারপতি হিমা কোহলির একটি বেঞ্চ চার দিন ধরে মামলাটি শুনছিলেন। এই মামলা শোনার পর রায়দান স্থগিত রাখে। তারপরেই মামলার রায়দান করে বেঞ্চ।
সম্প্রতি দিল্লি সরকারের আবগারী নীতি নিয়ে কেজরিওয়াল সরকারের বিরোধিতায় সরব হয়েছিলেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর। তারপরেই দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া সহ একাধিক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তৎপর হয়েছিল সিবিআই। এবং একের পর এক মন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। এমনকী দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে তলব করা হয়েছিল ইডির দফতরে।
We hate spam as much as you do