রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। তার পর থেকেই ইউক্রেনে হামলা আরও জোরদার করেছে পুতিন-ফৌজ। রুশ বাহিনীর একের পর এক ক্ষেপনাস্ত্রে তছনছ হয়ে যাচ্ছে ইউক্রেনের বিস্তীর্ণ প্রান্ত। রুশ আগ্রাসন রাজধানী কিয়েভেও। এতদিন কিয়েভকেই নিরাপদ আশ্রয় বলে মনে করে বাস করছিলেন বহু ভারতীয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে আর কিয়েভে আটকে থাকা আর কোনওমতেই নিরাপদ নয়। যেভাবেই হোক এবার সেদেশ থেকে নাগরিকদের ফেরাতে তৎপরতায় কোনও ত্রুটি রাখছে না দিল্লি।
ইউক্রেনে রুশ গোলাগুলিতে ভারতীয় ছাত্রের মৃত্যু , নিন্দায় দিল্লি
এই প্রথম রাশিয়ার হামলায় কোনও ভারতীয়ের মৃত্যু হল।
ডানদিকে, ইউক্রেনে নিহত ভারতীয় ছাত্র নবীন শেখরাপ্পা। বাঁদিকে ইউক্রেনে আটকে রয়েছেন ভারতীয় ছাত্রছাত্রীরা ।
ইউক্রেনের খারকিভে রুশ হামলায় নিহত ভারতীয় ছাত্র। এই প্রথম ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর গোলাগুলিতে কোনও ভারতীয়ের মৃত্যু হল। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে নিহত ছাত্রের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। একইসঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে ইউক্রেন ও রাশিয়ার বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গেও। পুতিন ফৌজের গোলাবর্ষণে ছাত্রের মৃত্যুতে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ ভারতের।
ইউক্রেনে নিহত কর্নাটকের বাসিন্দা এবং খারকিভ ন্যাশনাল মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির চতুর্থ বর্ষের মেডিক্যালের ছাত্র নবীন। খারকিভের হোস্টেলে নবীনের সঙ্গেই ছিলেন শ্রীধরন গোপালকৃষ্ণন। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে তিনি বলেন, ”আজ ইউক্রেনের সময় সকাল সাড়ে ১০টায় নবীনকে গুলি করে খুন করা হয়। তিনি সেই সময় একটি মুদি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। রুশ সেনা ওঁর উপর গুলি চালায়। ওঁর মৃতদেহ এখন কোথায় রয়েছে সেব্যাপারে কোনও তথ্য নেই আমাদের কাছে। আমরা কেউই হাসপাতালে যেতে পারিনি।”
বিদেশ মন্ত্রক টুইটে লিখেছে, “গভীর দুঃখের সঙ্গে আমরা জানাচ্ছি আজ সকালে খারকিভে গোলাগুলিতে একজন ভারতীয় ছাত্র প্রাণ হারিয়েছেন। বিদেশ মন্ত্রক তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। আমরা পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।”
এদিকে, মঙ্গলবার সকালে ভারতীয়দের অবিলম্বে কিয়েভ ছাড়তে বলেছে ভারতীয় দূতাবাস। মঙ্গলবার কিয়েভের দূতাবাসের তরফে সেদেশে আটকে থাকা ভারতীয়দের উদ্দেশ্যে জরুরি ভিত্তিতে এমনই নোটিশ জারি করা হয়েছে।
রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। তার পর থেকেই ইউক্রেনে হামলা আরও জোরদার করেছে পুতিন-ফৌজ। রুশ বাহিনীর একের পর এক ক্ষেপনাস্ত্রে তছনছ হয়ে যাচ্ছে ইউক্রেনের বিস্তীর্ণ প্রান্ত। রুশ আগ্রাসন রাজধানী কিয়েভেও। এতদিন কিয়েভকেই নিরাপদ আশ্রয় বলে মনে করে বাস করছিলেন বহু ভারতীয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে আর কিয়েভে আটকে থাকা আর কোনওমতেই নিরাপদ নয়। যেভাবেই হোক এবার সেদেশ থেকে নাগরিকদের ফেরাতে তৎপরতায় কোনও ত্রুটি রাখছে না দিল্লি।
We hate spam as much as you do