বন্ধ চটকল খোলার দাবীতে কলকাতায় আলুগুদামে ২১ সংগঠনের বিক্ষোভ
রাজ্যে ১৪টা চটকল বন্ধ। কোথাও আবার দুই শিফ্ট চলছে। প্রায় ৫০০০০ শ্রমিক রোজগারহীন। চটকল মালিকরা নাকি কাঁচা পাট পাচ্ছেনা। অথচ প্রচুর পাটচাষ হয়েছে। পাটচাষী পাট বিক্রি করেছে। তাহলে পাট কে গুদামজাত করেছে? চটকল মিল মালিকরা কি মিথ্যে কথা বলছে? কে খতিয়ে দেখবে? রাজ্যের শ্রম দপ্তর কি করছে? তারা কেন পাটের বেআইনি মজুতদারদের আটক করছে না? মালিক নাকি কাচাপাটের কম দাম দিচ্ছে। কেন চাষী সঠিক লাভজনক দাম পাবেনা? কেন্দ্রীয় সরকার চটের বস্তার দাম বাড়াচ্ছে না বলা হচ্ছে।
এর জন্য উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। শ্রমিক বেকার হচ্ছে। এই ভয়াবহ অবস্থার বিরুদ্ধে এই বিক্ষোভ মালিকদের সংগঠন Indian jutemill association এর সদর দপ্তর কলকাতার আলু গুদামে।
করোনার দোহাই দিয়ে রাজ্যসরকার কোনো বিক্ষোভ করতে দিচ্ছে না। তাহলে শ্রমিক কোথায় যাবে?
ত্রিপাক্ষিক চুক্তির কি হবে? শ্রমিকের মজুরী নানারকম কেন? সকলকে দৈনিক ন্যুনতম ১০০০/- মাসিক ২৬০০০ টাকা দিতে হবে। পিএফ গ্রাচুইটির সঠিকভাবে দিতে হবে। লকডাউনে বন্ধের দিনের বেতন দিতে হবে। এই দাবীতে কলকাতায় ২১টি সংগঠনের বিক্ষোভ হল। অনাদী শাহু সহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শেষে কয়েকজন সিটু সদস্য নেত্রী গার্গী চ্যাটার্জির নেতৃত্বে রাজ্যপাল ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।
সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ঘিরে ফেলে। তখন স্লোগান চলতে থাকে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয় কয়েকজন প্রতিনিধি একটি স্মারকলিপি জমা করতে পারেন। চটকল শ্রমিকদের দূর্দশা নিয়ে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবী করা হয়।
We hate spam as much as you do