Tranding

08:40 AM - 04 Feb 2026

Home / Other Districts / ঘূর্ণিঝড় ঝড় ‘জাওয়াদ বাংলার দিকেই এগোচ্ছে. আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিণত হবে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে।

ঘূর্ণিঝড় ঝড় ‘জাওয়াদ বাংলার দিকেই এগোচ্ছে. আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিণত হবে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে।

আজ সারাদিনেই বঙ্গোপসারে আত্মপ্রকাশ হবে তার আবহাওয়াবিদরা এমনটাই জানাচ্ছেন। এর বর্তমান অবস্থান গোপালপুর থেকে সাড়ে আটশ কিলোমিটার ও কলকাতা থেকে হাজার কিলোমিটার দূরে রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় ঝড় ‘জাওয়াদ বাংলার দিকেই এগোচ্ছে. আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিণত হবে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে।

ঘূর্ণিঝড় ঝড় ‘জাওয়াদ বাংলার দিকেই এগোচ্ছে. আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিণত হবে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে।

 

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ঝড় ‘জাওয়াদ’। ক্রমাগত শক্তি বাড়াচ্ছে সে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গেপসাগর লাগোয়া পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিণত হবে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে। রবিবার সকালের মধ্যে পৌঁছবে ওড়িশা-অন্ধ্র উপকূলে। তারপর উত্তর-উত্তরপূর্ব অভিমুখে বাঁক নেবে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ।

 

বর্তমানে অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে জাওয়াদ। আর একধাপ শক্তি বাড়ালেই ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। আজ সারাদিনেই বঙ্গোপসারে আত্মপ্রকাশ হবে তার আবহাওয়াবিদরা এমনটাই জানাচ্ছেন। এর বর্তমান অবস্থান গোপালপুর থেকে সাড়ে আটশ কিলোমিটার ও কলকাতা থেকে হাজার কিলোমিটার দূরে রয়েছে।

 

আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, রবিবার সকাল নাগাদ এই ঘূর্ণিঝড় অন্ধ্র-ওড়িশ্যা উপকূলে পৌঁছাবে। কিন্তু তারপরে সেখানে সরাসরি ঢুকে যাবে না। একটি বাঁক নেওয়ার কথা রয়েছে। আর এই বাঁক যদি নেয় তাহলে বাংলার সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের দূরত্ব কমবে। সেই কথা মাথায় রেখেই রবিবার দক্ষিণবঙ্গের সাত জেলায় অতিভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস। তার মধ্যে রয়েছে কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর। ভারী বৃষ্টি হতে পারে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া,নদিয়া, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া। বাকি জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে।

আর  এখন অঘ্রান মাস ধান তোলার মাস। যদি বৃষ্টি হয় তাহলে ধান চাষে বড়সড় ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জাওয়াদ আতঙ্কে, সুন্দরবন এলাকার বাসিন্দাদের জন্য খোলা হল ৭ টি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র।
অতীতের অভিজ্ঞতাকে মাথায় রেখে বাড়তি কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ কুলতলি ব্লক প্রশাসন। তাই জাওয়াদ ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার আগে ভাগেই বাড়তি সর্তকতামূলক বন্দোবস্ত গ্রহণ করেছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার উপকূলবর্তী কুলতলি ব্লক প্রশাসন। কারণ মাতলা ও ঠাকুরান ছাড়াও কয়েকটি নদীর তীরবর্তী এই ব্লক এলাকা হওয়ায় এখানকার কুন্দখালি-গোদাবর , গোপালগঞ্জ, দেউলবাড়ি-দেবীপুর, গুড়গুড়িয়া- ভুবনেশ্বরী ও মৈপীঠ- বৈকন্ঠপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় থাকা ওই সাতটি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রগুলিকে পুরো মাত্রায় তৈরি রাখা হচ্ছে। যাতে অপৎকালীন পরিস্থিতিতে সেখানে নদী লাগোয়া এলাকার মানুষকে নিরাপদে তুলে এনে রাখা যায়।

 

ঝড়ের সময় যাতে দেওয়াল চাপা পড়ে জীবনহানির মতো ঘটনা না ঘটে সেই জন্যই বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ব্লক প্রশাসন। ইতিমধ্যেই বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রগুলিকে শুক্রবার থেকেই সেগুলিকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত করার কাজ শুরু করা হয়েছে ব্লক প্রশাসনের তরফে। যাতে নদী লাগোয়া এলাকার বাসিন্দাদের ঘূর্ণিঝড়ের আগেই নিরাপদ সেই আশ্রয় কেন্দ্রে তুলে নিয়ে আসা সম্ভব হয়। আজ বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র সহ নদী উপকুল এলাকার বাঁধের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন কুলতলি ব্লকের বিডিও বীরেন্দ্র অধিকারী ও কুলতলী থানার পুলিশ আধিকারিকরা।

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের সতর্কতা নিয়ে আজ এদিন বিদ্যুৎ ভবনে একটি বৈঠক করেন মাননীয় বিদ্যুৎমন্ত্রী শ্রী অরূপ বিশ্বাস। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই বৈঠকে সারেন তিনি।

মন্ত্রী জানান, শনিবার ৪ ডিসেম্বর সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত বিদ্যুত ভবনে একটি ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুমে খোলা হচ্ছে। এছাড়াও যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে মাননীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন তা হল-

১. বিদ্যুৎ ভবনে কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বে থাকবেন ডিরেক্টর ডিস্ট্রিবিউশন ও চিফ ইঞ্জিনিয়ার ডিস্ট্রিবিউশন।

২.প্রত্যেকটি ব্লকে এবং জেলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সঙ্গে বিদ্যুৎ দফতর রিজিওনাল ম্যানেজাররা সমন্বয় সাধন করবেন।

৩.কোনও জায়গায় জল জমে থাকলে সেখানে বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যতক্ষণ না পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ চালু করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, ততক্ষণ বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ থাকবে।

৪.পোল,কন্ডাক্টর কেবল এবং ট্রান্সফর্মার পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে।

৫.নিম্নলিখিত ৯টি জেলা উত্তর ২৪পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি,পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম,নদীয়া ও পূর্ব বর্ধমান-এ ব্লক ভিত্তিক গ্যাং থাকবে। সংশ্লিষ্ট জেলাশাসক,এসডিও ও বিডিওদের কাছে প্রত্যেকটি গ্যাং লিডার ও কর্মীদের নাম ফোন নম্বর পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

৬.বিদ্যুৎ ভবনে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুমের যোগাযোগ নম্বর দু’টি হল ৮৯০০৭৯৩৫০৩৮৯০০৭৯৩৫০৪

৭. কলকাতা পুরসভার ১ থেকে ৮৮ নম্বর ওয়ার্ডে আন্ডারগ্রাউন্ড কেবল থাকায় সেখানে থানাভিত্তিক গ্যাং মজুত রাখা হবে। ৮১ ও ৮৯ থেকে ১৪৪ নম্বর ওয়ার্ডে ওয়ার্ড ভিত্তিক গ্যাং রাখা হবে। যাদের নাম ও ফোন নম্বর ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটরদের জানিয়ে দেওয়া হবে।

এছাড়াও বজবজ,মহেশতলা,হাওড় ও উত্তর ২৪ পরগনায়র সিইএসসির অধীনস্থ অঞ্চলগুলির প্রতিটি থানায় গ্যাং রাখা হবে।
সিইএসসির কন্ট্রোল রুমের নম্বর গুলি হল- ৯৮৩১০৭৯৬৬৬৯৮৩১০৮৩৭০০

৯. ৪ঠা ডিসেম্বর থেকে ৭ই ডিসেম্বর বিদ্যুৎ দফতরের এর সর্বস্তরের কর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

Your Opinion

We hate spam as much as you do