Tranding

08:43 AM - 04 Feb 2026

Home / Other Districts / পেনসন না পেয়ে ‘শিক্ষারত্ন’ অবসাদে আত্মঘাতীঃ হেয়ার স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষকের ঝুলন্ত দেহ

পেনসন না পেয়ে ‘শিক্ষারত্ন’ অবসাদে আত্মঘাতীঃ হেয়ার স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষকের ঝুলন্ত দেহ

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ড. সুনীল কুমার দাস কলকাতার হেয়ার স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। প্রধান শিক্ষক থাকাকালীন ২০১৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় তাঁর হাতে শিক্ষারত্ন পুরস্কার তুলে দেন। এমনকি সরকারী ও বেসরকারী তরফে শিক্ষক হিসাবে আরও বহু সম্মান তিনি পেয়েছেন। এর পর ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই তিনি অবসর নেন। অভিযোগ পরিবারের একমাত্র রোজগেরে হওয়া সত্ত্বেও অবসরের পর লাগাতার ৩ বছর ধরে বিকাশভবন ও নিজের স্কুলে যাতায়াত করলেও মেলেনি পেনশন। এর পরই তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন ও আত্মঘাতী হন।

পেনসন না পেয়ে ‘শিক্ষারত্ন’ অবসাদে আত্মঘাতীঃ হেয়ার স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষকের ঝুলন্ত দেহ

পেনসন না পেয়ে ‘শিক্ষারত্ন’ অবসাদে আত্মঘাতীঃ হেয়ার স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষকের ঝুলন্ত দেহ

17th august

প্রধান শিক্ষক থাকাকালীন ২০১৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় তাঁর হাতে শিক্ষারত্ন পুরস্কার তুলে দেন বর্ধমানের মেমারির দেবীপুরের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হল হেয়ার স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষকের ঝুলন্ত দেহ। শিক্ষকের নাম সুনীল কুমার দাস, তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফ থেকে তিনি শিক্ষারত্ন পুরস্কার পেয়েছিলেন। তবে পরিবারের তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, শিক্ষারত্ন পাওয়া শিক্ষকও অবসরকালীন ভাতা পেতেন না ঠিক মতো। আর্থিক কষ্টে দিন কাটাতে হচ্ছিল তাঁকে। সেই কারণেই অবসাদে ভেঙে পড়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে খবর। আপাতত সেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ড. সুনীল কুমার দাস কলকাতার হেয়ার স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। প্রধান শিক্ষক থাকাকালীন ২০১৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় তাঁর হাতে শিক্ষারত্ন পুরস্কার তুলে দেন। এমনকি সরকারী ও বেসরকারী তরফে শিক্ষক হিসাবে আরও বহু সম্মান তিনি পেয়েছেন। এর পর ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই তিনি অবসর নেন। অভিযোগ পরিবারের একমাত্র রোজগেরে হওয়া সত্ত্বেও অবসরের পর লাগাতার ৩ বছর ধরে বিকাশভবন ও নিজের স্কুলে যাতায়াত করলেও মেলেনি পেনশন। এর পরই তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন ও আত্মঘাতী হন।

 

মেমারী থানার পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। এদিকে পেনশন না পাওয়ায় রাজ্যসরকারের তরফে শিক্ষারত্ন পাওয়া শিক্ষকের মৃত্যুর ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর। বিজেপির বক্তব্য, এক প্রবীণ ব্যক্তিকে মাসের পর মাস বিকাশ ভবন যেতে হয়েছে। সেখান থেকে প্রতি বারই তাঁকে ব্যর্থ মনোরথে ফিরে আসতে হয়েছে। সেই অপমান তিনি আর সহ্য করতে পারেননি। তাই স্বাধীনতা দিবসের পর পরই তিনি আত্মহত্যা পথ বেছে নিলেন। তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য, কেন তিনি পেনশন পাননি বা কেন তিনি আত্মহত্যা করলেন তা নিশ্চয়ই প্রশাসন খতিয়ে দেখবে।

 

Your Opinion

We hate spam as much as you do