মানিক সরকারের অভিযোগ, রাজ্যে গণতন্ত্র ‘আক্রান্ত’। সাধারণ মানুষকে ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে বামেদের ব্যর্থতার মধ্যেও আশার আলো দেখছেন মানিক। তিনি জানিয়েছেন, বিজেপির সন্ত্রাস সত্ত্বেও ৬০ শতাংশ মানুষ বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। তা সত্ত্বেও বিজেপির সাফল্যের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি দাবি করেন, বিজেপি বিরোধী ভোট ভাগ হয়েছে।
'ত্রিপুরায় প্রহসন হয়েছে’! রাজ্যের ৬০% মানুষ BJP-র বিপক্ষে - মানিক
০৫ মার্চ ২০২৩
ত্রিপুরার বিধানসভা নির্বাচনে ‘প্রহসন’ হয়েছে বলে দাবি করলেন রাজ্যের প্রাক্তন বাম মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। সম্প্রতি সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে তিনি জানিয়েছেন, ত্রিপুরার ভোটের ফলাফল একেবারেই ‘অপ্রত্যাশিত’। বিজেপির এই ‘অভাবনীয়’ সাফল্যের কারণও ব্যাখ্যা করেছেন মানিক। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার লুট হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন সিপিআইএম এর পলিটব্যুরোর সদস্য।
২০১৮ সালে ত্রিপুরায় প্রথম বারের জন্য ক্ষমতায় এসেছিল বিজেপি। বিজেপি শাসনে রাজ্যে গণতন্ত্র হরণ, সন্ত্রাস, দুর্নীতি-সহ একাধিক অভিযোগে সরব হয়েছিল বামেরা। এই নির্বাচনে বিজেপিকে রুখতে জোট বেঁধেছিল বাম এবং কংগ্রেস। যদিও ভোট শতাংশ এবং আসন কমলেও রাজ্যে সরকার দখল করেছে বিজেপি। ৬০ আসনের বিধানসভায় ৩২টি আসন পেয়েছে তারা। কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে বামেরা পেয়েছে ১১টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছে গিয়েছে ৩টি আসন।
মানিক সরকারের অভিযোগ, রাজ্যে গণতন্ত্র ‘আক্রান্ত’। সাধারণ মানুষকে ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে বামেদের ব্যর্থতার মধ্যেও আশার আলো দেখছেন মানিক। তিনি জানিয়েছেন, বিজেপির সন্ত্রাস সত্ত্বেও ৬০ শতাংশ মানুষ বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। তা সত্ত্বেও বিজেপির সাফল্যের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি দাবি করেন, বিজেপি বিরোধী ভোট ভাগ হয়েছে। তবে তার জন্য নির্দিষ্ট কোনও দলের নাম নিতে চাননি তিনি। তবে মানিক নাম না করলেও অনেকেই মনে করছেন, তিপ্রা মথাকেই এর জন্য দুষছে বামেরা। ত্রিপুরার এই নতুন দলটি প্রথম বার ভোটে লড়তে নেমেই ১৩টি আসন জিতে প্রধান বিরোধী দলের তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে। বেশ কিছু আসনের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, তিপ্রা মথা প্রার্থীর ভোট বাম-কংগ্রেস জোট শিবিরের অনুকূলে গেলে বিজেপি প্রার্থীরা বিপুল ভোটে পরাজিত হতেন।
We hate spam as much as you do