Tranding

01:30 PM - 04 Feb 2026

Home / Politics / বীরভূমে কংগ্রেস নেত্রীর হুংকার পুলিশ ভোট লুট না রুখলে ঝাঁঝরা করে দিন

বীরভূমে কংগ্রেস নেত্রীর হুংকার পুলিশ ভোট লুট না রুখলে ঝাঁঝরা করে দিন

পুলিশ কিছু করে না। পুলিশ খালি তৃণমূলের পুলিশ। অথচ আমার-আপনার করের টাকা দিয়ে পুলিশকে মাইনে দেওয়া হয়। সুতরাং পুলিশকে একদম ভয় পাবেন না। টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাবেন। বলবেন, আমাদের এখানে সন্ত্রাস হচ্ছে, তোমরা এখানে দাঁড়াও। সবাই একসঙ্গে যাবেন। তারপর দেখবেন কী করে ওরা। বোম মারতে হবে? দরকার পড়লে হবে। যদি কেউ বলতে পারে মাথার এইখানে গুলি করবে, তাহলে আমরাও কংগ্রেস বলছি পুলিশের সারা বডিতে ঝাঝরা করে দেব, খালি এইখানে গুলি করব না।”

বীরভূমে কংগ্রেস নেত্রীর হুংকার পুলিশ ভোট লুট না রুখলে ঝাঁঝরা করে দিন

বীরভূমে কংগ্রেস নেত্রীর হুংকার পুলিশ ভোট লুট না রুখলে ঝাঁঝরা করে দিন
 
Nov 26, 2022 


পঞ্চায়েত ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই তপ্ত হচ্ছে রাজ্য রাজনীতির বাতাবরণ। চলছে আক্রমণ, প্রতি আক্রমণের পালা। ঝাঝালো বক্তৃতায় দলীয় কর্মীদের তাতিয়ে দিতে মাঝে মধ্যেই গরম-গরম বাক্যবাণ ধেয়ে আসছে রাজনীতিকদের মুখ থেকে। কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলতে রাজি নয়। নিশানায় রাজনীতিকরা এবং রাজনৈতিক দলগুলি তো ছিলই, এবার নিশানায় উর্দিধারীরাও। ‘পুলিশের সারা বডিতে ঝাঝরা করে দেওয়ার’ হুঁশিয়ারি ভেসে এল কংগ্রেস  শিবির থেকে। শুক্রবার বিকেলে বীরভূমের হাঁসন বিধানসভা কেন্দ্রের বেসিক মোড়ে ভারত জোড়ো কর্মসূচির জন্য একটি সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করেন পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী সুব্রতা দত্ত।

 

পুলিশের বিরুদ্ধে শাসক দলের হয়ে পক্ষপাতিত্ব করার অভিযোগ এর আগেও একাধিকবার উঠেছে। পুলিশকে শাসকের ‘দলদাস’ বলেও অতীতে খোঁচা দিয়েছেন বিরোধীরা। কিন্তু এবার সেই সব ছাপিয়ে গেল কংগ্রেস নেত্রীর বক্তব্য। শুক্রবার রাতে তিনি বললেন, “পুলিশ কিছু করে না। পুলিশ খালি তৃণমূলের পুলিশ। অথচ আমার-আপনার করের টাকা দিয়ে পুলিশকে মাইনে দেওয়া হয়। সুতরাং পুলিশকে একদম ভয় পাবেন না। টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাবেন। বলবেন, আমাদের এখানে সন্ত্রাস হচ্ছে, তোমরা এখানে দাঁড়াও। সবাই একসঙ্গে যাবেন। তারপর দেখবেন কী করে ওরা। বোম মারতে হবে? দরকার পড়লে হবে। যদি কেউ বলতে পারে মাথার এইখানে গুলি করবে, তাহলে আমরাও কংগ্রেস বলছি পুলিশের সারা বডিতে ঝাঝরা করে দেব, খালি এইখানে গুলি করব না।”

 

সঙ্গে তাঁর আরও সংযোজন, “আমরাও জানি। তারজন্য আমাদের না হয় দু-চারটে লাশ পড়বে। আমরা এইভাবেই চলব। আমাদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গিয়েছে, দেওয়াল ভেঙে গিয়েছে, আমরা আর শুনব না।” যদিও কংগ্রেস নেত্রীর এমন মন্তব্যকে বিশেষ আমল দিচ্ছে না শাসক দল তৃণমূল। তৃণমূলের বীরভূম জেলার সহ-সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেছেন, “ওর কথায় গুরুত্ব না দেওয়াই ভাল। এমন কোন বিশেষ কেউ নয়।”

Your Opinion

We hate spam as much as you do