এই বিলের তীব্র বিরোধিতা করে আসছে বিরোধীরা। তাঁদের দাবি, এই প্রস্তাব কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপিকে রাজনৈতিকভাবে সুবিধা এনে দেবে। এই নীতি আসলে দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের পরিপন্থী। ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ নীতির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার ঘুরপথে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মতো একটি ব্যবস্থা চালু করতে চাইছে।
‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ কার্যকরে সরকারি উদ্যোগের নিন্দায় বিরোধীরা
12 December 2024
‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ কার্যকরে আরও এক ধাপ এগোল মোদি সরকার! কেন্দ্র মন্ত্রিসভা দিল অনুমোদন। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সবুজ সঙ্কেত দেওয়া হয়েছে এই নীতিতে। সংসদের চলতি শীতকালীন অধিবেশনেই এই বিষয়ে বিল পেশ করতে পারে কেন্দ্র।
কেন্দ্রীয় সরকারের মতে, ঘন ঘন নির্বাচন দেশের আর্থিক এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে। এতে উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলি বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং রাজ্য কেন্দ্রের সংস্থানগুলির উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। এই নিয়ে কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান বলেন, ‘একযোগে নির্বাচন হলে উন্নয়নের গতি দ্রুত হবে এবং খরচও কমবে।’ ‘এক দেশ, এক ভোট’ চালু করার দাবিতে বুধবারও জোরদার সওয়াল করেছেন তিনি।
এই নিয়ম কার্যকর করতে দীর্ঘদিন ধরেই পদক্ষেপ করতে শুরু করে কেন্দ্র। ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ ব্যবস্থা এই দেশে চালু হলে, তা কতটা বাস্তবসম্মত হবে— সে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। গত মার্চ মাসে কোবিন্দের নেতৃত্বাধীন কমিটি রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে একটি রিপোর্টও জমা দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে এই বিলের তীব্র বিরোধিতা করে আসছে বিরোধীরা। তাঁদের দাবি, এই প্রস্তাব কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপিকে রাজনৈতিকভাবে সুবিধা এনে দেবে। এই নীতি আসলে দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের পরিপন্থী। ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ নীতির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার ঘুরপথে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মতো একটি ব্যবস্থা চালু করতে চাইছে।
We hate spam as much as you do