সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থায় উচ্চকক্ষের বিজেডি নেতা সস্মিত পাত্র জানিয়েছেন, “বিজেডি সাংসদরা এবার রাজ্যসভায় শুধু বিভন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবেন না। এনডিএ সরকার যদি ওড়িশার প্রকৃত দাবিগুলিকে উপেক্ষা করতে তাহলে আমরা আন্দোলন করব।“
মোদির 'একসময়ের বন্ধু' BJD বিরোধী সঙ্গী রাজ্যসভায় ওয়াকআউট
০৪ জুলাই ২০২৪
বিজেপির একসময়ের বন্ধু বিজেডি, বিজু জনতা পার্টি বুধবার রাজ্যসভা থেকে বিরোধীদের ওয়াকআউটে সামিল। যদিও এই দুই দলের সম্পর্কে চিড় ধরেছে আগেই। মোদির দ্বিতীয় অধ্যায়ে নবীন পট্টনায়েকের এই বিজেডির সাহায্যেই রাজ্যসভায় একাধিক বিল পাশ করিয়েছিল। তবে এখন পরিস্থিতি আলাদা। এক সময়ের বন্ধু এখন একে অপরের বিপরীতে দাঁড়িয়ে। বুধবার প্রধানমন্ত্রী র বক্তব্যের সময় উচ্চকক্ষের সাংসদরা ওয়াকআউট করেন। লোকসভার পর বুধবার রাজ্যসভায় মোদির জবাবি ভাষণ ছিল। তারমধ্যেই সুর চড়ান কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। তিনি বলেন, এই সরকার কাজ করতে অভ্যস্থ নয়। বিরোধী সাংসদরা রাজ্যসভার কক্ষ ত্যাগ করার সময়, বিজেডি সাংসদরাও যোগ দেন। নবীনের দলের ৯ সাংসদ মোদির ভাষণের মাঝেই কক্ষ ত্যাগ করেন।
লোকসভায় তাদের দলের কোনো সাংসদ না থাকলেও রাজ্যসভায় ন’জন সাংসদ রয়েছে বিজেডির। আগেই বিজেডির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, সংসদে তারা আর বিজেপিকে সমর্থন করবে না। সেই মতো, বুধবার প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ প্রস্তাব চলাকালীন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গের নেতৃত্বে বিরোধীদের সঙ্গে ওয়াকআউটে সামিল হলেন বিজেডির ন’জন সাংসদ।
সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থায় উচ্চকক্ষের বিজেডি নেতা সস্মিত পাত্র জানিয়েছেন, “বিজেডি সাংসদরা এবার রাজ্যসভায় শুধু বিভন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবেন না। এনডিএ সরকার যদি ওড়িশার প্রকৃত দাবিগুলিকে উপেক্ষা করতে তাহলে আমরা আন্দোলন করব।“
উল্লেখ্য, কিছু মূল ইস্যু এবং আইন যেগুলি রাজ্যসভায় পাশ হতে বিজেপি সরকার বিজেডির সমর্থন পেয়েছিল, সেগুলো হল - জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার এবং এটিকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করার জন্য কেন্দ্রের পদক্ষেপ, সন্ত্রাস বিরোধী আইন UAPA, তথ্য অধিকার আইনের সংশোধন এবং যে আইন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নরকে রাজধানীর সরকারি কর্মকর্তাদের উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দিয়েছে।
We hate spam as much as you do