Tranding

08:33 AM - 04 Feb 2026

Home / Other Districts / স্কুলছুটদের স্কুলে ফেরানোর জন্য SFI এর ডাকে ভালই সাড়া

স্কুলছুটদের স্কুলে ফেরানোর জন্য SFI এর ডাকে ভালই সাড়া

সারা রাজ্য জুড়ে ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের কর্মীরা ছড়িয়ে পরেছে সমাজ থেকে ' ড্রপ আউট ' নামক অভিশাপ মুছে ফেলার লক্ষে।স্কুল,কলেজ,বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে ছাত্রছাত্রীদের সাথে কথা বলছেন এস এফ আই এর সদস্যরা ।জানতে চাইছেন তাদের পড়াশুনার সমস্যার কথা।

স্কুলছুটদের স্কুলে ফেরানোর জন্য  SFI এর ডাকে ভালই সাড়া

স্কুলছুটদের স্কুলে ফেরানোর জন্য  SFI এর ডাকে ভালই সাড়া


SFI স্কুল এবং কলেজে "জিরো ড্রপআউট" এর জন্য  প্রচার চালাচ্ছে।
     
সর্ববৃহৎ বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআই এর উদ্যোগ   যে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে  ক্লাস পুনরায় শুরু হওয়ার সাথে সাথে  স্কুল ও কলেজগুলিতে "শূন্য ড্রপআউট" এর জন্য  প্রচার শুরু করেছে। স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া রাজ্য ইউনিটের সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য বলেছিলেন, এই সপ্তাহে রাজ্যের বিভিন্ন ব্লকের কলেজ এবং স্কুলগুলিতে প্রচার করা হবে।

 

বিশেষ করে সেইসব স্কুলগুলিতে, বিরাট সংখ্যক  ড্রপআউটের ঘটনা ঘটেছে - সমাজের আর্থিকভাবে দুর্বল অংশের মেয়েদের মধ্যে এবং সংখ্যালঘু ও দলিত সম্প্রদায়ের ছাত্রদের মধ্যে এই স্কুলছুটের সংখ্যা  বেশি৷ COVID-19 মহামারীর কারনে স্কুল বন্ধ থাকার কারনে 
এই স্কুলছুটের প্রবণতা ব্যাপক হয়ে ওঠে। 

সৃজনের বক্তব্য অনুসারে "রাজ্য প্রশাসন এবং ক্ষমতাসীন টিএমসি এটি বন্ধ করার জন্য সামান্য প্রচেষ্টা করেছে। আমাদের স্বেচ্ছাসেবক এবং সদস্যরা শূন্য ড্রপআউট প্রচারাভিযান শুরু করতে রাস্তায় নেমেছে,” 

এসএফআই এর আগে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি পুনরায় চালু করার জন্য একটি আন্দোলন শুরু করেছিল কারণ অনেক দরিদ্র শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাসে যোগ দেওয়ার জন্য স্মার্টফোনের সামর্থ্য রাখতে পারে না এবং ইন্টারনেটে সীমিত অ্যাক্সেস ছিল। রাজ্য সরকার ১৯ নভেম্বর থেকে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল এবং কলেজগুলি পুনরায় খোলার অনুমতি দিয়েছে।


এসএফ আই উত্তর ২৪পরগনা জেলার সভাপতি ডঃ দীপ্তজীৎ দাস তার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেছেন ফেসবুকে।
নাম দেওয়া হয়েছ অ্যান্টি ড্রপ আউট স্কোয়াড। ইতিমধ্যে  গত ১০ বছরে শিক্ষাখাতে খরচে ৪ থেকে ১৭ এ নেমেছে আমাদের রাজ্য।পড়ুয়ার অভাবে রাজ্যে বন্ধ হল ৭৯ টা সরকারি বা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বিদ্যালয়।
লকডাউনে ডিজিটাল ক্লাস হয়েছে বাধ্যতামূলক।অথচ দেশে শিক্ষায় ব্যয় কমেছে ৬%।পাল্লা দিয়ে খরচ বাড়াচ্ছে মোবাইল নেটওয়ার্ক সংস্থাগুলো।সরকার নীরব দর্শক।
এই তথ্য দিয়ে জেলা এস এফ আই সভাপতি লিখেছেন সারা রাজ্য জুড়ে ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের কর্মীরা ছড়িয়ে পরেছে সমাজ থেকে ' ড্রপ আউট ' নামক অভিশাপ মুছে ফেলার লক্ষে।স্কুল,কলেজ,বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে ছাত্রছাত্রীদের সাথে কথা বলছেন এস এফ আই এর  সদস্যরা ।জানতে চাইছেন তাদের পড়াশুনার সমস্যার কথা। 
আগামী দিনে তারা আন্দোলনে নামার কথা বলেন।
এই সময়ের দুটি অভিজ্ঞতা উল্লেখ করেছেন এস এফ আই নেতা

বারাসাতের বাদুর নদীভাগ অঞ্চলের এক পড়ুয়ার কথায় উঠে আসছে কঠিন বাস্তব।শ্যামসুন্দর চায় পড়াশুনা করে প্রতিষ্ঠিত হতে।কিন্তু দাদা ঘনশ্যামের ক্লাসের পর অতিরিক্ত নেট খরচের সামর্থ নেই ওদের পরিবারের।তাই দীর্ঘ ২ বছর  শ্যামসুন্দরের সাথে পড়াশোনার সম্পর্ক নেই। ক্লাস ৭ এ উঠে গেলেও পরবর্তী শিক্ষার সাথে কতটা তাল মেলাতে পারবে তাই নিয়ে উদ্বিগ্ন ওদের পরিবার।


বরানগরে এই সমীক্ষার কাজ চালাতে গিয়ে অভিজ্ঞতা উল্লেখ করেন  প্রথম বর্ষের ইংলিশ অনার্সের এক ছাত্রীর। লকডাউনের পর ঘোর অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন ওর পরিবার।বই কিনতে না পারায় আর পড়া চালিয়ে যেতে পারবে ভাবতে পারেনি সে। এই কথায়
এসএফ আই এর সদস্যরা বই জোগাড় করে দিয়ে আসেন। । 

রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন যায়গায় এস এফ আই এর সদস্যরা ছাত্রদের স্কুলে ফেরানোর কাজে নেমেছেন। নিঃসন্দেহে এই গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক কর্মসুচী ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসে এক নতুন দিক।

 

Your Opinion

We hate spam as much as you do