বৃহস্পতিবার কৃষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তাঁদের সব দাবি মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার একনাথ শিণ্ডে (Eknath Shinde) সেই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীসও ছিলেন। এরপর কৃষক নেতারা জানিয়েছেন, সরকারকে চারদিন সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যেই সরাকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা কার্যকর করতে হবে। ততদিন মুম্বইয়ে লং মার্চ ঢুকবে না, তবে কৃষকদের জমায়েত এখনই ভাঙা হবে না।
মহারাষ্ট্রে কৃষকদের জয়! সব দাবি মানার প্রতিশ্রুতি সরকারের , লং মার্চ স্থগিত
১৯ মার্চ, ২০২৩,
newscopes.in ফসলের ন্যূনতম মূল্য,কৃষিঋণ মকুব, ভূমিহীন আদিবাসীদের জঙ্গলের জমির পাট্টা, ফসলের সেচের সুবিধা এবং কৃষকদের পেনশন চালু-সহ মোট ১৭ দফা দাবিতে, নাসিক থেকে মুম্বইয়ের উদ্দেশে লাল ঝান্ডা হাতে চড়া রোদে হাঁটা শুরু করেন হাজার হাজার কৃষক ও জনজাতি গোষ্ঠীর আন্দোলনকারীরা।
বৃহস্পতিবার কৃষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তাঁদের সব দাবি মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার একনাথ শিণ্ডে (Eknath Shinde) সেই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীসও ছিলেন। এরপর কৃষক নেতারা জানিয়েছেন, সরকারকে চারদিন সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যেই সরাকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা কার্যকর করতে হবে। ততদিন মুম্বইয়ে লং মার্চ ঢুকবে না, তবে কৃষকদের জমায়েত এখনই ভাঙা হবে না।
সিপিআইএমের (CPIM) কৃষক সংগঠন ‘অল ইন্ডিয়া কিসান সভা’র পক্ষ থেকে শুক্রবার জানানো হয়েছে, সরকার দ্রুত তাঁর প্রতিশ্রুতি পালন না করলে, তাঁরা অন্য পদক্ষেপ নেবে। সিপিএম বিধায়ক বিনোদ নিকোলে বলেন, আমরা লং মার্চ আপাতত স্থগিত করেছি। কিন্তু সরকারের তরফে আমাদের দাবি পূরণের জন্য সদিচ্ছা এবং সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ চাই। না হলে আমরা মুম্বই যাব। আন্দোলনকারী কৃষক নেতা জবা গাভিট বলেন, কৃষকদের প্রতি কুইন্টাল পেঁয়াজে ৬০০ টাকা সহায়ক মূল্য। দিনে ১২ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং কৃষিঋণ পুরোপুরি মকুব করার দাবি আমাদের তালিকায় রয়েছে। তা দ্রুত পূরণ করতে হবে।
উল্লেখ্য, এই একই দাবি সামনে রেখে ২০১৮ সালে মহারাষ্ট্রের নাসিক থেকে মুম্বই পর্যন্ত লং মার্চ করেছিলেন প্রায় ৫০ হাজার কৃষক। দেবেন্দ্র ফড়ণবিস লিখিতভাবে আশ্বাস দিয়েছিলেন ৬ মাসের মধ্যে কৃষকদের দাবি মেনে নেওয়ার। প্রতিশ্রুতির পর পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও অধিকাংশ দাবিই এখনও পূরণ হয়নি। সেই মিছিলকে সমর্থন করে পাশে দাঁড়িয়েছিল মহারাষ্ট্রের নাগরিক সমাজ। সেই মিছিলকে সমর্থন করে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে মহারাষ্ট্রের কৃষকরা।
We hate spam as much as you do