তবে সকাল থেকে গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। ওই এলাকায় যাঁরা বাস থেকে নেমেছেন তাঁদেরই পরীক্ষা করা হয়েছে। সন্দেহ হলেই গ্রেফতার করে পুলিশ। যা কার্যত নজিরবিহীন
SSC-র শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিজ্ঞপ্তির দাবি নিয়ে ডেপুটেশনের আগেই গ্রেফতার আন্দোলনকারীরা।
বাম আমলে প্রতি বছর স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হত। প্রতি বছর গড়ে দশ থেকে বারো হাজারের মত পাস এবং অনার্স/পিজি স্কেলে শিক্ষক নিয়োগ হত। যদিও বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষক নিয়োগ একেবারেই অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। ২০১৬ সালে শেষবার এসএসসি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। প্রতিবছরই রাজ্যের স্কুলগুলিতে অনেক শিক্ষক শিক্ষিকা অবসর নেন। ফলে শূন্যপদের সংখ্যাও বাড়ছে। সেখানে নতুন নিয়োগ করছে না।
এই অবস্থায় আজ স্বারকলিপি জমা এবং বিক্ষোভ কর্মসূচি নেয় রাজ্যের শিক্ষকপদ চাকরি প্রার্থীরা। এদিন আন্দোলনকারী। জমায়েত করে, স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করবেন।
তবে সকাল থেকে গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। ওই এলাকায় যাঁরা বাস থেকে নেমেছেন তাঁদেরই পরীক্ষা করা হয়েছে। সন্দেহ হলেই গ্রেফতার করে পুলিশ। যা কার্যত নজিরবিহীন
এদিন সল্টলেকের করুণাময়ীতে এসএসসি ভবনের সামনে জমায়েতের ডাক দেওয়া হয়। সকাল থেকেই এলাকা ঘিরে ফেলে বিধাননগর কমিশনারেটের বিশাল পুলিশ বাহিনী। জমায়েতের আগেই গ্রেফতার করা হয় আন্দোলনকারীদের।
আন্দোলনকারীদের দাবি, বছরের পর বছর এসএসসি-র কোনও নোটিফিকেশন হয় না। সেই দাবিতেই তাঁরা স্মারকলিপি জমা দিতে এসেছিলেন, বিক্ষোভ দেখাতে নয়। তারপরেও গ্রেফতার করা হচ্ছে।
সরকারের এই বিষয়ে কোনো উদ্যোগ না থাকায় দিনের-পর-দিন সংকট বেড়ে চলেছে চাকরি প্রার্থীদের। এসএসসির মাধ্যমে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তির দাবি নিয়ে একাধিক আন্দোলনও করেছেন চাকরি প্রার্থীরা। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তারা তাদের দাবি জানিয়েছেন। অথচ কোনো উদ্যোগ নেই।
We hate spam as much as you do