প্রথমে রায়গঞ্জের স্নেহলতা পার্কে সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে সমাবেশ মঞ্চ খুলে দেওয়া হয়। এই প্রসঙ্গে পরে অন্যত্র সমাবেশে মানিক সরকার ত্রিপুরার বিজেপি সরকারের আচরণের সাথে মিলের উল্লেখ করেন।
রায়গঞ্জে বাম যুবদের সংগঠন DYFI রাজ্য সম্মেলনে কর্মসংস্থানের প্রশ্নে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হল।
রায়গঞ্জে ডিওয়াইএফআই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল। গত ২রা অক্টোবর রায়গঞ্জ রেল ময়দানে সলিল চৌধুরী নামাঙ্কিত মঞ্চে প্রকাশ্য সভা হয়। সিপিআইএম নেতা ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, মহঃ সেলিম সহ যুব নেতৃত্ব বক্তব্য রাখেন। সভাপতি ছিলেন মীনাক্ষী মুখার্জী।
প্রথমে রায়গঞ্জের স্নেহলতা পার্কে সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে সমাবেশ মঞ্চ খুলে দেওয়া হয়। এই প্রসঙ্গে পরে অন্যত্র সমাবেশে মানিক সরকার ত্রিপুরার বিজেপি সরকারের আচরণের সাথে মিলের উল্লেখ করেন।
সম্মেলন উদ্বোধন করে মহঃ সেলিম আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পুঁজিবাদের তীব্র সংকটের কারনে চরম দক্ষিনপন্থার উদ্ভবের কথা বলেন। এদেশের শাসকদের ইতিহাস বিকৃত করে মৌলবাদের প্রসার হচ্ছে অন্যদিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মত কাজ হচ্ছে না। রাজ্যের সরকারের দূর্নীতি যুব সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে সেলিম অভিযোগ করেন। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও বিশিষ্ট কবি শঙ্খ ঘোষের নামে সম্মেলন অঞ্চল এবং সদ্য যুব শহীদ মইদুল মিদ্দার নামে মঞ্চ হয়েছিল।
একটা গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষনে ডিওয়াইএফআই এই সম্মেলন করল। মীনাক্ষী মুখার্জীকে সম্মেলন থেকে সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হল। মুর্শিদাবাদের ধ্রুবজ্যোতি সাহা সভাপতি এবং কলকাতার কলতান দাশগুপ্ত যুবশক্তির সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
স্থায়ী নির্দিষ্ট বেতনযুক্ত কর্মসংস্থানের দাবীই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এই মুহুর্তে।
সম্মেলন উপলক্ষে রায়গঞ্জে লোকশিল্পের উপকরণ দিয়ে বিভিন্নদিক সাজানো হয়। উত্তর দিনাজপুরের সবচেয়ে আলোচিত লোকশিল্প হল মুখোশ শিল্প। সম্মেলন স্থলের বিভিন্নদিকে সেই মুখোশ দিয়ে সাজানো হয়েছিল।
We hate spam as much as you do