Tranding

05:19 PM - 04 Feb 2026

Home / World / রুশ পারমাণবিক ফোর্সকে এলার্ট, যুদ্ধের মুখোমুখি ইউরোপ

রুশ পারমাণবিক ফোর্সকে এলার্ট, যুদ্ধের মুখোমুখি ইউরোপ

তবে এইসবের মধ্যেই ইউক্রেইন বেলারুশ - ইউক্রেইন সীমান্তে রাশিয়ার সাথে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে। এখানে উল্লেখযোগ্য, এদিন প্রথমে বেলারুশে বৈঠকের প্রস্তাব খারিজ করে দেয় ইউক্রেইন। তবে পরে নিরপেক্ষ স্থানে, বেলরুশ - ইউক্রেইন সীমান্তে বৈঠক করতে রাজি হয়ে যান জেলেন্সকি। এদিন পুতিন তাঁর সর্বোচ্চ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক চলাকালীন তাঁর প্রতিরক্ষা মন্ত্রীকে পারমাণবিক ডিটারেন্ট ফোর্সগুলিকে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এলার্ট করার নির্দেশ দেন।

রুশ পারমাণবিক ফোর্সকে এলার্ট, যুদ্ধের মুখোমুখি ইউরোপ

রুশ পারমাণবিক ফোর্সকে এলার্ট, যুদ্ধের মুখোমুখি ইউরোপ

রুশ পারমাণবিক ফোর্সগুলিকে এলার্ট করে দিলেন পুতিন, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রহর গুনছে ইউরোপ সহ গোটা বিশ্ব                                     

 চারদিন পেরিয়ে গেছে। এখনও যুদ্ধ থামেনি। চতুর্দিকে শুধুই ধ্বংসের ছবি। মিস উইক্রেইন থেকে শুরু করে নামী খেলোয়াড়, ইউক্রেইনিয়ান রাষ্ট্রপতির আর্জিতে সাড়া দিয়ে হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছেন তথাকথিত সেলিব্রিটিরাও। সাধারণ মানুষকে ঢাল হিসেবে (Human Shield) ব্যবহার করে পুতিনকে যুদ্ধাপরাধী আখ্যা দিয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক ন্যায় আদালতে যাওয়ার পরিকল্পনাও করে ফেলেছে জেলেনক্সি সরকার।


 আর এইসবের মধ্যে রাশিয়ার উপর একের পর এক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা চাপানোয় পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে উঠেছে কারণ এর জবাবে পুতিন রুশ পারমাণবিক ডিটারেন্ট ফোর্সগুলিকে এলার্ট করে দিয়েছেন! ফলে সমগ্র বিশ্বে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভ্রুকুটি। এর সাফাই দিতে পুতিন ব্যক্তিগত ভাবে তাঁর সহ সমগ্র রাশিয়ার উপর পশ্চিমী দেশগুলির চাপানো আর্থিক প্রতিবন্ধকতাকে তুলে ধরেছেন। 

 

তবে এইসবের মধ্যেই ইউক্রেইন বেলারুশ - ইউক্রেইন সীমান্তে রাশিয়ার সাথে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে। এখানে উল্লেখযোগ্য, এদিন প্রথমে বেলারুশে বৈঠকের প্রস্তাব খারিজ করে দেয় ইউক্রেইন। তবে পরে নিরপেক্ষ স্থানে, বেলরুশ - ইউক্রেইন সীমান্তে বৈঠক করতে রাজি হয়ে যান জেলেন্সকি। এদিন পুতিন তাঁর সর্বোচ্চ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক চলাকালীন তাঁর প্রতিরক্ষা মন্ত্রীকে পারমাণবিক ডিটারেন্ট ফোর্সগুলিকে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এলার্ট করার নির্দেশ দেন। 


পুতিন এদিন বলেছেন "একদিকে পশ্চিমী দেশগুলি আমাদের অর্থনীতিকে ভেঙে দেওয়ার চেষ্টায় উঠেপড়ে লেগেছে, অপরদিকে NATO র গুরুত্বপূর্ণ সদস্য দেশগুলির উচ্চ আধিকারিকরা আমাদের দেশের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্য রেখেছে।" মার্কিন এম্বাসেডর লিন্দা থমাস গ্রিনফিল্ড এদিন পুতিনের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন।


 তিনি বলেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র UN সহ সারা পৃথিবীতে রাশিয়ার মুখোশ খুলবে। পুতিনের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে গোটা দুনিয়াকে, বিশেষ করে পশ্চিমী দেশগুলিকে নাড়া দিয়েছে। গোটা দুনিয়ার তাই প্রার্থনা যে ইউক্রেইন সংকটের অনিবার্য পরিণতি হিসেবে যেন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ না হয়।

Your Opinion

We hate spam as much as you do