দিল্লির সুব্রত পার্কে এয়ার ফোর্স রেকর্ডস দফতরে কর্মরত ছিলেন ওই সেনা জওয়ান। দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে আইএএফ’র থেকে নির্দিষ্ট অভিযোগ পেয়ে বায়ুসেনার ওই জওয়ানকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত তথ্য পাচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে’।
বায়ুসেনা জওয়ান দেবেন্দ্র গ্রেফতার! অভিযোগ Honeytrap-এর ফাঁদে পড়ে তথ্য পাচার!
গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার বায়ুসেনার এক আধিকারিক। দিল্লি পুলিশের অপরাধ দমন শাখা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ভারতীয় বায়ুসেনার এক জওয়ান দেবেন্দ্র শর্মাকে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে দিল্লি পুলিশের এক সিনিয়ার আধিকারিক বলেন, ‘এই ঘটনার পিছনে পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) জড়িত রয়েছে বলেই আমাদের ধারণা’।
দিল্লির সুব্রত পার্কে এয়ার ফোর্স রেকর্ডস দফতরে কর্মরত ছিলেন ওই সেনা জওয়ান। দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে আইএএফ’র থেকে নির্দিষ্ট অভিযোগ পেয়ে বায়ুসেনার ওই জওয়ানকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত তথ্য পাচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে’।
তথ্য পাচারের বিনিময়ে মোটা টাকা ও পেয়েছিলেন ওই জওয়ান বলে ধারণা পুলিশের। পুলিশ সূত্রে খবর শর্মার বিরুদ্ধে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের অধীনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, দিল্লির ধৌলা কুয়ান এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে বায়ু সেনার জওয়ানকে। ফেসবুকের পরিচয় সূত্র ধরেই ঘটনার সূত্রপাত। জানা গিয়েছে কিছুদিন আগেই এক মহিলা জওয়ান দেবেন্দ্র শর্মাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠান। তার আবেদনে সাড়া দেন ওই জওয়ান। ধীরে ধীরে কথোপকথন থেকে বাড়ে ঘনিষ্ঠতা।
পুলিশে সূত্রে জানা গিয়েছে বেশ কয়েক বার ওই মহিলার সঙ্গে দেখাও করেন তিনি। এরপরই মহিলা তার কাছ থেকে বেশ কিছু প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত তথ্য জানতে চান। তিনি আইএএফ রাডারের অবস্থান, সিনিয়র আধিকারিকদের পোস্টিং এবং তাদের বিবরণ সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার জন্য ওই সেনাকে চাপ দিতে শুরু করেন বলে জানা গিয়েছে। এপ্রসঙ্গে অপরাধ শাখার এক সিনিয়ার আধিকারিক জানান, আমরা ওই মহিলার ব্যপারে বিশদে জানার চেষ্টা করছি। ইতিমধ্যেই ওই মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বেশ কিছু অবৈধ লেনদেন পাওয়া গিয়েছে। তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
We hate spam as much as you do