Tranding

08:26 AM - 04 Feb 2026

Home / Politics / মীনাক্ষী মুখার্জী সহ ১৬ জন SFI- DYFI নেতার জামিন মঞ্জুর

মীনাক্ষী মুখার্জী সহ ১৬ জন SFI- DYFI নেতার জামিন মঞ্জুর

প্রায় ৯ দিন পর তৃতীয় দফার শুনানিতে জামিন মঞ্জুর হল DYFI নেত্রী সহ ১৬ আন্দোলনকারীর। শর্ত সাপেক্ষে ১৫০০ টাকা ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন মঞ্জুর হয় সিপিআইএম নেত্রীর।

মীনাক্ষী মুখার্জী সহ ১৬ জন SFI- DYFI নেতার জামিন মঞ্জুর

মীনাক্ষী মুখার্জী সহ ১৬ জন SFI- DYFI নেতার জামিন মঞ্জুর

 

 Anis Khan কাণ্ডে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে গ্রেফতার হন DYFI নেত্রী । তৃতীয় দফার শুনানি শেষে মঞ্জুর হল তাঁর জামিন। হাওড়ার (Howrah ) পাঁচলায় এসপি অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে গ্রেফতার হন এই বাম নেত্রী।
 Anis Khan কাণ্ডে অবশেষে জামিন পেলেন DYFI নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় (Minakshi Mukherjee) সহ ১৬ জন বাম ছাত্রনেতা ও কর্মীরা।


প্রায় ৯ দিন পর তৃতীয় দফার শুনানিতে জামিন মঞ্জুর হল DYFI নেত্রী সহ ১৬ আন্দোলনকারীর। শর্ত সাপেক্ষে ১৫০০ টাকা ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন মঞ্জুর হয় সিপিআইএম নেত্রীর।

আনিস খানের (Anis Khan) মৃত্যুর প্রতিবাদে ২৭ ফেব্রুয়ারি SFI ও DYFI-এর কর্মসূচিতে তুলকালাম কান্ড বেঁধে গিয়েছিল পাঁচলায়। একইভাবে এসপি অফিসের সামনে ব্যাপক গন্ডগোল শুরু হয় শনিবারও। পুলিশকে লক্ষ্য করে লাগাতার বোতল ও ইট পাথর বৃষ্টি চলে। যদিও যদিও তাঁদের সমর্থকদের কেউ ইট ছোড়েনি বলে জানিয়েছিলেন CPIM নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। সেই সংঘর্ষে আহত হয় বেশ কয়েকজন। বিক্ষোভকারীদের রুখতে পালটা কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায় পুলিশ। গ্রেফতার হন DYFI নেত্রী মীনাক্ষ্মী মুখোপাধ্যায় সহ বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারী।


আনিসের মৃত্যু নিয়ে SFI এবং DYFI-এর প্রতিবাদের পরদিনও দফায় দফায় বিক্ষোভ চলে পাঁচলায়। SP অফিস ঘিরে বিক্ষোভের পাশাপাশি জাতীয় সড়কে বসে পড়ে পথ অবরোধ করেন সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতি চরম বিশৃঙ্খলা আকার নেয়। জাতীয় সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। বিক্ষোভের মোকাবিলায় ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। এমনকি পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হয় RAF। উত্তেজিত জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে ইটবৃষ্টি শুরু করে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেলও ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ার আগেই অবরোধকারীদের বেশ কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ।


পরে ১৬ জনকে হাওড়া আদালতের ভারপ্রাপ্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে তোলা হয়। অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী তাদের জামিনের জন্য আদালতের সওয়াল করেন। সরকারি আইনজীবী তাদের জামিনের বিরোধিতা করেন। অভিযুক্তদের পক্ষে আইনজীবী মিহির বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তাঁরা পুলিশ সুপারের অধীনে কোন তদন্তে আস্থা রাখতে পারছেন না। প্রকৃত তদন্তের জন্য তারা CBI তদন্তের দাবি করছেন। গ্রামীণ পুলিশ সুপারের অফিসে হামলার অভিযোগে ধৃত ১৬ জন SFI এবং DYFI কর্মীকে চার দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন হাওড়া আদালতের বিচারক। ধৃতদের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা,পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, পুলিশকে আক্রমণের অভিযোগে একাধিক অপরাধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা করা হয়েছিল।

Your Opinion

We hate spam as much as you do