Tranding

11:53 AM - 04 Feb 2026

Home / National / ভোটের আগে সাম্প্রদায়িকীকরণের ধর্ম সংসদে হরিদ্বারে গণহত্যার ডাক

ভোটের আগে সাম্প্রদায়িকীকরণের ধর্ম সংসদে হরিদ্বারে গণহত্যার ডাক

১৭ থেকে ১৯ ডিসেম্বর হরিদ্বারে চলে ধর্ম সংসদ৷ সেখানে সাধু ও সাধ্বীরা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়ে গণহত্যার ডাক দেন৷ এক হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের নেত্রী মা অন্নপূর্ণা বলেন, ‘আমরা একশো সেনা চাই৷ যাঁরা ওদের ২০ লক্ষ মানুষকে খুন করতে পারবে৷’

ভোটের আগে সাম্প্রদায়িকীকরণের  ধর্ম সংসদে হরিদ্বারে গণহত্যার ডাক

ভোটের আগে সাম্প্রদায়িকীকরণের  ধর্ম সংসদে হরিদ্বারে গণহত্যার ডাক

 

হরিদ্বারের ধর্ম সংসদে ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্রে (Hindu Rashtra) পরিণত করার জন্য গণহত্যার ডাক দিয়ে বিতর্কে একদল হিন্দুত্ববাদী সাধু ও সাধ্বী৷ ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি এফআইআর হয়েছে৷ বিরোধী দলগুলি ওই সব হিন্দুত্ববাদী সাধুর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে৷ কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (Priyanka Gandhi) টুইট করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি করেন৷ মিমের সর্বোচ্চ নেতা আসাদুদ্দিন ওয়াইসির বক্তব্য, ধর্ম সংসদে গণহত্যার জন্য উস্কানিমূলক নানা মন্তব্য করা হয়েছে৷ উত্তরাখণ্ড পুলিসের ডিজি অশোক কুমার বলেন, ‘ধর্ম সংসদে যাঁরা এই ধরণের মন্তব্য করেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ অত্যন্ত বেআইনি কাজ হয়েছে৷ কাউকে ছেড়ে দেওয়া হবে না৷’


১৭ থেকে ১৯ ডিসেম্বর হরিদ্বারে চলে ধর্ম সংসদ৷ সেখানে সাধু ও সাধ্বীরা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়ে গণহত্যার ডাক দেন৷ এক হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের নেত্রী মা অন্নপূর্ণা বলেন, ‘আমরা একশো সেনা চাই৷ যাঁরা ওদের ২০ লক্ষ মানুষকে খুন করতে পারবে৷’

প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন মনমোহন সিং সংসদে রাষ্ট্রের সম্পদে সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে মুখ খুলেছিলেন৷ তাঁর সেই ঘটনার উল্লেখ করে বিহারের ধর্মদাস মহারাজ নামে এক সাধু বলেন, ‘আমি সেদিন সংসদে থাকলে মনমোহনকে ছ’টা গুলি করতাম৷ নাথুরাম গডসের আদর্শই আমাদের একমাত্র পথ৷’ আনন্দস্বরূপ মহারাজ বলেন, ‘হরিদ্বারের মতো হিন্দু প্রধান জায়গায় মুসলিম ও খ্রিষ্টানরা কোনও ধর্মাচরণ করতে পারবে না৷’ প্রকাশ্য মঞ্চে বলা এই সব কথাবার্তা ভিডিয়ো ছড়িয়ে দেওয়া হয় উদ্যোক্তা সংগঠনের তরফ থেকে৷


 
গোটা ঘটনায় বিরোধীরা সরব হওয়ায় অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে বিজেপি৷ উত্তরাখণ্ডের বিজেপি নেতারা ওই ধর্ম সংসদের থেকে নিজেদের দূরত্ব বজায় রাখার মরিয়া চেষ্টায় নেমেছেন৷ তবে সরকারি ভাবে কোনও বিজেপি নেতা বা মন্ত্রী মুখ খোলেননি৷ রাজ্য পুলিশের ডিজি শুধু দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন।

Your Opinion

We hate spam as much as you do