NSOIYর হদিশ আগেই আলফা ভ্যারিয়ান্টে পাওয়া গিয়েছিল। এই NSOIY খুবই সংক্রামক কারণ এই ক্ষেত্রে প্যাথোজেন মানব কোষের সাথে খুব শক্তিশালী ভাবে বাইন্ড করে। আর E481C যদি ডেল্টার সমতুল্য বা তার চেয়েও বেশি ভয়ংকর হয় তবে তা বৈজ্ঞানিকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলতে বাধ্য কারণ এটি যেকোনো ধরণের ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়।
ফ্রান্সে চিহ্নিত করোনার নতুন ভ্যারিয়ান্ট!
উত্থান দাশ
ওমিক্রনের পর এবার আরও এক নতুন ভ্যারিয়ান্টের হদিশ মিলল ফ্রান্সে। করোনার এই নতুন ভ্যারিয়ান্ট কতটা ভয়ঙ্কর বা এর উৎপত্তি কোথায়, তা এখনও জানা যায়নি।
ফ্রান্সের মারসেইর আই এইচ ইউ মেডিটেরাঁনে হাসপাতাল ঘোষণা করেছে যে ক্যামেরুন ফেরত এক যাত্রীর দেহে এই নতুন ভ্যারিয়ান্ট পাওয়া গেছে। ৪৬ বার মিউটেশন হওয়া এই নতুন ভ্যারিয়ান্টের নাম 'B.1640.2'। NSOIY এবং E484K নামক স্পাইক প্রোটিন এই ভ্যারিয়ান্টে পাওয়া গেছে। NSOIYর হদিশ আগেই আলফা ভ্যারিয়ান্টে পাওয়া গিয়েছিল। এই NSOIY খুবই সংক্রামক কারণ এই ক্ষেত্রে প্যাথোজেন মানব কোষের সাথে খুব শক্তিশালী ভাবে বাইন্ড করে। আর E481C যদি ডেল্টার সমতুল্য বা তার চেয়েও বেশি ভয়ংকর হয় তবে তা বৈজ্ঞানিকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলতে বাধ্য কারণ এটি যেকোনো ধরণের ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বালটিমোরের জন হপকিনস ইউনিভার্সিটি ব্যাখ্যা করেছে যে যেহেতু আফ্রিকান দেশগুলির ভ্যাকসিনেশনের হার অত্যন্ত কম (ক্যামেরুনের মাত্র ২.৪ %) তাই করোনার নতুন মিউটেশনের আভির্ভাব এই দেশগুলি থেকে বেশী হচ্ছে। যদিও নতুন ভ্যারিয়ান্টটির উৎপত্তি নিয়ে তারা কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেননি।
-
We hate spam as much as you do