বিচারপতি কে এম জোসেফের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ পদ্ধতিতে সংস্কার চেয়ে করা এক আবেদনের শুনানি করে। সংবিধানিক বেঞ্চ শুনানিতে বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার স্বাধীন ও নিরপেক্ষ চরিত্রের একজন মানুষ হওয়া প্রয়োজন। অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কটরামানি সুপ্রিম কোর্টে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন, এই বিষয়ে আপনার কি মতামত। সুপ্রিম কোর্টের সংবিধানিক বেঞ্চ জানায়, যেমন ধরুন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ এসেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এই বিষয়ে সাহায্য নিতে হবে। কিন্তু প্রধান নির্বাচন কমিশনার যদি এই বিষয়ে কাজ না করেন, তাহলে একটি নিরপেক্ষ সংস্থার ভাঙন হবে।
নির্বাচন কমিশন কি নিরপেক্ষ? সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্ন প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব হতে হবে
November 24, 2022,
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান নির্বাচন কমিশনের নিয়োগ নিয়ে শুনানি চলছে। সেখানেই সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ জানায়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কাজ না করলে নির্বাচন কমিশনের মতো একটি সংস্থার ভাঙন হবে। সংস্থাটি তার নিরপেক্ষতা হারাবে বলে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির সংবিধানিক বেঞ্চ মন্তব্য করেন।
বিচারপতি কে এম জোসেফের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ পদ্ধতিতে সংস্কার চেয়ে করা এক আবেদনের শুনানি করে। সংবিধানিক বেঞ্চ শুনানিতে বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার স্বাধীন ও নিরপেক্ষ চরিত্রের একজন মানুষ হওয়া প্রয়োজন। অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কটরামানি সুপ্রিম কোর্টে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন, এই বিষয়ে আপনার কি মতামত। সুপ্রিম কোর্টের সংবিধানিক বেঞ্চ জানায়, যেমন ধরুন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ এসেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এই বিষয়ে সাহায্য নিতে হবে। কিন্তু প্রধান নির্বাচন কমিশনার যদি এই বিষয়ে কাজ না করেন, তাহলে একটি নিরপেক্ষ সংস্থার ভাঙন হবে।
বিচারপতি অজয় রাস্তোগি, অনিরুদ্ধ বোস, হৃষিকেশ রায় এবং সিটি রবিকুমারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চটি পর্যবেক্ষণে জানায়, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ ও স্বাধীন হওয়া প্রয়োজন। আমাদের দেশের নির্বাচনের জন্য একটি বৃহত্তর নিরপেক্ষ সংস্থার প্রয়োজন। যারা প্রয়োজন মতো স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগের সংস্কার নিয়ে একটি আবেদন সুপ্রিম কোর্টে করা হয়। এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে বর্তমানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করা হয়। তাঁরা ভালো কাজ করছেন। এই বিষয়ে হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই। এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের সংবিধানিক বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে জানান, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে অভিজ্ঞতার পাশাপাশি প্রয়োজন নিরপেক্ষতা। স্বাধীনভাবে কাজ করার মানসিকতা।
সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ নির্বাচন অরুণ গোয়েলের নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্ত নথিপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ কেন্দ্রকে দেয়। সুপ্রিম কোর্ট জানায়, কমিশনার নিয়োগে কোনও গণ্ডোগল আছে কি না। ১৯৮৫ সালের আইএএস অফিসার। তিনি একদিন আগেই নিজের কর্মজীবন থেকে স্বেচ্ছা অসবর নেন। তারপরের দিন কীভাবে অরুণ গোয়েলকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ করা হয়, সেই বিষয়ে প্রশ্ন ওঠে। গোয়েলের নিয়োগে অস্পষ্টতা আছে বলে আবেদনকারী দাবি করেন। আবেদনকারীর তরফে সুপ্রিম কোর্টে প্রবীণ আইনজীবী লড়াই করছেন।
আবেদনকারীর পক্ষ থেকে সংবিধানিক বেঞ্চকে সুপ্রিম কোর্ট বলেন, যে আসনটি মে মাস থেকে ফাঁকা ছিল, কীভাবে গোয়েলের স্বেচ্ছা অবসর নেওয়ার পরের দিন নিয়োগ করা সম্ভব হয়। সংবিধানিক বেঞ্চের বিচারপতি জোসেফ অ্যাটর্নি জেনারেলকে প্রশ্ন করেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তারপরেও তাড়াহুড়ো করে কেন দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করা হল।
We hate spam as much as you do