Tranding

08:35 AM - 04 Feb 2026

Home / Other Districts / অভয়াহত্যা বিচারহীন ৭ মাস, সাথে যাদবপুর রাজপথে নাগরিক সমাজ

অভয়াহত্যা বিচারহীন ৭ মাস, সাথে যাদবপুর রাজপথে নাগরিক সমাজ

রবিবারের এই জোড়া মিছিল প্রসঙ্গে জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস ও অভয়া মঞ্চের তরফে সম্মিলিতভাবে একটি বিবৃত জারি করা হয়। যেখানে বলা হয়, "শাসকের ঔদ্ধত্য আর দম্ভ মনে করায় তারা খুন করতে পারে, করাতে পারে, অপরাধীদের আড়াল করতে পারে, সন্দেহজনক ওষুধের দায় এড়াতে পারে। শিক্ষামন্ত্রী নিজে শিক্ষক হয়েও ছাত্রছাত্রীদের গাড়ির চাকায় পিষে ফেলতে পারে। চূড়ান্ত দাম্ভিক প্রশাসন প্রতিটি ক্ষেত্রে উপযুক্ত ব্যবস্থাগ্রহণ দূরের কথা, অপরাধের উৎসমুখ থেকে প্রমাণ লোপাট করে প্রতিটি ঘটনাকে লঘু ও ধামাচাপা দিতে পারে। নাগরিক সমাজ তাই আজ ক্ষুদ্ধ, ক্রুদ্ধ এবং যন্ত্রণাবিদ্ধ। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমরা শঙ্কিত। আমরা রাস্তায় ছিলাম, আছি।"

অভয়াহত্যা বিচারহীন ৭ মাস, সাথে যাদবপুর রাজপথে নাগরিক সমাজ

অভয়াহত্যা বিচারহীন ৭ মাস, সাথে যাদবপুর রাজপথে নাগরিক সমাজ 

 9th March 2025 


আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের ঘটনার বিচারহীন ৭ মাস। প্রতিবাদে, রোববার ফের পথে নামলেন নাগরিকরা । একটি মিছিল হাজরা ও অন্য আরেকটি মিছিল ধর্মতলা থেকে শুরু হয়েছে। জোড়া মিছিলেরই অন্যতম ইস্যু আরজি কর ও যাদবপুরকাণ্ড ।

এদিন জোড়া মিছিল শুরু হয় বিকেল ৪টেয়। যা মিলিত হবে রানুছায়া মঞ্চে। মিছিলে অংশ নিয়েছেন অভয়া মঞ্চ, জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস ও ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরসের সদস্যরা। মিছিলে পা মিলিয়েছেন যাদবপুরের ছাত্ররাও।

গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে কর্মরত মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছিল। তারপর কেটে গিয়েছে সাত মাস। অভিযোগ, এখনও বিচার মেলেনি। সেই কারণেই পথে নেমেছে নাগরিক সমাজ।


পাশাপাশি এই মিছিলে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনাকেও রাখা হচ্ছে। ১ মার্চ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবকুপার অনুষ্ঠানকে ঘিরে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর গাড়ির তলায় পড়ে আহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সেই কথাও মনে করাচ্ছেন মিছিলের প্রতিবাদীরা। 

রবিবারের এই জোড়া মিছিল প্রসঙ্গে জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস ও অভয়া মঞ্চের তরফে সম্মিলিতভাবে একটি বিবৃত জারি করা হয়। যেখানে বলা হয়, "শাসকের ঔদ্ধত্য আর দম্ভ মনে করায় তারা খুন করতে পারে, করাতে পারে, অপরাধীদের আড়াল করতে পারে, সন্দেহজনক ওষুধের দায় এড়াতে পারে। শিক্ষামন্ত্রী নিজে শিক্ষক হয়েও ছাত্রছাত্রীদের গাড়ির চাকায় পিষে ফেলতে পারে। চূড়ান্ত দাম্ভিক প্রশাসন প্রতিটি ক্ষেত্রে উপযুক্ত ব্যবস্থাগ্রহণ দূরের কথা, অপরাধের উৎসমুখ থেকে প্রমাণ লোপাট করে প্রতিটি ঘটনাকে লঘু ও ধামাচাপা দিতে পারে। নাগরিক সমাজ তাই আজ ক্ষুদ্ধ, ক্রুদ্ধ এবং যন্ত্রণাবিদ্ধ। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমরা শঙ্কিত। আমরা রাস্তায় ছিলাম, আছি।"

Your Opinion

We hate spam as much as you do