অন্যদিকে, আমতা থানার ওসি দেবব্রত চক্রবর্তী ও সেকেন্ড অফিসার প্রীতম ভৌমিককে আজ ভবানীভবনে তলব করেছে সিট। ওইদিনের ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেওয়া হতে পারে তাঁদের কাছ থেকে। এদিকে, আনিস খান হত্যাকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে একটুও গাফিলতি করতে চাইছে না সিট।
আনিস কাণ্ডে তদন্তে নামল সিট, সাসপেন্ড তিন পুলিশকর্মী
এরপরই পুলিশের মধ্যে দেখা গেল সক্রিয়তা। তার জেরেই আমতা থানার দুই পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করা হল। বসিয়ে দেওয়া হয়েছে একজন হোমগার্ডকেও। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে এই দুই পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড এবং এক পুলিশ কর্মীকে বসিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিল প্রশাসন। সাসপেন্ড হওয়া পুলিশ কর্মীদের মধ্যে একজন এএসআই এবং একজন কনস্টেবল রয়েছেন।
এই পুলিশ কর্মীরা হলেন, এএসআই নির্মল দাস, কনস্টেবল জিতেন্দ্র হেমব্রম এবং হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা। মঙ্গলবার সকালেই সাসপেনশনের খবর প্রকাশ্যে এসেছে। তিন পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় তদন্ত শুরু হতে পারে বলে খবর। জানা গেছে, ঘটনার দিন রাতে এই পুলিশ কর্মীরাই ডিউটিতে ছিলেন। তাঁদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তাই দায়িত্ব হাতে পেয়ে সোমবার রাত ১০টা নাগাদ আমতা থানায় পৌঁছন সিআইডির ডিআইজি (অপারেশন) মিরাজ খালিদ ও বারাকপুর কমিশনারেটের যুগ্ম কমিশনার ধ্রুবজ্যোতি দে। তাঁরা প্রায় আড়াইটে পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন, ঘটনার দিন নানা তথ্য সংগ্রহ করেন। মঙ্গলবার সেখানে যাওয়ার কথা সিটের প্রধান এডিজি, সিআইডি জ্ঞানবন্ত সিংয়ের।
We hate spam as much as you do