জানা গিয়েছে, এর মধ্যেই রয়েছে, স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া ও অ্যাক্সিস ব্যাংক। অনুব্রত ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে এইসব ব্যাংকে একাধিক ডিপোজিট রয়েছে। সেইসব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে ব্যাংককে সিবিআই-এর পক্ষ থেকে। পাশাপাশি এই বিপুল পরিমাণ টাকার উৎস আসলে কী? এই কয়েক কোটি টাকার আয়কর রিটার্ন হয়েছে কিনা? এইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন সিবিআই-এর আধিকারিকরা।
অনুব্রতর ১৭ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করল সিবিআই - সন্ধান একাধিক ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট!
আগস্ট ১৭, ২০২২,
এবার গরু পাচার কাণ্ডে সিবিআই-এর হাতে গ্রেফতার অনুব্রত মণ্ডলের থেকে মিলল কোটি কোটি টাকা। অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর আত্মীয়দের একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট প্রায় ১৭ কোটি টাকা। পাশাপাশি তদন্তে হদিশ মিলেছে অনুব্রত মণ্ডলের নামে একাধিক সম্পত্তির। হদিশ পাওয়া একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রয়েছে কোটি কোটি টাকার আমানত। সবই মাল্টিপল ডিপোজিট স্কিমে আমানত। এবার সেইসব অ্যাকাউন্ট থেকেই মোট ১৬ কোটি ৯৭ লাখ বাজেয়াপ্ত করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই।
সিবিআই-এর আধিকারিকরা মনে করছেন এই পুর টাকাটাই অনুব্রত মণ্ডলের। সিবিআই সূত্রে আর জানা গিয়েছে, তাঁরা সব ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে ইতিমধ্যেই চিঠি দিয়েছেন। জানা গিয়েছে, রাজ্যব্যাপী মোট তিনটি ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় অ্যাকাউন্ট রয়েছে গরু পাচার কাণ্ডে ধৃত অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের।
জানা গিয়েছে, এর মধ্যেই রয়েছে, স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া ও অ্যাক্সিস ব্যাংক। অনুব্রত ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে এইসব ব্যাংকে একাধিক ডিপোজিট রয়েছে। সেইসব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে ব্যাংককে সিবিআই-এর পক্ষ থেকে। পাশাপাশি এই বিপুল পরিমাণ টাকার উৎস আসলে কী? এই কয়েক কোটি টাকার আয়কর রিটার্ন হয়েছে কিনা? এইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন সিবিআই-এর আধিকারিকরা।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বুধবার সকালে অনুব্রত মণ্ডলের অ্যাকাউন্ট্যান্টকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। বোলপুরের পূর্বপল্লিতে সিবিআই ক্যাম্পে অনুব্রত মণ্ডলের অ্যাকাউন্ট্যান্ট মণীশ কোঠারিয়াকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। অনুব্রত মণ্ডল ও তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল, দুজনেরই অ্যাকাউন্টের কাগজপত্র-সহ সবকিছু দেখাশোনা করতেন এই মণীশ কোঠারিয়া। মণীশ কোঠারিয়া-ই অনুব্রতর যাবতীয় হিসেবপত্র দেখতেন। তাঁর আইটি রিটার্ন ফাইল করতেন। তাই এবার সিবিআই-এর নজরে এই মণীশ কোঠারিয়াও। এদিন তাঁকে প্রায় ২ ঘণ্টা চলে এই জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআই-এর আধিকারিকরা।
অন্যদিকে, এদিন সিবিআই আধিকারিকরা একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের বোলপুর শাখাতেও যান। পাশাপাশি, সিবিআই স্ক্যানারে এবার অনুব্রত-কন্যা সুকন্যাও। সূত্রের খবর, অনুব্রত মণ্ডলের একাধিক নথিতে মেয়ের নাম পাওয়া গিয়েছে। সুকন্যার নামে বেশ কিছু সম্পত্তি রয়েছে বলেও অনুমান সিবিআই-এর। সিবিআই সূত্রের খবর, সুকন্যা মণ্ডলের নামে এখনও পর্যন্ত বোলপুরেই দশটি সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। এই প্রতিটি সম্পত্তিই ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে। এই কারণেই সন্দেহ বেড়েছে তদন্তকারী আধিকারিকদের।এদিন বাড়ি গিয়ে কেষ্ট-কন্যাকে নোটিস ধরায় সিবিআই।
জানা গিয়েছে, সিবিআই আধিকারিকদের জেরা করতে দিতে রাজি হননি সুকন্যা। সুকন্যা জানিয়েছেন, ‘আমি কথা বলার অবস্থায় নেই, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। সদ্য মা-কে হারিয়েছি। বাবা সিবিআই হেফাজতে।’ এই কারণেই ১০ মিনিট পরেই বেরিয়ে যান সিবিআই-এর আধিকারিকরা।
We hate spam as much as you do