Tranding

01:47 PM - 04 Feb 2026

Home / National / করমণ্ডলে, মৃত ৩০০ ছুঁয়ে যেতে পারে! যাত্রী নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে?

করমণ্ডলে, মৃত ৩০০ ছুঁয়ে যেতে পারে! যাত্রী নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে?

বালেশ্বর ট্রেন দুর্ঘটনায় লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত ২৯৫ জনের মৃত্যু, আহত অন্তত ৬৫০। ওড়িশার বালেশ্বরে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা জারি রয়েছে। কী ভাবে দুর্ঘটনার কবলে পড়ল ৩টি ট্রেন, বাড়ছে রহস্য। এখনও দুর্ঘটনাগ্রস্ত কামরা থেকে বের করা হচ্ছে দেহ। মৃত ও আহতর সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কাও রয়েছে

করমণ্ডলে, মৃত ৩০০ ছুঁয়ে যেতে পারে! যাত্রী নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে?

করমণ্ডলে, মৃত ৩০০ ছুঁয়ে যেতে পারে! যাত্রী নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে?
 
 03 Jun 2023 
 

ওড়িশায় করমণ্ডল এক্সপ্রেস বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে! শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, সংখ্যাটা ২৯৫। 

বালেশ্বর ট্রেন দুর্ঘটনায় লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত ২৯৫ জনের মৃত্যু, আহত অন্তত ৬৫০। ওড়িশার বালেশ্বরে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা জারি রয়েছে। কী ভাবে দুর্ঘটনার কবলে পড়ল ৩টি ট্রেন, বাড়ছে রহস্য। এখনও দুর্ঘটনাগ্রস্ত কামরা থেকে বের করা হচ্ছে দেহ। মৃত ও আহতর সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কাও রয়েছে। কিন্তু করমণ্ডলের এই দুর্ঘটনা ছাপিয়ে গিয়েছে গাইসলের ঘটনাকেও। 

এর আগের যে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা।
২ অগাস্ট ১৯৯৯। ২৪ বছর আগে  সেদিন ২৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল গাইসলের ট্রেন দুর্ঘটনায়, আর সেই সংখ্যা ছাপিয়ে গেল করমণ্ডলের বিভীষিকা।

শুক্রবার সন্ধেয় ওড়িশার বালাসোরে তিনটি ট্রেনের ভয়াবহ দুর্ঘটনা মুহূর্তের মধ্যে কাঁপিয়ে দিয়েছে গোটা দেশকে। মৃতের সংখ্যা প্রায় ৩০০ ছুঁইছুঁই। আহত অসংখ্য। এই দুর্ঘটনার পরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ভারতীয় রেল যাত্রীদের সুরক্ষার জন্য কী কী পদক্ষেপ করে। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী গত দশ বছরে ভারতে রেল দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে প্রায় ২.৬ লক্ষ মানুষের।

হিসেব করলে দাঁড়ায়, বছরে গড়ে ২৬ হাজার, প্রতি দিন গড়ে ৭২ জন রেল দুর্ঘটনার বলি হন। দেশের অপরাধমূলক তথ্য সংগ্রহ করার কাজ করে কেন্দ্রীয় সংস্থা এই এনসিআরবি (NCRB)। যদিও উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই রেল দুর্ঘটনার বেশিরভাগই মুখোমুখি সংঘর্ষ বা ট্রেনের লাইনচ্যুতি নয়। বেশিরভাগই হয় চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে যান বা রেলে কাটা পড়ে মৃত্যু হয়। ২০১৭ থেকে ২০২১ সালের ৭০ শতাংশ রেল দুর্ঘটনায় মৃত্যু এভাবেই হয়েছে।


ওড়িশার বালাসোরে ট্রেন দুর্ঘটনার পরই ঘটনাস্থলে যান প্রধানমন্ত্রী মোদি, রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সেখানে দুর্ঘটনাগ্রস্থ গোটা চত্বর ঘুরে দেখেন তাঁরা। কথা বলেন প্রশানসনিক এবং রেলের আধিকারিকদের সঙ্গে। এরপরেই হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গেও দেখা করা হয়। ওড়িশার বালাসোরে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার জন্য রেলওয়ে একটি উচ্চ-পর্যায়ের তদন্ত শুরু করেছে। এই তদন্তের নেতৃত্বে থাকবে রেলওয়ে নিরাপত্তা কমিশনার, দক্ষিণ-পূর্ব সার্কেল।

 

রেল মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, আহতদের মধ্যে বেশিরভাগ যাত্রী বাড়ি পৌঁছেছেন। তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করাই এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য। এরই মধ্যে রেল মন্ত্রীর ইস্তফা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। রেল মন্ত্রী জবাবে বলেন, এটা রাজনীতির সময় নয়। ভারতীয় রেলের যাত্রীনির্বাহী ডিরেক্টর অমিতাভ শর্মা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, ‘দুটি যাত্রীবাহী ট্রেন দুর্ঘটনায় সক্রিয়ভাবে অংশ নেয় অন্যদিকে একটি তৃতীয় ট্রেন, যেটি ঘটনাস্থলে দাঁড়ানো ছিল ও একটি পণ্যবাহী ট্রেন দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল।’

Your Opinion

We hate spam as much as you do