আন্দোলনের ‘শাস্তি’ হিসেবে তাঁদের ‘হোম ডিস্ট্রিক্ট’ থেকে বহু দূরে বদলি করা হয়েছে। ‘বিষ’ পানের জেরে তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। আপাতত তিনজন আরজি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং দু'জন নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভরতি আছেন।
মানবিকতায় হাসপাতালে সুজন, অনাদি সাহু, 'শিক্ষক নন, বিজেপি ক্যাডার', ৫ বললেন ব্রাত্য,
আত্মহত্যার চেষ্টা করা শিক্ষিকাদের সাথে দেখা করতে আজ এনআরএস হাসপাতালে যান সিপিআই(এম) নেতা সুজন চক্রবর্তী ও বাম সরকারের প্রাক্তন শ্রমমন্ত্রী অনাদি সাহু। তাঁরা সেখানে উপস্থিত চিকিৎসক এবং পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
‘অন্যায়ভাবে’ বদলির অভিযোগে মঙ্গলবার বিকাশ ভবনের সামনে ‘বিষ’ পান করেন পাঁচজন এসএসকে এবং এমএসকে শিক্ষিকা।
এদিকে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এদের স্রেফ বিজেপি ক্যাডার বললেন।
এসএসকে এবং এমএসকে শিক্ষকদের জন্য একাধিক সুযোগ-সুবিধা চালু করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। তারপরও ‘যাঁরা আন্দোলন করছেন, তাঁরা শিক্ষক-শিক্ষিকা নন, বিজেপি ক্যাডার।’ এমনই মন্তব্য করলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
‘অন্যায়ভাবে’ বদলির অভিযোগে মঙ্গলবার বিকাশ ভবনের সামনে ‘বিষ’ পান করেন পাঁচজন এসএসকে এবং এমএসকে শিক্ষিকা। তাঁরা দাবি করেন, শিক্ষক ঐক্য মুক্তমঞ্চের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে একাধিক আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। নবান্নের সামনে গিয়েছিলেন। গ্রেফতারও হয়েছিলেন। আন্দোলনের ‘শাস্তি’ হিসেবে তাঁদের ‘হোম ডিস্ট্রিক্ট’ থেকে বহু দূরে বদলি করা হয়েছে। ‘বিষ’ পানের জেরে তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। আপাতত তিনজন আরজি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং দু'জন নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভরতি আছেন। তিনজনকে আইসিইউতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে।
তারইমধ্যে বুধবার শিক্ষামন্ত্রী মুখ খোলেন। বাম সরকারকে তোপ দাগেন। ব্রাত্য বলেন, ‘বাম সরকারের আমলে পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন বিভাগের অধীনে এসএসকে এবং এমএসকের সহায়ক/সহায়িকা, সাম্প্রসারক/সম্প্রসারিকারা নামমাত্র সাম্মানিকের বিনিময়ে কাজ করতেন। কাজের নিশ্চয়তা, আর্থিক নিরাপত্তা এবং অবসরকালীন সুযোগসুবিধা বলে কিছু ছিল না।' সেইসঙ্গে তৃণমূল সরকারের আমলে এসএসকে এবং এমএসকে শিক্ষকদের জন্য কী কী সুবিধা প্রদান করা হয়েছে, তা তুলে ধরেন ব্রাত্য।
ব্রাত্যের বক্তব্য, সেই সুযোগ-সুবিধা চালুর পরও যাঁরা আন্দোলন করছেন, তাঁরা মোটেও প্রকৃত শিক্ষক নন। শিক্ষামন্ত্রীর কথায়, ‘তারপরেও যাঁরা আন্দোলন করছেন, তাঁরা শিক্ষক-শিক্ষিকা নন, বিজেপি ক্যাডার।’
We hate spam as much as you do