Tranding

05:04 PM - 04 Feb 2026

Home / National / সরকারি ব্যাংকের লাগামহীন বেসরকারিকরণের বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে শ্বেতপত্র দাবি করল  কংগ্রেস।

সরকারি ব্যাংকের লাগামহীন বেসরকারিকরণের বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে শ্বেতপত্র দাবি করল  কংগ্রেস।

একটি সাংবাদিক সম্মেলন করার কথা ছিল আর বি আই এর তথ্য অনুসন্ধান যা করা হয়েছে তা সকলের সামনে প্রকাশ করে।  আগস্টের মধ্যে যেখানে আর বি আই এর পক্ষ থেকে রীতিমত উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করা হয়েছে এই ধরনের বিরামহীন ব্যাংক বেসরকারিকরণের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আরবিআই কে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে যাতে এই রিপোর্ট প্রকাশ না করা হয়। 

সরকারি ব্যাংকের লাগামহীন বেসরকারিকরণের বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে শ্বেতপত্র দাবি করল  কংগ্রেস।

সরকারি ব্যাংকের লাগামহীন বেসরকারিকরণের বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে শ্বেতপত্র দাবি করল  কংগ্রেস।

AUG 21 2022,

শনিবার কংগ্রেস কেন্দ্রীয় সরকারকে দোষী সাব্যস্ত করে বলা হয় আরবিআই যেখানে তার গবেষণা রিপোর্টে উল্লেখ করেছে যে ব্যাংক গুলির বেসরকারিকরণের  যে বিরাট পরিকল্পনা  সেই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক।

ইতিমধ্যে সমস্ত বিরোধী দলগুলি বিজেপি যেভাবে ব্যাংকগুলোকে বেসরকারীকরণ করার পরিকল্পনা করছে তার সমালোচনা করে বিজেপিকে "বেচে যাও পার্টি" বলে অভিহিত করেছে। এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে বিরুদ্ধে অভিযোগ যে সরকার "রিজার্ভ ব‍্যঙ্ক"কে "রিভার্স ব্যাংকে" পরিণত করার চেষ্টা করছে  রিজার্ভ ব্যাংকে নিজস্ব রিপোর্টকে সম্পূর্ণ পাল্টে দিতে চেষ্টা করছে।

গত শুক্রবার আর বি আই অনুসন্ধান রিপোর্ট  বলেছিল যে পাবলিক সেক্টর ব্যাংকগুলোকে বেসরকারিকরণ করার ক্ষেত্রে খুব ধীরে ধীরে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এই রিপোর্টকে সম্পূর্ণ পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে

সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলনে কংগ্রেসের মুখপাত্র সুপ্রিয়া সিনেট বলেন "একটি সাংবাদিক সম্মেলন করার কথা ছিল আর বি আই এর তথ্য অনুসন্ধান যা করা হয়েছে তা সকলের সামনে প্রকাশ করে।  আগস্টের মধ্যে যেখানে আর বি আই এর পক্ষ থেকে রীতিমত উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করা হয়েছে এই ধরনের বিরামহীন ব্যাংক
বেসরকারিকরণের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আরবিআই কে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে যাতে এই রিপোর্ট প্রকাশ না করা হয়।  আরবিআই এই গবেষণা পত্র সম্পর্কে বলতে বাধ্য হচ্ছে যে এটা তাদের নিজস্ব তথ্য অনুসন্ধান নয়, এটা কারোর ব্যক্তিগত তথ্য।

সিনেট উল্লেখ করেন পরিষ্কারভাবে এইটাই  আর বি আই এর প্রথম নয় যেখানে আরবিআই সেন্ট্রাল গভমেন্টের ইচ্ছা অনুযায়ী কথা বলতে বাধ্য হয়েছে,  তিনি এই সময় গত ছ'বছর আগের নোট বাতিলের কথা মনে করিয়ে দেন।
.
তিনি বলেন আরবিআই ১৯৪৭ সালের পর থেকে ২৪ টা ব্যাংকের জাতীয়করণ গ্রহণ করেছিল সেই আর বি আই এখন বাধ্য হচ্ছে তার তার অনুসন্ধান রিপোর্ট পাল্টে দেওয়ার।

এই মুহূর্তে সরকারি ব্যাংকের সংখ্যা ২৭ থেকে ১২ হয়েছে গভমেন্ট আরো বেসরকারীকরণ করতে চায়।

এটা পরিষ্কার আরবিআই এর অনুসন্ধান সম্পর্কে আলোচনা  সরকার বন্ধ করে দিতে চাইছে। তার ফলে সরকারি ব্যাংকগুলোর কর্মক্ষমতা কমে যাচ্ছে। কংগ্রেস মুখপাত্র উল্লেখ করেন এই ধরনের চক্রান্ত চলছে।

নির্দিষ্ট করে বলেন "বারে বারে বলা হচ্ছে বৃহৎ ব্যাংক অনেক ভালো ছোট ছোট ব্যাংকের থেকে। তাই ব্যাংকগুলোকে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে"

তিনি বলেন "এই রিপোর্টে বলা হয়েছে রাস্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলো দেশের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যা প্রাইভেট ব্যাংকগুলো করে না"

সিনেট উল্লেখ করেন যে "আর বি আই এর বুলেটিন স্পষ্ট করে বলেছে এই অর্থনৈতিক অবস্থায় কৃষি ক্ষেত্রে এবং বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে যে উন্নতি ঘটেছে তা অবশ্যই সরকারি ব্যাংকগুলোর অবদান।
বেসরকারী ব্যাংকগুলোর এক্ষেত্রে ভূমিকা অল্পই "

এক সময় ভারতবর্ষের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সিদ্ধান্ত ছিল ব্যাংক জাতীয়করণের, যা নির্দিষ্ট কিছু লোকের অর্থের কারবার করা কে বাধা সৃষ্টি করেছিল, গ্রাহক, কৃষক, মধ্যবিত্ত এবং গরিবদের অর্থনৈতিক  স্থিতি দিয়েছিল।

কংগ্রেস মুখপত্র বলেন "আমি এর আগেও বলেছি বলেই যাবো, পাবলিক সেক্টর ব্যাংক শুধুমাত্র একটি অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান নয় এটা সামাজিক অধিকার পাওয়ার একটি মাধ্যম "

কংগ্রেস মুখপাত্র সিনেট বলেন অবিলম্বে জাতীয় কংগ্রেস এই বিষয়ে একটি শ্বেতপত্র দাবি করছে।

"মোদি সরকারকে এই মুহূর্তে সমস্ত বিষয়ে সরকারের নির্দেশ মানার জন্য চাপ সৃষ্টি করা বন্ধ করতে হবে। যেমন তারা এখন আরবিআই কে করছে। আবার নোট বাতিলের মতন সিদ্ধান্ত সকলে মেনে নেবে না।
মোদি সরকারের  এই মুহূর্তে থামা প্রয়োজন এবং বিবেচনা করা প্রয়োজন। যে সাধারণ মানুষের  মত কি হবে? নিয়ন্ত্রণহীন বেসরকারি করুন করার বিষয়ে চিন্তা করা দরকার "

আর বি আই বুলেটিনে অনুসন্ধান ও গবেষণাপত্রে আগস্ট মাসে যা বলা হয়েছে " সরকারের অবিরাম বেসরকারিকরণের এই পরিকল্পনা ভারতীয় সমাজ জীবনে এবং অর্থনৈতিক সময়ে অর্থনৈতিক অবস্থায় একটি গভীর শূন্যতা সৃষ্টি করবে
বেসরকারিকরণ প্রচেষ্টা ভালোর বদলে ক্ষতিটাই বেশি হবে।  সরকার দুটি ব্যাংকে প্রাইভেটাইজ করার কথা ঘোষণা করেছে এই পরপর উদ্যোগ যে বৃহৎ প্রাইভেটাইজেশন গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করবার জন্য কোন জায়গা রাখবে না!!

Your Opinion

We hate spam as much as you do