হিপোক্রেটিক ওথের বদলে চরকের নামে শপথ নিতে হবে মেডিক্যাল পড়ুয়াদের। সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মোদী সরকার। সরাসরি না হলেও ন্যাশনাল মেডিক্যাল কাউন্সিলের মাধ্যমে। যা নিয়ে উত্তাল হয়েছিল দেশ। কথা উঠলেও ন্যাশনাল মেডিক্যাল কাউন্সিল এব্যাপারে চূড়ান্ত নির্দেশিকা কিছু পাঠায়নি। পুরোটাই এখনও প্রস্তাবিত। গত ৭ ফেব্রুয়ারি এনএমসির উদ্যোগ প্রকাশ্যে আসতেই বিরোধিতা করে বিভিন্ন সংগঠন। তবে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, যা করা হয়েছে, তা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কাউন্সিলের গাইডলাইন মেনেই।
মমতা রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজে গৈরিকীকরণের ছায়া! চরকের নামে শপথ
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা কিছু জানেন না।
হবু চিকিৎসকদের চরক (charak) শপথের কথা আগেই জানা গিয়েছিল। তা এবার হল এই রাজ্যের তথা এশিয়ার সব থেকে পুরনো মেডিক্যাল কলেজ (calcutta medical college), কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে। তবে এই ঘটনা সম্পর্কে তিনি অবগত নন বলেই সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা দেবাশিস ভট্টাচার্য। এর আগে গ্রিক চিকিৎসক হিপোক্রেটিসের নামে শপথে চিকিৎসক ধর্ম পালনের কথা বলতেন চিকিৎসকরা।
হিপোক্রেটিক ওথের বদলে চরকের নামে শপথ নিতে হবে মেডিক্যাল পড়ুয়াদের। সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মোদী সরকার। সরাসরি না হলেও ন্যাশনাল মেডিক্যাল কাউন্সিলের মাধ্যমে। যা নিয়ে উত্তাল হয়েছিল দেশ। কথা উঠলেও ন্যাশনাল মেডিক্যাল কাউন্সিল এব্যাপারে চূড়ান্ত নির্দেশিকা কিছু পাঠায়নি। পুরোটাই এখনও প্রস্তাবিত। গত ৭ ফেব্রুয়ারি এনএমসির উদ্যোগ প্রকাশ্যে আসতেই বিরোধিতা করে বিভিন্ন সংগঠন। তবে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, যা করা হয়েছে, তা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কাউন্সিলের গাইডলাইন মেনেই।
এব্যাপারে রাজ্যের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা দেবাশিস ভট্টাচার্য জানিয়েছেন চরকের নামে শপথ বাক্য পাঠ করানোর বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে এমনটা যে হবে কিংবা হতে চলেছে, তা তাঁর কানে আসেনি।
সোমবারের এই ঘটনার পরে শোরগোল পড়ে যায়। বিক্ষোভ দেখায় এআইডিএসও এবং মেডিক্যাল সার্ভিস সেন্টারের মতো সংগঠন। বিষয়টি যে এখনও বিবেচনার স্তরেই রয়েছে, তা স্পষ্ট করেছেন তৃণমূল সাংসদ তথা চিকিৎসক নেতা শান্তনু সেন। তিনি বলেছেন, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ কেন আগ বাড়িয়ে এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিল তা তিনি বুঝতে পারছেন না। বিষয়টি অস্বস্তিকর বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। এব্যাপারে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাঁকে বিষয়টিকে ঐচ্ছিক রাখার কথা জানিয়েছিলেন বলেও সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন শান্তনু সেন। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের সঙ্গে চরক শপথ খাপ খায় না বলেও বলছেন বিজেপি বিরোধী চিকিৎসক সংগঠনের নেতারা। রাজ্যে এই ঘটনার মধ্যে গিয়ে চিকিৎসা পেশাতেও গৈরিকীকরণের শুরু হল বলে মনে করছেন চিকিৎসকদের একটা বড় অংশ।
We hate spam as much as you do