বিরোধীদের আন্দোলনের নেতৃত্বে রাহুল গান্ধী। যন্তর মন্তরের পর ফের একবার বিরোধীদের আন্দোলনে অংশ নিল না তৃণমূল। আজ সংসদ চত্বরের বাইরে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে কংগ্রেসসহ সব বিরোধী দল। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে এই বিক্ষোভে নামে বিরোধীরা। শিব সেনা, আম আদমি পার্টি থেকে ডিএমকে, সব বিরোধী দল সেই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করলেও দেখা যায়নি তৃণমূলের কোনও সংসদ তথা নেতাকে।
দিল্লিতে থেকেও বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ বিক্ষোভে গেল না তৃণমূল। ঘুম থেকে উঠতে নাকি দেরী!
ভারতবর্ষে এই মুহুর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয় হল বিরোধী ঐক্য। যা শুধুমাত্র একটা কেন্দ্র বিরোধী জোট নয়। তার থেকে বেশি দেশের সাংবিধানিক পরিকাঠমো বিচার ব্যবস্থা এমনকি সামাজিক গঠন পর্যন্ত নিয়ে নাড়াচাড়া করা হচ্ছে। এবং বেশ কিছু পরিবর্তনের পথে। তাই শুধু রাজনৈতিক জোট নয় এই প্রায় তিনবছর আগে বিরোধী ঐক্য প্রচেষ্টা একটা ন্যুনতম সাধারন কর্মসুচী গ্রহনের লক্ষে। এই কর্মসুচীতে তৃণমূল কংগ্রেসের মত গুরুত্বপূর্ণ বিরোধী দল দিনের পর দিন উপস্থিত থাকছে না। এই আচরণ ঠিক কিসের ইঙ্গিত বহন করে তা বিশেষজ্ঞ মহলের আলোচ্য বিষয়।
আজ নাকি তাদের ঘুম থেকে উঠতে দেরী হয়ে গেছে।
আজও তাই হল। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিক্ষোভ বিরোধীদের। দিল্লিতে থাকা সত্ত্বেও গেলেন না কোনও তৃণমূল সাংসদ বা নেতা।
বিরোধীদের আন্দোলনের নেতৃত্বে রাহুল গান্ধী। যন্তর মন্তরের পর ফের একবার বিরোধীদের আন্দোলনে অংশ নিল না তৃণমূল। আজ সংসদ চত্বরের বাইরে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে কংগ্রেসসহ সব বিরোধী দল। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে এই বিক্ষোভে নামে বিরোধীরা। শিব সেনা, আম আদমি পার্টি থেকে ডিএমকে, সব বিরোধী দল সেই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করলেও দেখা যায়নি তৃণমূলের কোনও সংসদ তথা নেতাকে। দিল্লিতে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও কেন রাহুলের এই বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দিল না তৃণমূল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। নির্ধারিত সময়ের আগেই কেন অধিবেশন বন্ধ করে দেওয়া হলো তা নিয়ে এ দিন প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা।
আজ এই বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার, রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে, শিবসেনার সঞ্জয় রাউত সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা। রাহুল গান্ধী এ দিন বলেন, ‘সংসদের ভিতরে কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না তাই বাইরে এসে কথা বলছি। এতে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হচ্ছে। রাহুল গান্ধী উল্লেখ করেন গতকাল প্রথমবার রাজ্যসভায় সাংসদদের হেনস্থা হতে হয়েছে। গতকাল রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ভেঙ্কাইয়া নাইডুর চোখে জল এসে গিয়েছিল। বিরোধীদের আচরণে কষ্ট পেয়েছেন বলেই আবেগ তাড়িত হয়ে পড়েন তিনি। রাহুল গান্ধীর দাবি চেয়ারম্যান, অধ্যক্ষদের উচিৎ সংসদ সঠিকভাবে চালানো। তাঁরা কেন তাঁদের কাজ করতে পারছেন না?
তবে এই বিক্ষোভের তৃণমূলের অনুপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো বিষয়। এ দিনই অবশ্য প্রথম নয়, এর আগে যন্তর মন্তরে কৃষক আইন প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিরোধীরা। সেখানেও তৃণমূলের কাউকে দেখা যায়নি। পরে আলাদাভাবে তাঁরা কৃষকদের সঙ্গে গিয়ে কথা বলেন। অর্থাৎ রাজনৈতিকভাবে তৃণমূল আলাদা করে নিজেদের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে চাইছে কি না সেই প্রশ্ন উঠছে। যন্তর মন্তরে না আসার বিষয়ে তেমন কোনও সদুত্তর দেয়নি তৃণমূল। পরে সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় জানিয়েছিলেন ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়েছে বলেই তাঁরা আলাদাভাবে এসেছেন।
আজ রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন এই বৈঠকে কেন যোগ দিল না তৃণমূল তা নিয়ে তেমন কোনো বিবৃতি নেই। তবে কংগ্রেস নেতা শক্তি সিংহ জানিয়েছেন, তৃণমূলকে আমন্ত্রণ করা হয়েছিল এবং তৃণমূল বিরোধীদের সঙ্গেই আছে। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি যান বিরোধী জোট শক্ত করতে। দিল্লি গিয়ে সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখাও করেন তিনি।
এরপর বিরোধীরা বৈঠকে বসেন। সেখা
অন্যদিকে, সোনিয়া গান্ধী একটি ভার্চুয়াল বৈঠক ডেকেছেন আগামী ২০ অগস্ট। সেই বৈঠকে অন্যান্য বিরোধী নেতা-নেত্রীদের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
We hate spam as much as you do