Tranding

05:12 PM - 04 Feb 2026

Home / Politics / মাও নেতা প্রশান্ত বোস সস্ত্রীক ঝাড়খণ্ড পুলিশ জালে, মাথার দাম এক কোটি!

মাও নেতা প্রশান্ত বোস সস্ত্রীক ঝাড়খণ্ড পুলিশ জালে, মাথার দাম এক কোটি!

ঝাড়খণ্ডে পুলিসের জালে সস্ত্রীক মাওবাদী নেতা প্রশান্ত বোস ওরফে কিষাণদা

মাও নেতা প্রশান্ত বোস সস্ত্রীক ঝাড়খণ্ড পুলিশ জালে, মাথার দাম এক কোটি!

মাও নেতা প্রশান্ত বোস সস্ত্রীক ঝাড়খণ্ড পুলিশ জালে, মাথার দাম এক কোটি!

 

মাথার দাম এক কোটি! ঝাড়খণ্ডে পুলিসের জালে সস্ত্রীক মাওবাদী নেতা প্রশান্ত বোস ওরফে কিষাণদা
মাথার দাম এক কোটি! ঝাড়খণ্ডে পুলিসের জালে সস্ত্রীক মাওবাদী নেতা প্রশান্ত বোস ওরফে কিষাণদা
 

দীর্ঘদিন সন্ধান চালিয়ে অবশেষে অন্যতম শীর্ষ মাওবাদী নেতা প্রশান্ত বসু এবং তাঁর স্ত্রী শীলা মারাণ্ডিকে গ্রেপ্তার করতে সফল হল ঝাড়খণ্ড পুলিস। বর্ষীয়ান মাও নেতা কিষাণদা নামেই নিজের কর্মকাণ্ড চালাতেন। ঝাড়খণ্ড পুলিসকে এই প্রবীণ মাও নেতা এতটাই বেগ দিয়েছিলেন যে, শেষ অবধি পুলিস তাঁর মাথার দাম দিয়েছিল ১ কোটি টাকা। শুধু ঝাড়খণ্ডই নয়, কিষাণদার খোঁজ পেতে বিভিন্ন রাজ্যের তরফেও পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। মহারাষ্ট্র এবং ছত্তিশগড়ে তার মাথার দাম ছিল ৫০ লাখ টাকা। আর ঝাড়খণ্ড পুলিস জানিয়েছিল কেউ কিষাণদার খোঁজ দিতে পারলে তাঁকে দেওয়া হবে ১ কোটি। অবশেষে ঝাড়খণ্ড থেকেই গ্রেপ্তার করা হল ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ মাও নেতাকে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি মামলা রয়েছে। জেরার জন্য ধৃত প্রশান্ত ও শীলাকে রাচি নিয়ে আসা হচ্ছে।

প্রশান্ত বসু দীর্ঘদিন নকশাল আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। জন্মসূত্রে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার যাদবপুর অঞ্চলের বাসিন্দা। তবে আন্দোলনের স্বার্থে দীর্ঘদিন ঘরছাড়া ৭৫ বছরের এই নেতা। মাওবাদী সদস্য হিসেবে কাজ শুরু করার পর, বারবার ঠিকানা বদল করে পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে স্ত্রী-র সঙ্গে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। মহেশ, কাজল, নির্ভয় এবং কিষাণ নামেও পরিচিত ছিলেন প্রশান্ত বসু। তিনি সিপিআই (মাওবাদী) পলিটব্যুরো এবং কেন্দ্রীয় মিলিটারি কমিশনের সদস্য। পুলিস সূত্রে খবর, লালগড় আন্দোলনে যে মাও উইংয়ের সবথেকে বড় ভূমিকা ছিল, তারও নেতৃত্বে ছিলেন এই প্রশান্ত বসুই। প্রধানত তাঁর কাজের ক্ষেত্র বাংলা, বিহার, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা।

প্রবীণ এই নেতা বেশ কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ। ফলে সারান্ডা ফরেস্টের গোপন ডেরা থেকেই সংগঠন পরিচালনা করতেন তিনি। সেই খবর পুলিসের কাছে ছিল। তার খোঁজে এর আগেও সারান্ডা জঙ্গলে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিস। কিন্তু কোনওবারই সাফল্য আসেনি। কিন্তু এবার পুলিস এত নিখুঁত জাল বিছিয়েছিল যে পালাতে পারেননি এই প্রবীণ মাও দম্পতি।

প্রশান্তর স্ত্রী শিলা মারাণ্ডিও মাওবাদীর কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কমিটির সদস্য। হেমা, আশা, বুধানি এবং গুড্ডি নামেও পরিচিত ছিলেন এই মাওবাদী নেত্রী। এর আগে ওড়িশা থেকে ২০০৬ সালে গ্রেপ্তার হন সিপিআই-মাওবাদী মহিলা শাখার দায়িত্বে থাকা শিলা। পরে রৌরকেল্লা জেল থেকে মুক্তি পান।

Your Opinion

We hate spam as much as you do