Tranding

01:28 PM - 04 Feb 2026

Home / Politics / বাঁকুড়ার সোনামুখীতে নির্দল তৃণমূল ব‍্যাপক গোলমাল পুরবোর্ড গঠনের আগে উত্তপ্ত জেলা

বাঁকুড়ার সোনামুখীতে নির্দল তৃণমূল ব‍্যাপক গোলমাল পুরবোর্ড গঠনের আগে উত্তপ্ত জেলা

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দুপক্ষই হামলার ঘটনায় জড়িত। তারা জানিয়েছেন, ১৭ তারিখের পরে ১৮ মার্চ দোলের দিন তৃণমূল এবং নির্দল কর্মীদের মধ্যে ব্যাপ্ক সংঘর্ষ হয়। সোনামুখীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নীলবাড়িতে হওয়া সেই সংঘর্ষে তৃণমূল প্রার্থী ছাড়াও ৪ জন নির্দল সমর্থক আহত হন।

বাঁকুড়ার সোনামুখীতে নির্দল তৃণমূল ব‍্যাপক গোলমাল পুরবোর্ড গঠনের আগে উত্তপ্ত জেলা

বাঁকুড়ার সোনামুখীতে নির্দল তৃণমূল ব‍্যাপক গোলমাল পুরবোর্ড গঠনের আগে উত্তপ্ত জেলা

 

রাজ্যে জুড়ে বিধানসভা ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে বিজেপি হাইকোর্টে মামলা করেছে। যার শুনানি এখনও চলছে। কিন্তু রাজ্য জুড়ে যখন বিধানসভার পরে তৃণমূল যখন ৪ পুরসভায় বাদ দিয়ে বাকি সবে জয় পেয়েছে, তখন তৃণমূলের অভিযোগ নির্দলের  বিরুদ্ধে। স্থানীয় তৃণমূলের নেতৃত্বের অভিযোগ নির্দলদের দাপটে তারা এলাকায় ভয়ে ভয়ে থাকছেন। এই পরিস্থিতি বাঁকুড়ার (Bankura) সোনামুখী (Sonamukhi) পুরসভায়।

 

২৩ মার্চ পুরবোর্ড গঠন। তার আগে লাল মাটির জেলা বাঁকুড়ার সোনামুখীতে চড়েছে রাজনৈতিক পারদ। বিশেষ করে ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে। সেখানে তৃণমূল প্রার্থীকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন নির্দলপ্রার্থী। কিন্তু জয়ী নির্দল প্রার্থীর অভিযোগ হার মেনে নিতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। ফস বেরনোর পর থেকে বারে বারে হামলা চালানো হচ্ছে ভোটের সময় নির্দলপ্রার্থীর হয়ে কাজ করাদের ওপরে। বৃহস্পতিবার এমনই এক সংঘর্ষ হয়। একের পর বাড়িতে ভাঙচুর চলে। সেই সংঘর্ষে দুপক্ষের অন্তত ৫ জন আহত হন।

 


স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দুপক্ষই হামলার ঘটনায় জড়িত। তারা জানিয়েছেন, ১৭ তারিখের পরে ১৮ মার্চ দোলের দিন তৃণমূল এবং নির্দল কর্মীদের মধ্যে ব্যাপ্ক সংঘর্ষ হয়। সোনামুখীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নীলবাড়িতে হওয়া সেই সংঘর্ষে তৃণমূল প্রার্থী ছাড়াও ৪ জন নির্দল সমর্থক আহত হন।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের হয়ে লড়াই করেন বাবলি গোস্বামী। তাঁকে হারিয়ে ওই ওয়ার্ডে জয়ী হন নির্দলীয় শুভ্রা রায়। ফল বেরনোর পর থেকেই এলাকা উত্তপ্ত।


হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে
নির্দলীয় কাউন্সিলর শুভ্রা রায় অভিযোগ করেছেন দোলের দিন সমর্থকরা লং খেলতে বাড়িতে এসেছিলেন। সেই সময়ই তৃণমূলের লোকজন হামলা চালায়। তাঁর আরও অভিযোগ হামলাকারীরা পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী বাবলি গোস্বামীর অনুগত। জয়ী নির্দল প্রার্থী অভিযোগ করেছেন, লাঠি, রড দিয়ে তাঁর সমর্থকদের মারধর করা হয়েছে। বাড়ির শিশুরাও এই ঘটনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আহতদের প্রথমে সোনামুখী ব্লক প্রাথমিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁদেরকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়। শুভ্রা রায় অভিযোগ করেছেন, ভোটের দিন থেকেই এলাকায় সন্ত্রাস চালিয়েছে তৃণমূল। তাও সাধারণ মানুষের আশীর্বাদে তিনি জয়ী হয়েছেন।


তৃণমূলের তরফে অবশ্য এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের পাল্টা অভিযোগ কাউন্সিলরের লোকজনই তাদের ওপরে হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা এই হামলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, নির্দল প্রার্থী অনুগতরা তাদের দলের প্রার্থীর ওপরেও হামলা চালিয়েছে। এলাকায় জয়ী নির্দল প্রার্থী এবং তাঁর সমর্থকদের বিরুদ্ধে এলাকায় সন্ত্রাসের অভিযোগ করেছেন ওই নেতা। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেছেন ভয়ে ভয়ে এলাকায় তৃণমূল করছেন।

Your Opinion

We hate spam as much as you do