এখন এমন অবস্থা যে একটা স্কুলে মাত্র একজন স্টাফ । তিনিই শিক্ষক তিনিই মিড ডে মিল রান্না করেন , তিনিই দরজা খোলেন । এদিকে তিনি মহান হয়ে বলছেন আমরা এতগুলো পদ তৈরি করছি । এক্ষেত্রে চূড়ান্ত দুর্নীতির উল্লেখ করেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক । যে পদের জন্য ২০১৬ তে এসেসসি পরীক্ষা হল সেই পদ কোথায় গেল ? এখন নতুন করে পদ ঘোষণা কেন ? আগে কি হয়েছিল ? যারা লেখা পরীক্ষায় পাশ করল যাদের মৌখিক হল তাদের প্যানেলে তাদের তালিকায় বা প্যানেলে নাম নেই ।
সরকার “চপ থেকে চাপে “ শেষ পরীক্ষা ২০১৬ নিয়োগের কি হল ? দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই থামবে না বললেন মহ সেলিম
এসএসসি তে নতুন করে পরীক্ষা ও নিয়োগের সরকারি ঘোষণার পর সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহ সেলিম সাংবাদিক বৈঠকে বলেন মুখ্যমন্ত্রী চপ থেকে চাপে । সরকার অবশেষে বাধ্য হলেন । আগে চপ ভাজতে বলেছেন । চাকরি দেবেন না । প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাস করে দিনের পর দিন ধর্না দিয়েছেন । রাজ্য সরকার পুলিশ পাঠিয়ে লাঠিচার্জ করেছে । মেরেছে । আহত করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে । তবু লড়াই থামেনি । শুধু এসেসসি নয় যারা মাদ্রাসা প্রবেসিকা পাশ করেছেন তাদের ক্ষেত্রেও তাই । মুখ্যমন্ত্রী শুধুমাত্র ভোটের সময় গিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছিলেন । অথচ এই চাকুরি প্রার্থীরা বারবার বলেছেন যে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন পৌঁছে দিতে , তা কোনও জনপ্রতিনিধি পৌছতে রাজী ছিলেন না । তারপর ঈদের দিনে তারা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পৌঁছলেন নিজেরাই । সরকার কি জানতেন না , এর আগে কি ঘটল আর কি অবস্থা , লক্ষ লক্ষ পদ খালি আছে । স্কুলে শিক্ষক নেই । গ্রামবাংলার স্কুল গুলোতে শিক্ষক নেই । উৎসশ্রী করে নিজেদের লোকদের ট্রান্সফার করানো হয়েছে ।
এখন এমন অবস্থা যে একটা স্কুলে মাত্র একজন স্টাফ । তিনিই শিক্ষক তিনিই মিড ডে মিল রান্না করেন , তিনিই দরজা খোলেন । এদিকে তিনি মহান হয়ে বলছেন আমরা এতগুলো পদ তৈরি করছি । এক্ষেত্রে চূড়ান্ত দুর্নীতির উল্লেখ করেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক । যে পদের জন্য ২০১৬ তে এসেসসি পরীক্ষা হল সেই পদ কোথায় গেল ? এখন নতুন করে পদ ঘোষণা কেন ? আগে কি হয়েছিল ? যারা লেখা পরীক্ষায় পাশ করল জাদের মৌখিক হল তাদের প্যানেলে তাদের তালিকায় বা প্যানেলে নাম নেই । কোনও ক্ষেত্রে নাম ঢুকিয়ে দেওয়া হল , এই সর্বব্যাপী দুর্নীতির বিরুদ্ধেই বিচারক অভিজিত গাঙ্গুলি এর শেষ দেখে ছাড়ার চ্যালেঞ্জ জানান । সরকার এতে যথেষ্ট চাপে আছে । সবাই চেষ্টা করেছেন যাতে তদন্ত আটকানো যায় , দিল্লী গেছেন যাতে কান টানলে মাথা না আসে সেজন্য আনেক চেষ্টা হয়েছে । সিবিয়াই কেন্দ্রের নির্দেশ ছাড়া এগোতে চায় না ।
আর এখন মুখ্যমন্ত্রী বলছেন অন্যরকম । এর আগে দুর্নীতিতে প্রাক্তন থেকে বর্তমান সব সময়ের মন্ত্রীরাই যুক্ত আছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন । এই ঘোষণার পরও সন্দেহ দূর হওয়া নিশ্চিত নয় বলে মহ সেলিম মন্তব্য করেন । তিনি সবকিছু এখনো নজরে রাখার কথা বলেন । আগের ঘটনার তদন্ত চালাতে হবে । তিনি উল্লেখ করেন এখনকার শিক্ষামন্ত্রীও এইসব ঘটনায় যুক্ত । তিনি গোঁটা ব্যবস্থাই দুরনিতিগ্রস্থ বলেন । এখন মুখ্যমন্ত্রী নতুন করে পদ তৈরি করছেন , টাকা দিচ্ছেন পদ তৈরি ক্রে টাকা দিচ্ছি বলছেন , কিন্তু কার টাকা ? জনগণের টাকা । “পয়সা হামার অর আপকা নেহি কিসিকা বাপকা “ মানুষের আনুগত্যকে কিনে নেওয়ার চেষ্টা করছেন ।
We hate spam as much as you do