সিমলায় দুটি জায়গায় ধস নেমেছে। সব মিলিয়ে অন্তত ১৫ জন মারা গেছেন। মান্ডিতে আকস্মিক বন্যায় মারা গেছেন ১১ জন। সোলানেও ক্লাউড বার্স্ট বা মেঘ-ভাঙা বৃষ্টির পর আকস্মিক বন্যা হয়। সেখানেও সাতজন মারা গেছেন। মান্ডি জেলার সম্ভলে হড়কা বানে মারা গেছেন অন্তত ১০ জন। কয়েক হাজার মানুষ গৃহহীন হয়েছেন।
হিমাচলে ভূমিধস ও বন্যায় নিহত ৫৫
১৬ আগস্ট ২০২৩
হিমাচল প্রদেশে গত কয়েকদিন ধরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। দুই দিনে ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও বাড়ি ভেঙে পড়ে ৫৫ জন মারা গেছেন। সিমলায় ধসের পর একটি মন্দির ভেঙে অন্ততপক্ষে নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। সিমলায় দুটি জায়গায় ধস নেমেছে। সব মিলিয়ে অন্তত ১৫ জন মারা গেছেন। মান্ডিতে আকস্মিক বন্যায় মারা গেছেন ১১ জন। সোলানেও ক্লাউড বার্স্ট বা মেঘ-ভাঙা বৃষ্টির পর আকস্মিক বন্যা হয়। সেখানেও সাতজন মারা গেছেন। মান্ডি জেলার সম্ভলে হড়কা বানে মারা গেছেন অন্তত ১০ জন। কয়েক হাজার মানুষ গৃহহীন হয়েছেন। সিমলা-কালকা রেলপথের কিছু অংশ ভেসে গেছে। এই রেলপথকে ওয়ার্ল্ড হেজিটেজের মর্যাদা দিয়েছে জাতিসংঘ। পাহাড়ি নদীগুলোর পানি অনেকটাই বেড়ে গেছে। বিপাশা নদী বিপৎসীমার কাছে পৌঁছে গেছে। প্রচুর সেতু ভেসে গেছে। বিভিন্ন জায়গায় ধস নামছে। ফলে অনেক রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। ভারতের দুই পাহাড়ি রাজ্য হিমাচল ও উত্তরাখ-ে মোট ৭০০ রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কিছু রাস্তা সংস্কারের কাজ চলছে। কিছু রাস্তায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার জন্য সংস্কার করাও সম্ভব হচ্ছে না। কালকা-সিমলা রোডও নানান জায়গায় ধস নেমেছে। ফলে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। এতে দেখা যায়, হঠাৎ কীভাবে প্রবল গতিতে জল নেমে সবকিছু ভাসিয়ে দিচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ, সবাই যেন বাড়িতে থাকেন। নদীর কাছে না যান। সরকার সবার কাছে ত্রাণ পাঠানোর চেষ্টা করছে। সিমলায় সামার হিল এলাকায় একটি শিবমন্দিরের একাংশ ভেঙে পড়েছে। তার ফলে নয়জন মারা গেছেন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে প্রশাসন আশঙ্কা করছে। আবহাওয়া অফিস জানায়, সিমলা, সোলান, মান্ডিসহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। ফলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। উত্তরাখ-েও প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। সেখানেও ধস নেমেছে। নদীর পানি বেড়েছে এবং রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
We hate spam as much as you do