Tranding

11:33 AM - 04 Feb 2026

Home / National / দেশজুড়ে বিক্ষোভের মধ্যেই চার বছরের চাকরি 'অগ্নিপথের’‌ আবেদন গ্রহণ শুরু হচ্ছে

দেশজুড়ে বিক্ষোভের মধ্যেই চার বছরের চাকরি 'অগ্নিপথের’‌ আবেদন গ্রহণ শুরু হচ্ছে

যেসব রাজ্য থেকে সেনাবাহিনীতে যোগদানের হার বেশি, সেখানে বিক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠেছে। দেশের প্রাক্তন সেনাপ্রধানরাও এই প্রকল্পের বিরোধী। তাঁদের মতে, অস্থায়ী পদে নিযুক্ত জওয়ানদের সীমান্ত রক্ষা বা নিরাপত্তা নিয়ে কোনও দায় থাকবে না। বিপন্ন হতে পারে দেশের নিরাপত্তা।

দেশজুড়ে বিক্ষোভের মধ্যেই চার বছরের চাকরি  'অগ্নিপথের’‌ আবেদন গ্রহণ শুরু হচ্ছে

দেশজুড়ে বিক্ষোভের মধ্যেই চার বছরের চাকরি  'অগ্নিপথের’‌ আবেদন গ্রহণ শুরু হচ্ছে 

21st june 2022

আজ ভারত বনধ ডেকেছে বিক্ষোভকারীরা। তার মধ্যেই ‘‌অগ্নিপথ’‌ প্রকল্প নিয়ে বড় ঘোষণা ভারতীয় সেনাবাহিনীর। জানিয়ে দিল, জুলাই থেকেই ‘‌অগ্নিবীর’‌ হওয়ার জন্য নাম নথিভুক্ত করতে হবে।  আজ এই প্রকল্পের প্রতিবাদে ভারত বনধ ডেকেছে বিক্ষোভকারীরা। দিল্লি সহ বিভিন্ন রাজ্যে এর প্রভাব পড়েছে। বাতিল হয়েছে বহু ট্রেন। বিহার থেকে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। তার মাঝেই দেশের তিন বাহিনীর মধ্যে সেনা প্রথম ঘোষণা করে দিল নিয়োগের। এই অগ্নিপথ প্রকল্পের আওতায় এ বছর সেনা, বায়ুসেনা এবং নৌসেনায় ৪৫ হাজার জওয়ান নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। জেনারেল ডিউটির জন্য দশম শ্রেণী পাশরা আবেদন করতে পারবেন। বোর্ড পরীক্ষায় গড়ে ৪৫ শতাংশ এবং প্রত্যেক বিষয়ে কমপক্ষে ৩৩ শতাংশ নম্বর পেতেই হবে। টেকনিকাল ক্যাডার হওয়ার জন্য আবেদন করতে গেলে দ্বাদশ শ্রেণীতে পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, অঙ্ক, ইংরেজি নিয়ে পড়তে হবে। বোর্ড পরীক্ষায় গড়ে ৫০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। আর প্রতি বিষয়ে অন্তত ৪০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে।

 

‘‌অগ্নিপথ’‌ নামে নতুন এই প্রকল্পে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, চার বছরের জন্য জওয়ানদের নিয়োগ করা হবে। ১৭.‌৫ থেকে ২১ বছর বয়সি তরুণরা নিযুক্ত হবেন। পরে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে ২৩ বছর করা হয়েছে। কেন্দ্র জানিয়েছে, কোভিডের কারণে গত দু’‌ বছর নিয়োগ হয়নি। তাই বহু চাকরিপ্রর্থীর বয়স বেড়ে গিয়েছে। তাদের কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত। চাকরির সময় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা বেতন এবং ভাতা পাবেন। চার বছর পর ২৫ শতাংশকে কাজে রেখে বাকিদের ছেঁটে ফেলা হবে। তাঁরা পিএফ বা গ্র‌্যাচুইটির সুবিধাও পাবেন না। এমনকী পেনশনের ব্যবস্থাও থাকবে না।  এতেই চটেছেন দেশের তরুণদের বড় অংশ। যেসব রাজ্য থেকে সেনাবাহিনীতে যোগদানের হার বেশি, সেখানে বিক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠেছে। দেশের প্রাক্তন সেনাপ্রধানরাও এই প্রকল্পের বিরোধী। তাঁদের মতে, অস্থায়ী পদে নিযুক্ত জওয়ানদের সীমান্ত রক্ষা বা নিরাপত্তা নিয়ে কোনও দায় থাকবে না। বিপন্ন হতে পারে দেশের নিরাপত্তা। 

Your Opinion

We hate spam as much as you do