গত ২৪ জানুয়ারি রাজ্য সরকারের পরিবহন দপ্তরে পক্ষ থেকে একটি সার্কুলার জারি করা হয়। আইন ভাঙলে ৫০০০ থেকে ১০০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানার উল্লেখ করা হয়েছে ওই সার্কুলারে। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে নারাজ অ্যাপ ক্যাব চালকদের ইউনিয়ন। ইউনিয়নের তরফে সভাপতি ইন্দ্রজিৎ ঘোষ জানান, সারা দেশ জুড়ে এই আইনের বিরোধিতা চলছে।
CITU-র অ্যাপ ক্যাব ইউনিয়নের বিক্ষোভ রাজ্য পরিবহন দপ্তরের সার্কুলারের বিরুদ্ধে
রাজ্য পরিবহন দপ্তরের জারি করা সার্কুলার সহ আরও কয়েকটি ইস্যুতে রাসবিহারী মোড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি করল সিআইটিইউ পরিচালিত কলকাতা ওলা উবের অ্যাপ ক্যাব অপারেটর্স ও ড্রাইভার্স ইউনিয়ন।
গত ২৪ জানুয়ারি রাজ্য সরকারের পরিবহন দপ্তরে পক্ষ থেকে একটি সার্কুলার জারি করা হয়। আইন ভাঙলে ৫০০০ থেকে ১০০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানার উল্লেখ করা হয়েছে ওই সার্কুলারে। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে নারাজ অ্যাপ ক্যাব চালকদের ইউনিয়ন। ইউনিয়নের তরফে সভাপতি ইন্দ্রজিৎ ঘোষ জানান, সারা দেশ জুড়ে এই আইনের বিরোধিতা চলছে। কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলি সারা ভারত জুড়ে লড়াই করছে এবং একাধিক ধর্মঘটও হয়েছে। রাসবিহারীতে আজ কয়েক ঘণ্টা অবস্থান বিক্ষোভ চলে। মিছিল করা হয়। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দেন প্রায় ১৫০০ জন অ্যাপ ক্যাব চালক। বক্তব্য রাখেন অনাদি শাহু। ইন্দ্রজিৎ ঘোষ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সম্পাদক মহম্মদ মনু, মানস চৌধুরী, নিখিল মাইতি, শেখ আজম, সোহাগ খান।
সভাপতি জানাচ্ছেন, এই আইন রাজনৈতিক অভিসন্ধি নিয়েই করেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নিজেই এর বিরোধিতা করেছেন। অথচ রাজ্যের পরিবহন দপ্তর আচমকা এই সার্কুলার জারি করল। ব্যাপারটি আদৌ বোধগম্য হয়নি তাঁদের। সভাপতিটি জানালেন, কোভিড পরিস্থিতিতে এখনও বিধিনিষেধ আছে। তাই রাস্তায় যাত্রী কম। তার উপর পেট্রল-ডিজেল অগ্নিমূল্য। সারাদিন গাড়ি চালিয়ে রোজগার নেই বললেই চলে। এমতাবস্থায় এই ধরনের জরিমানা চাপানোর অর্থ তাঁদের চাবুক মারা। তাঁদের সংসার নিয়ে পথে বসা। টাকা দিলেও ৩ মাস লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত হচ্ছে যা আরও সমস্যার। ইন্দ্রজিৎ ঘোষ জানিয়েছেন, ইউনিয়নের তরফে ২৭ জানুয়ারি পরিবহন সচিবকে চিঠি দেওয়া হয়েছে কিন্তু এখনও কোনও জবাব মেলেনি।
We hate spam as much as you do