সেলিম বলেছেন " মানি, মাসল, মাফিয়া এবং প্রশাসনিক শক্তি ব্যবহার করে মমতা ব্যানার্জি বাংলার মানুষকে দাবিয়ে রাখতে পারবেন না তাহলে তো ইংরেজরাও দেশকে দেশ থেকে যেত না বাংলায় গণতন্ত্র হত্যা করে মমতা ব্যানার্জি দেশের সামনে ধর্মনিরপেক্ষ সাজবেন। উত্তরপ্রদেশ এবং ত্রিপুরার মতোই আরএসএসের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী এখানে প্রয়োগ করছেন মমতা ব্যানার্জি তৃণমূল আর বিজেপি একই মুদ্রা দু পিঠ এখন বাংলার মানুষ এটা বুঝে গেছে"
বাম-কংগ্রেস-ISF, এর প্রতিবাদ মিছিলে গনতন্ত্র রক্ষা ও প্রতিরোধের বার্তা
Jul 14, 2023
পঞ্চায়েত ভোটের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মূলত ভাঙ্গরে অবিরাম চলতে থাকা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আবার কলকাতার রাজপথে একসঙ্গে বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ। একুশের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে অনেক দিন পর সংগ্রাম প্রতিরোধ গনতন্ত্রের বার্তা বয়ে ‘সংযুক্ত মোর্চা’ ঐক্যবদ্ধ বিক্ষোভে সামিল হল । নওশাদের গ্রেফতারির সময়ে বামেরা রাস্তায় নেমেছিল আইএসএফের সঙ্গে। আবার একসঙ্গে রাস্তায় নামল তিন দল। , পঞ্চায়েত ভোটের ‘অশান্তি’র আগুন জ্বলছে। নওশাদের বক্তব্য রাখার সময় আবার ভিড়ের মধ্যে থেকে শোনা গেল সংযুক্ত মোর্চার জয়ধ্বনিও। বহুদিন পর স্লোগান উঠল, ‘সংযুক্ত মোর্চা জিন্দাবাদ’।
ভাঙড়ের রক্তারক্তি, পঞ্চায়েতের ভোট লুঠ, গণনায় কারচুপি… অভিযোগ বিস্তর। আর সেই অভিযোগগুলিকে সামনে রেখেই অতৃণমূল-অবিজেপি শক্তির অবস্থান প্রমাণের চেষ্টা দেখা গেল কলকাতার রাজপথে। ধর্মতলা থেকে মৌলালি পর্যন্ত চলে মিছিল। বিমান বসু, সুজন চক্রবর্তী, মহম্মদ সেলিমের মতো প্রথম সারির বাম নেতারা হাঁটেন মিছিলের সামনের সারিতে।
সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের কথায়, ‘বাংলার মানুষ গণতন্ত্রের হত্যা প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে। শুধু কলকাতায় নয়, রাজ্যের সব জেলায় বাম-কংগ্রেস-আইএসএফের নেতৃত্বে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমেছে।’ সুজনবাবুর মুখেও শোনা গেল ‘গণতন্ত্রের হত্যার’ অভিযোগ। বলছেন, ‘গণতন্ত্রকে বাঁচাতে, বাংলাকে বাঁচাতে, মানুষকে বাঁচাতে আজ রাস্তায় নামতেই হয়েছে। আগে আমরা করেছিলাম, আজ সবাই এসেছে।’
মিছিলে ছিলেন নওশাদ সিদ্দিকীও। গত কয়েকদিন ধরে ভাঙড়ে যে অশান্তি, রক্তারক্তি হয়েছে সেই নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। রাজ্যজুড়ে যা চলছে, তা ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস’ বলেই মনে করছেন তিনি। বললেন, ‘শাসক যেন-তেন প্রকারে ক্ষমতা ধরে রাখতে চাইছে।’
ম্যাটডরের উপর তৈরি অস্থায়ী মঞ্চ থেকে একসঙ্গে দেখা গেল বাম-কংগ্রেস-আইএসএফকে। কংগ্রেস নেতৃত্ব ও নওশাদকে দু’পাশে নিয়ে বক্তব্য রাখলেন মহম্মদ সেলিমরা। সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক বললেন, ‘৬০ জন মানুষের রক্ত খেয়েছে তৃণমূল।’ মিছিলে আজ পা মিলিয়েছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস রাজ্য সাধারণ সম্পাদক আশুতোষ চট্টোপাধ্য়ায়ও। তিনিও নির্বাচন পরবর্তী হিংসার অভিযোগে নিশানা করলেন শাসকের বিরুদ্ধে। বললেন, ‘আমরা সকলে মিলে লড়াই করব।’
সেলিম বলেছেন " মানি, মাসল, মাফিয়া এবং প্রশাসনিক শক্তি ব্যবহার করে মমতা ব্যানার্জি বাংলার মানুষকে দাবিয়ে রাখতে পারবেন না তাহলে তো ইংরেজরাও দেশকে দেশ থেকে যেত না বাংলায় গণতন্ত্র হত্যা করে মমতা ব্যানার্জি দেশের সামনে ধর্মনিরপেক্ষ সাজবেন। উত্তরপ্রদেশ এবং ত্রিপুরার মতোই আরএসএসের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী এখানে প্রয়োগ করছেন মমতা ব্যানার্জি তৃণমূল আর বিজেপি একই মুদ্রা দু পিঠ এখন বাংলার মানুষ এটা বুঝে গেছে"
বক্তব্য রাখেন আর এসপির মনোজ ভট্টাচার্য সিপিআই নেতা গৌতম রায় কংগ্রেস নেতা আশুতোষ চ্যাটার্জী।
We hate spam as much as you do