দেশের বৃহত্তম লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মোট ৩,৪০০ কোটি টাকার ঋণ বাকি রয়েছে অনিল আম্বানির রিলায়েন্স ক্যাপিটালের কাছে। এর মধ্যে মোট ৭৮২ কোটি টাকা পেতে পারেন তিনি। নতুন রিপোর্ট অনুযায়ী এবার রিলায়েন্স ক্যাপিটালে ঋণ বিক্রি করতে সুইস ব্যাঙ্কের দারস্থ হয়েছে LIC
৩৪০০ কোটি ঋণ শোধ না করে LIC কে বিপদে ফেললেন অনিল আম্বানি !
December 3, 2022
পুঁজিবাদিরা যখন নিজে ডোবে তখন জনগনের সংস্থান এবং রাষ্ট্রীয় সংস্থা শুদ্ধ ডুবিয়ে দেয়। সেই অবস্থা রিলায়েন্সের। সংকটে কোটি কোটি মানুষের জীবনবীমা।
অনিল আম্বানির অবস্থা বেশ সংকটজনক। তার একের পর এক কোম্পানি দেউলিয়া হওয়ার মুখে। কিন্তু এবার ঋণে জর্জরিত অনিল আম্বানির মাথায় আরো বেশ কিছু পরিমাণ ঋণের বোঝা চাপল। নিজের সাথে এলআইসি (Life Insurance Corporation) এর বিপুল অর্থও ডুবিয়ে দিতে চলেছেন তিনি।
দেশের বৃহত্তম লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মোট ৩,৪০০ কোটি টাকার ঋণ বাকি রয়েছে অনিল আম্বানির রিলায়েন্স ক্যাপিটালের কাছে। এর মধ্যে মোট ৭৮২ কোটি টাকা পেতে পারেন তিনি। নতুন রিপোর্ট অনুযায়ী এবার রিলায়েন্স ক্যাপিটালে ঋণ বিক্রি করতে সুইস ব্যাঙ্কের দারস্থ হয়েছে LIC
আর সেই কারণে এবার এই ঋণ কেনার জন্য পথ খোলা রয়েছে স্ট্রেসড অ্যাসেট ফার্ম ACRE SSG-এর কাছে। কিন্তু সেক্ষেত্রে ভুগতে হবে LIC কে। যারা ইতিমধ্যে ৭৩ শতাংশ ছাড়ে LIC এর ঋণ কেনার প্রস্তাব দিয়েছে। প্রসঙ্গত সুইস চ্যালেঞ্জ হল বিডিংয়ের একটি পদ্ধতি।এক্ষেত্রে প্রথমে একটি দল বিড করবে, তারপর অন্যদের থেকে বিডিং নেওয়া হয়।
তাছাড়া যদি এক পক্ষ বেশি দাম দেয় তখন মূল সংস্থাকে আরেকবার সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু রিলায়েন্সের পক্ষ থেকে কেও বিড করেনি আর। শুক্রবারই বিডিংয়ের সময়সীমা শেষ হয়েছে। ACRE SSG এর তরফে যে অফার করা হয়েছে তাতে রিলায়েন্স ক্যাপিটালের মোট দাম হচ্ছে ৪৪০০ কোটি টাকা। ACRE SSG এরও ১৩৫০ কোটি টাকার ঋণ বাকি রয়েছে।
এই সম্পর্কে এক ব্যাংকার জানিয়েছেন যে, স্বাধীন ভ্যালুয়ারের মূল্যায়ন ACRE-LIC লেনদেনের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে LIC-এর ঋণ বিক্রির কম মূল্যায়ন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। উল্লেখ্য যে, রিলায়েন্স ক্যাপিটালের মোট ২০০ প্রকার আর্থিক পরিষেবা রয়েছে। কিন্ত পারফর্ম করতে না পারায় শেষমেষ দেউলিয়া হয়ে যায় সংস্থাটি।
গত ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর রিলায়েন্স ক্যাপিটালের বোর্ড ভেঙ্গে দেউলিয়া ঘোষণা করার প্রক্রিয়া শুরু করে RBI। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তরফে নাগেশ্বর রাওকে নিয়োগ করা হয়। তিনিই এই নিলাম প্রক্রিয়ার তদারকি করছিলেন। গত ২৯ আগস্ট পর্যন্ত বিডিংয়ের সময় ছিল রিলায়েন্স ক্যাপিটালের কাছে।
We hate spam as much as you do