চাকুরিজীবীদের সঞ্চয়ে এবার বড় আঘাত। সূত্রের খবর গুয়াহাটিতে বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়েছে। এদিকে ইপিএফও কমিটির একেবারে শীর্ষে রয়েছেন কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী। তবে ২০১৯-২০ আর্থিক বছরে করোনা পরিস্থিতির সময়তেও সুদের হার কার্যত অপরিবর্তিত ছিল। কিন্তু করোনার দাপট কমতেই এবার বড় ধাক্কা ইপিএফের সুদের হারে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে চার দশকে এভাবে সুদের হার কমেনি ইপিএফে।
EPF-এ সুদের হার ৮.৫ থেকে কমে ৮.১ করল মোদি সরকার! মধ্যবিত্তের ক্ষতি,চল্লিশ বছরে এখন সর্বনিম্ন সুদের হার।
লক্ষ লক্ষ কর্মচারী দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়ে গেলেন। বলা হচ্ছে চার দশক পরে এভাবে আচমকাই কমে গেল ইপিএফে সুদের হার। একে তো গ্যাসের দাম, পেট্রলের দাম আকাশ ছোঁয়া। এরপর কর্মচারীদের জন্য ইপিএফ তহবিলেও কমল সুদের হার।
এবার ইপিএফে সুদের হার এক ধাক্কায় কমে গেল। কেন্দ্রীয় সরকার Emloyee provident fund বা EPF-এ সুদের হার নির্ধারিত করল ৮.১ শতাংশ। ভবিষ্যৎ নিধি তহবিলে সুদের হার ৮.৫ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়াল ৮.১ শতাংশ। সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডাইরেক্ট ট্যাক্স ২০২১-২২ আর্থিক বছরের জন্য ইপিএফ তহবিলে সুদের হার কমানোর সুপারিশ করেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে এর জেরে লক্ষ লক্ষ কর্মচারী সমস্যার মধ্যে পড়তে পারেন।
চাকুরিজীবীদের সঞ্চয়ে এবার বড় আঘাত। সূত্রের খবর গুয়াহাটিতে বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়েছে। এদিকে ইপিএফও কমিটির একেবারে শীর্ষে রয়েছেন কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী। তবে ২০১৯-২০ আর্থিক বছরে করোনা পরিস্থিতির সময়তেও সুদের হার কার্যত অপরিবর্তিত ছিল। কিন্তু করোনার দাপট কমতেই এবার বড় ধাক্কা ইপিএফের সুদের হারে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে চার দশকে এভাবে সুদের হার কমেনি ইপিএফে।
১৯৭৭-৭৮ সালের পরে এই প্রথম এত কমে গেল সুদের হার। সেবছর সুদের হার ছিল ৮ শতাংশ। প্রসঙ্গত কর্মচারী ও কর্মদাতা উভয়ই বেসিক স্যালারির ২৪ শতাংশ মাসিক ভিত্তিতে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা করেন। এই তহবিলের উপর নির্ভর করে কর্মচারীর ভবিষ্যৎ। আর সেখানের সুদের হারে এবার কাটছাঁট করা হল।
We hate spam as much as you do