সোমবার রাতে কৃষক সংগঠনগুলি ২৩টি ফসলের উপরই এমএসপি-র দাবি জানিয়েছেন। প্রতিবাদী কৃষকরা বুধবার থেকে ফের দিল্লির দিকে তাঁদের পদযাত্রা শুরু করবেন। তবে সীমান্ত এলাকায় দিল্লি পুলিশ যে ব্যারিকেড তৈরি করেছে, তা ভাঙার কোনও পরিকল্পনা নেই কৃষকদের।
কেন্দ্রের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, বুধবার থেকে কৃষকদের 'দিল্লি চলো' অভিযান
20th February 2024
ফসলের জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বা এমএসপি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল কৃষকরা। বুধবার থেকে ফের ‘দিল্লি চলো’ অভিযানে নামছেন তাঁরা। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সামিল হবেন পাঞ্জাব, হরিয়ানা সহ বিভিন্ন রাজ্যের কৃষকরা।
রবিবার গভীর রাত পর্যন্ত কৃষকদের সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। চতুর্থ দফার ওই বৈঠকে আন্দোলনকারী কৃষকদের আগামী পাঁচ বছরের জন্য শস্যের সহায়ক মূল্য (এমএসপি) নিয়ে কেন্দ্র একটি প্রস্তাব দেয়। সেই প্রস্তাবনা পড়া ও তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করার জন্য ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি সময় চান কৃষকরা। তবে সমস্যার সমাধান না হলে এবং দাবি পূরণ না হলে আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ফের অভিযান শুরু হবে বলেও জানিয়েছিলেন তাঁরা।
তবে জটিলতা রয়েই গেল। কৃষকরা জানিয়ে দিয়েছেন, “সরকারের পক্ষ থেকে যে প্রস্তাব এসেছে তাতে তাঁদের কোনও লাভ হবে না। তাই প্রস্তাব খারিজ করা হচ্ছে। ২১ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ আগামীকাল বুধবার থেকে থেকে ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হবে বলেও জানিয়েছে বিক্ষোভরত কৃষক সংগঠনগুলি।
পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে কৃষকদের বৈঠকে ছিলেন আরও দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন মুন্ডা, নিত্যানন্দ রাই এবং পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা জানিয়েছিলেন, সরকারি সংস্থাগুলি আগামী পাঁচ বছর ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে ফসল কেনার জন্য কৃষকদের সঙ্গে চুক্তি করবে। ফসল কেনার কোনও ঊর্ধ্বসীমা থাকবে না। রবিবারের বৈঠকের পর নিজেদের মধ্যে আলোচনার জন্য দু’দিন সময় চেয়েছিল কৃষক সংগঠনগুলি।
এরপর সোমবার রাতে কৃষক সংগঠনগুলি ২৩টি ফসলের উপরই এমএসপি-র দাবি জানিয়েছেন। প্রতিবাদী কৃষকরা বুধবার থেকে ফের দিল্লির দিকে তাঁদের পদযাত্রা শুরু করবেন। তবে সীমান্ত এলাকায় দিল্লি পুলিশ যে ব্যারিকেড তৈরি করেছে, তা ভাঙার কোনও পরিকল্পনা নেই কৃষকদের।
প্রসঙ্গত, সমস্ত শস্যের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য প্রদান সহ বিভিন্ন দাবিতে ফের রাস্তায় নেমেছেন কৃষকরা। সহায়ক মূল্যের পাশাপাশি কৃষিঋণ মকুব, স্বামীনাথন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করা, কৃষক ও কৃষি শ্রমিকদের পেনশনের ব্যবস্থা করা এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ যে সব মামলা করেছে, তা প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছেন কৃষকরা। বর্তমানে পাঞ্জাব ও হরিয়ানার মধ্যবর্তী শম্ভু ও খানৌরি সীমানায় অবস্থান করছেন তাঁরা।
We hate spam as much as you do