Tranding

12:00 PM - 04 Feb 2026

Home / Politics / দিদির বিশ্বস্ত 'তৃণমূলের মহাসচিব' পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণ

দিদির বিশ্বস্ত 'তৃণমূলের মহাসচিব' পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণ

দলের ভাবমুর্তিতে আঘাত আসছে। দলের পুরনো নেতা। সবসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থেকেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কাজেই তাঁর বিরুদ্ধে হঠাৎ করে পদক্ষেপ করতে চাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বারবার তাঁর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। গতকালও তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন। কিন্তু যেভাবে একের পর এক চাঞ্চল্যক প্রমাণ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছিল তাতে টিএমসির ভাবমূর্তি রক্ষা করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে টিএমসির।

দিদির বিশ্বস্ত 'তৃণমূলের মহাসচিব' পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণ

দিদির বিশ্বস্ত 'তৃণমূলের মহাসচিব' পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণ


অবশেষে চরম পদক্ষেপ করলেন মমত বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরেই পার্থ চট্টোপাধ্যয়কে মন্ত্রীপদ থেকে সরানোর কথা ঘোষণা করা হয়েছে। নোটিস জরি করে নবান্নের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে সব প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে তাঁকে।

 

সকাল থেকেই দলের েনতারা সরব হয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বহিষ্কারের দাবিতে। শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে অপসারণ করা হল। গ্রেফতারির ৬ দিন পরে অপসারণ করা হল পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। এই নিয়ে আবার সরব হয়েছেন বিরোধীরা। কেন এত দেরিতে পদক্ষেপ কথা হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরেই নবান্নে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে তিনটি দফতরের দায়িত্ব থেকেই অব্যহতি দেওয়া হয়েছে। এবং এই তিনটি দফতরের দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রী নিজে নিজেছেন বলে জানা গিয়েছে।

 

আর কিছুক্ষণের মধ্যেই টিএমসির দফতরে বৈঠক। সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠক ডেকেছেন। সেখানে কী সিদ্ধান্ত হয় সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলে। যদিও মন্ত্রিসভা থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে অপসারণ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক প্রকার তাঁকে বহিষ্কারের পথ তৈরি করে দিয়েছেন। কারণ মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণ করা না হলে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দল থেকে অপসারণ করা হল। দলের ভাবমূর্তি রক্ষা করতেই শেষ পর্যন্ত অপসারণের পথে হাঁটতে হল টিএমসি সুপ্রিমোকে।

 

সকাল থেকেই দলের অন্দরেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে অপসারণের দাবি উঠেছিল। টিএমসির রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ টুইটে দাবি করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে অবিলম্বে বহিষ্কার করা হোক। তাঁকে মন্ত্রীত্ব থেকে অপসারণ করা হোক। কুণাল ঘোষের সেই দাবিকে সমর্থন জানিয়েছিলেন বিশ্বজিৎ দেব এবং দেবাংশু। তারপরেই টিএমসি ভবনে বৈঠক ডাকেন কুণাল ঘোষ। বিকেল ৫টায় বৈঠক ডাকা হয়েছে। তাতে ডাকা হয়েছে দলের নেতাদের। মনে করা হচ্ছে সেখানেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে অপসারণ করা হবে।

 

দলের ভাবমুর্তিতে আঘাত আসছে। দলের পুরনো নেতা। সবসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থেকেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কাজেই তাঁর বিরুদ্ধে হঠাৎ করে পদক্ষেপ করতে চাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বারবার তাঁর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। গতকালও তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন। কিন্তু যেভাবে একের পর এক চাঞ্চল্যক প্রমাণ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছিল তাতে টিএমসির ভাবমূর্তি রক্ষা করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে টিএমসির। দলের অন্দরে যখন দাবি উঠতে শুরু করেছিল। শেষ পর্যন্ত তাঁকে ছেঁটে ফেলার পক্ষেই মত দিতে সম্মত হয়েছেন সুপ্রিমো।

Your Opinion

We hate spam as much as you do