দেবাঞ্জন দেবের পরে এবার ভুয়ো সিবিআই অফিসারের খোঁজ মিলল হাওড়ার জগাছায়। অভিযুক্তের নাম শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে জগাছা থানায় অভিযোগ জানান তাঁর স্ত্রী।
আবার ভুয়ো সিবিআই। হাওড়ার জগাছার শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, আবার প্রতারণা
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, শুভদীপ বেঙ্গালুরুর একটি প্রাইভেট কলেজ থেকে বিটেক ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে। পরিবারের সদস্যরা জানতেন, বিটেক পাশ করার পর তিনি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তবে বেশ কিছুদিন আগে বিহারের এক বাসিন্দা লালনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল।
দেবাঞ্জন দেবের পরে এবার ভুয়ো সিবিআই অফিসারের খোঁজ মিলল হাওড়ার জগাছায়। অভিযুক্তের নাম শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে জগাছা থানায় অভিযোগ জানান তাঁর স্ত্রী।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, শুভদীপ বেঙ্গালুরুর একটি প্রাইভেট কলেজ থেকে বিটেক ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে। পরিবারের সদস্যরা জানতেন, বিটেক পাশ করার পর তিনি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তবে বেশ কিছুদিন আগে বিহারের এক বাসিন্দা লালনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। অভিযোগ, তারপর থেকে তাঁরা বিভিন্ন রাজ্যের বহু মানুষকে প্রতারিত করেছেন। চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেন তাঁরা।
এরপর ২০২০ সালে শুভদীপের বিয়ে হয়েছিল। সেই সময় মেয়ের বাড়িকে জানিয়েছিলেন যে বর্তমানে তিনি সিবিআই অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাইরেক্টর পদে রয়েছেন। এমনকি, নীল বাতি লাগানো গাড়িতে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করতেন। আইডেন্টিটি কার্ড সহ বিভিন্ন জিনিসও ছিল তাঁর কাছে। যদিও কয়েক মাস আগেই স্ত্রী জানতে পারেন যে শুভদীপ কোনও সিবিআই অফিসার নন। এরপর কয়েক মাস আগেই তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তারপরই স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানান তিনি। যদিও শুভদীপ এখন রয়েছেন দিল্লিতে।
বিভিন্ন সময়ে অনলাইন মাধ্যমে সাক্ষাৎকার নিতে দেখা গেছে জানা গেছে এই প্রতারণা চক্রের মধ্যে শুভদীপ অনলাইন ইন্টারভিউ নেওয়ার দায়িত্ব ছিল তার বিনিময় সে টাকা পেত ।
এ বিষয়ে শুভদীপের মায়ের বক্তব্য, তিনি চাইছেন যে ছেলের শাস্তি হোক। তিনি ছেলেকে মেনে নিতে পারছেন না। ছেলে নাকি তাঁকেও ঠকিয়েছেন। ঠকিয়ে গয়নাগাটি বিক্রি করে দিয়েছে ছেলে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হাওড়া জগাছাও।
মায়ের কথোপকথন খবরে প্রকাশ ---------
এদিন তাঁর মা ছেলের ওপর প্রবল ক্ষোভ উগরে দেন। তার মা জানান, ওঁরা ঠিক করে বিয়ে করেন। আমি চাই না এ রকম ছেলের মা হয়ে বেঁচে থাকতে। ফোনে তিনি ছেলের সঙ্গে কথা বলেন।
তখন তিনি বলেন, কেন এমন করতে গেলি? এ কোন গর্ব? কেউ পাড়াতে বলতে পারবে আমি ৫টা টাকা ধার নিয়েছি? আমি সাধারণ মানুষ। তোর ফাঁসি হলে তোর রক্ত দিয়ে আমি পুজো দেব। আমি বার বার বলতাম কী ব্যাপার নীল গাড়ি? আনন্দ করেছ। তখন তো মনে ছিল না মায়ের কথা।
ছেলের কাছ থেকে একের পর এক জিনিস জানতে চান। পাড়ার কারও কাছ থেকে টাকা নিয়েছিস? আমি কী করে বাঁচাব? ফোনে ছেলে বলে, মা আমাকে বাঁচাও। তুই আমাকে বাঁচিয়েছিস? সৎ ভাবে বাঁচতে হয়। তোর বাবা কারও সঙ্গে চিটিংবাজি করেছে?-----------------
যেখানে দেবাঞ্জনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল গোটা রাজ্য। সেখানে ফের এক ভুয়ো সিবিআই অফিসারের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। কতজন শুভদীপের প্রতারণার শিকার হয়েছেন তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
We hate spam as much as you do