ছাত্র-জীবন থেকেই বাম রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন। তিনবার জেএনইউ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ জরুরি অবস্থার সময় জেনেইউ-এর ছাত্র থাকাকালীন গ্রেফতার হয়েছিলেন সীতারাম। ওই বছরই তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হয়েছিলেন। ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল সিপিএমের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সীতারাম।
ইয়েচুরি, CBSE সর্বভারতীয় ফার্স্ট থেকে সর্বোচ্চ কমিউনিস্ট নেতা
11 সেপ্টেম্বর 24
প্রয়াত ভারতের জাতীয় আন্দোলনের একেবারে সামনের সারির নেতা সীতারাম ইয়েচুরি। দিল্লির এইমসে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। শ্বাসনালীতে ইনফেকশনের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক তথা রাজ্যসভার প্রাক্তন এমপি সীতারাম ইয়েচুরি প্রয়াত। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। এইমসে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। বৃহস্পতিবার সেখানেই প্রয়াত হয়েছেন তিনি।
গত ১৯ অগস্ট তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। নিউমোনিয়ার মতো কিছু সমস্যা ছিল তাঁর। বুকেও কিছু সমস্যা হচ্ছিল। ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিটে রাখা হয়েছিল তাঁকে। চিকিৎসকরা তাঁর চিকিৎসার সব ব্যবস্থাই করেছিলেন। বৃহস্পতিবার প্রয়াত হলেন তিনি।
১৯৫২ সালের ১২ অগস্ট চেন্নাইতে জন্মেছিলেন তিনি। তিনি CBSE পরীক্ষায় সারা ভারতবর্ষের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন। তারপর অর্থনীতিতে অনার্স নিয়ে সেন্ট স্টিফেন্স কলেজে ভর্তি হন। সেখানেও প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করে অনার্স গ্রাজুয়েট হন তারপর ভর্তি হন জহরলাল নেহেরু ইউনিভার্সিটি।
ছাত্র-জীবন থেকেই বাম রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন। তিনবার জেএনইউ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ জরুরি অবস্থার সময় জেনেইউ-এর ছাত্র থাকাকালীন গ্রেফতার হয়েছিলেন সীতারাম। ওই বছরই তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হয়েছিলেন। ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল সিপিএমের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সীতারাম। গত ৯ বছর ধরে সেই দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। ২০০৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তিনি রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন।তাঁর স্ত্রী সীমা চিস্তি ইয়েচুরি ও সন্তান রয়েছে তাঁর।
সীতারাম ইয়েচুরির মৃত্যুতে বাম কর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বাম নেতা কর্মীরা শোক প্রকাশ করেছেন। সেই সঙ্গেই বিভিন্ন স্তরের রাজনীতিবিদরাও তাঁর প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন করেছেন।
We hate spam as much as you do