বিপর্যয়ে বিধ্বস্ত পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। করোনায় আতঙ্ক, মৃত্যু, লক্ষ লক্ষ কাজ নেই। জুটমিল থেকে বহু কারখানা বন্ধ । লকডাউনে সব শেষ। তার মধ্যে ইয়াস তান্ডব । সর্বস্ব চলে গেছে মানুষের । এই অবস্থায় চলছে একজন আমলাকে নিয়ে দড়ি টানাটানি ।
আলাপনকে শো-কজ । জনগনের দুর্দিনে কেন্দ্র-রাজ্য টানাপোড়েন
প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। অবসর নিয়ে যোগ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা পদেএবার আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে শোকজ করল কেন্দ্রীয় সরকার তিন দিনের মধ্যে দিল্লিতে গিয়ে জবাব দেওয়ার নির্দেশ কেন্দ্রের
অবসর পরের দিনই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কেন্দ্র রাজ্য দড়ি টানাপোড়েন অব্যাহত। অবসরের পরও আালাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে শো-কজ নোটিস দিল কেন্দ্রীয় সরকার। কলাইকুন্ডায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রিভিউ বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার কারণেই এই শো-কজ নোটিস দেওয়া হয়েছে তাকে। জানা যাচ্ছে, বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে article 51. শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনদিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের আন্ডার সেক্রেটারি একে সিংহ এই শোকজ নোটিশ পাঠিয়েছেন।
শোকজ নোটিসে বলা হয়েছে,‘২৮ মে প্রধানমন্ত্রীর ইয়াস-বৈঠক কেন এড়িয়ে গেলেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়? বিপর্যয় মোকাবিলা আইনের (২০০৫) ৫১ ধারা অনুযায়ী ওই আইন লঙ্ঘন করার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা তিন দিনের মধ্যে লিখিত ভাবে জানানো হোক’। তাকে সরাসরি দিল্লিতে গিয়ে সশরীরে জবাবদিহি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শো-কজ চিঠিতে। যদিও এই চিঠি নিয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করেননি আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। যথা সময়ে উত্তর দেওয়া হবে বলে খবর নবান্ন সূত্রে।
প্রসঙ্গত, মুখ্যসচিব পদে তিন মাসের জন্য আলাপনের মেয়াদ বাড়িয়েছিল রাজ্য সরকার। তা মঞ্জুর করেছিল কেন্দ্রও। কিন্তু হঠাৎই সোমবার থেকে নর্থ ব্লকে কর্মীবর্গ ও প্রশিক্ষণ দফতরে কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু তিনি না গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে ছিলেন। নির্ধারিত সময় দিল্লিতে কাজে যোগ না দেওয়ায় আলাপনকে শো-কজ করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু নিজের কর্মজীবন থেকে অবসর নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা পদে নতুন কর্মজীবন শুরু করেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। ১ জুন থেকেই শুরু হয় তার নতুন কর্মজীবন। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই আলাপনের শোকজ কেন্দ্র- রাজ্যের অনাবশ্যক তরজা অব্যাহত রইল।
বিপর্যয়ে বিধ্বস্ত পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। করোনায় আতঙ্ক, মৃত্যু, লক্ষ লক্ষ কাজ নেই। জুটমিল থেকে বহু কারখানা বন্ধ । লকডাউনে সব শেষ। তার মধ্যে ইয়াস তান্ডব । সর্বস্ব চলে গেছে মানুষের । এই অবস্থায় চলছে একজন আমলাকে নিয়ে দড়ি টানাটানি ।
We hate spam as much as you do