যদিও শেষপর্যন্ত এসএফআইয়ের মিছিল আটকাতে পারেনি পুলিশ। শিয়ালদা স্টেশন থেকে বিধানসভার দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন বাম ছাত্র সংগঠনের কর্মী-সমর্থকরা। যে মিছিলের জন্য আগেভাগেই বিধানসভা চত্বরে কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়। বিধানসভার কাছে মিছিল চলে এলে পুলিশ আটকানোর চেষ্টা করে। পালটা ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এসএফআই কর্মী-সমর্থকরা।
পুলিশের চোখে ধুলো - SFI কর্মীরা তখন বিধানসভা গেটে, হল খণ্ডযুদ্ধ
10 Mar 2023,
বিধানসভার সামনেই পুলিশের সঙ্গে এসএফআই কর্মীদের খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়। কিন্তু মিছিল রুখতে যে সংখ্যক পুলিশকর্মী মোতায়েন ছিলেন, তার থেকে এফএফআই কর্মীদের সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় হিমশিম খায় পুলিশ। তারইমধ্যে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে কয়েকজন বিক্ষোভকারী বিধানসভার গেটেও উঠে পড়েন।
এসআইএফের মিছিল ঘিরে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা গেটের সামনে ধুন্ধুমার বাঁধল। ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে আসেন বাম ছাত্র সংগঠনের কর্মী-সমর্থকরা। তার জেরে বিধানসভার সামনেই পুলিশের সঙ্গে এসএফআই কর্মীদের খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়। কিন্তু মিছিল রুখতে যে সংখ্যক পুলিশকর্মী মোতায়েন ছিলেন, তার থেকে এফএফআই কর্মীদের সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় হিমশিম খায় পুলিশ। তারইমধ্যে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে কয়েকজন বিক্ষোভকারী বিধানসভার গেটেও উঠে পড়েন। যদি একাংশের দাবি, মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে লাঠি চালিয়েছে পুলিশ।
রাজ্যের একাধিক স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়া, কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন-সহ একগুচ্ছ দাবিতে আজ বিধানসভা অভিযানে ডাক দিয়েছিল এসএফআই। তবে বাম ছাত্র সংগঠনের মিছিলে অনুমতি দেয়নি কলকাতা পুলিশ। তারপরও হাওড়া ও শিয়ালদা থেকে মিছিল করে বিধানসভায় আসার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন এসএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য। সেই হুঁশিয়ারি মতোই সকাল থেকে শিয়ালদা এবং হাওড়া স্টেশনে প্রচুর এসএফআই কর্মী-সমর্থক জমায়েত শুরু করেন। প্রাথমিকভাবে পুলিশের কড়া নিরাপত্তার কারণে শিয়ালদা স্টেশনে এসএফআইয়ের জমায়েত ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। কয়েকজনকে আটকও করা হয়।
যদিও শেষপর্যন্ত এসএফআইয়ের মিছিল আটকাতে পারেনি পুলিশ। শিয়ালদা স্টেশন থেকে বিধানসভার দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন বাম ছাত্র সংগঠনের কর্মী-সমর্থকরা। যে মিছিলের জন্য আগেভাগেই বিধানসভা চত্বরে কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়। বিধানসভার কাছে মিছিল চলে এলে পুলিশ আটকানোর চেষ্টা করে। পালটা ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এসএফআই কর্মী-সমর্থকরা।
কিন্তু পুলিশকর্মীর তুলনায় বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। রীতিমতো ধস্তাধস্তি শুরু হয়। চলে খণ্ডযুদ্ধ। তারইমধ্যে কয়েকজন বিক্ষোভকারী বিধানসভার গেটে উঠে পড়েন। ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’, ‘ভেঙে ফেল ব্যারিকেড’ স্লোগান উঠতে থাকে। তারইমধ্যে এক এসএফআই কর্মী বলেন, ‘(মুখ্যমন্ত্রী) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসে বিধানসভা ভাঙচুর করেছিলেন। আমরা শুধু কথা বলতে এসেছি। এঁরা (পুলিশকে দেখিয়ে) পুলিশ নাকি! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলদাস এঁরা। আমাদের আটকাচ্ছেন, অথচ নিজেরাই ডিএ (মহার্ঘ ভাতা) পাচ্ছেন না।’
We hate spam as much as you do