সামিট শুরুর সময় এ প্রসঙ্গে একটি ভিডিও বার্তায় পিয়ালি বলেছিলেন, “আমার এভারেস্ট ও লোৎসে অভিযানের জন্য ৩৫ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। পাশাপাশি অভিযান শেষের পর নেপাল সরকারের কর, সামিট বোনাস, এজেন্সি টিপস-সহ আমাকে আরও প্রায় ৪ লক্ষ টাকার কাছাকাছি দিতে হবে। মোট ৩৯ লক্ষের মধ্যে ১৩ লক্ষ টাকা জোগার হয়েছে। বাকি টাকা এখনও জোগাড় হয়নি”।
বাংলার পিয়ালীর এভারেস্ট জয়, অক্সিজেন ছাড়া উঠলেন, সরকারি সাহায্য মেলেনি
রবিবার সকালে ভারতের জাতীয় পতাকা নিয়ে এভারেস্টে উঠে পড়েন পিয়ালী। এই খবর এসে পৌঁছাতেই গোটা বাংলা জুড়ে বইছে খুশির হাওয়া। বর্তমানে এভারেস্ট জয়ের পর ক্যাম্পে ফিরেছেন পিয়ালী।
এভারেস্ট জয় করলেন চন্দননগরের মেয়ে পিয়ালি বসাক। রবিবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ পৃথিবীর সর্বোচ্চ শিখর জয় করেন বাংলার মেয়ে। বাঙালি হিসেবে প্রথম কোনও পর্বতারোহী এই রেকর্ড গড়লেন। কৃত্রিম অক্সিজেন ছাড়াই এভারেস্টে ওঠেন পিয়ালী।
রবিবার সকালে ভারতের জাতীয় পতাকা নিয়ে এভারেস্টে উঠে পড়েন পিয়ালী। এই খবর এসে পৌঁছাতেই গোটা বাংলা জুড়ে বইছে খুশির হাওয়া। বর্তমানে এভারেস্ট জয়ের পর ক্যাম্পে ফিরেছেন পিয়ালী।
স্কুলে পড়ার সময় থেকেই এভারেস্টে ওঠার স্বপ্ন দেখতেন তিনি। ছোটবেলায় এডমন্ড হিলারি, তেনজিং নোরগেদের গল্প শুনে রোমাঞ্চিত হতেন এই বঙ্গতনয়া। সেই মত ছোটবেলা থেকেই নিজেকে তৈরি করতে থাকেন পেশায় স্কুল শিক্ষিকা পিয়ালী। চন্দননগরের কানাইলাল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ান তিনি। সমস্ত বাঁধা পেরিয়ে নিজের স্বপ্নের দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন পিয়ালী। আর্থিক সমস্যা, সামাজিক বিভিন্ন বাধা পেরিয়ে আজ এভারেস্টের শিখরে উঠলেন তিনি।
ধাপে ধাপে নিজের স্বপ্নের দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন তিনি। গত বছরের অক্টোবরে, নেপালের মাউন্ট ধৌলগিরি জয় করেন পিয়ালী। এরপর মানসুলা জয় করেন তিনি। ২০১৯ সালেও একবার এভারেস্টে ওঠার চেষ্টা করেছিলেন পিয়ালী। তখন সফল হতে পারেননি। তবে এবার কোনও বাধাই মানেননি পিয়ালী।
পর্বতারোহী পিয়ালি ও তাঁর পরিবারের দাবি অনুযায়ী, এ বারে যে এভারেস্ট জয় করেছেন তাতে মেলেনি নূন্যতম সরকারি সাহায্য। এ কথা জানিয়েছেন বাংলার বিখ্যাত পর্বতারোহী নীলাঞ্জন রায়চৌধুরীও। তবে সামিট শুরুর সময় এ প্রসঙ্গে একটি ভিডিও বার্তায় পিয়ালি বলেছিলেন, “আমার এভারেস্ট ও লোৎসে অভিযানের জন্য ৩৫ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। পাশাপাশি অভিযান শেষের পর নেপাল সরকারের কর, সামিট বোনাস, এজেন্সি টিপস-সহ আমাকে আরও প্রায় ৪ লক্ষ টাকার কাছাকাছি দিতে হবে। মোট ৩৯ লক্ষের মধ্যে ১৩ লক্ষ টাকা জোগার হয়েছে। বাকি টাকা এখনও জোগাড় হয়নি”। প্রসঙ্গত, পরবর্তীতে বাকি টাকা ব্যাঙ্ক লোন ও ক্রাউড ফান্ডিংয়ের হাত ধরে জোগাড় হলেও এখনও বাকি ৪ লক্ষ।
We hate spam as much as you do