এবিটিএ-র মতে এই পঠন পাঠন বেলা সাড়ে ১০.৩০টা থেকে চারটে পর্যন্ত চালু থাকুক। এই মর্মে শ্রেণিকক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রবেশসীমা এবং তার পদ্ধতি প্রকরণ বিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল নির্ধারণ করুক।
১৬ই নভেম্বর থেকে স্কুলের সময়সুচী বিজ্ঞানসম্মত নয় বলে এবিটিএ এর মত
১৬ই নভেম্বর থেকে স্কুল খুলবে। কিন্তু পদ্ধতি নিয়ে নিজেদের মতামত দিল রাজ্যের সর্ববৃহৎ শিক্ষক সংগঠন এবিটিএ। নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতি।
এবিটিএ(ABTA) পর্ষদকে জানিয়ে দিল: জঙ্গলমহল ,পাহাড় সাগর এবং গ্রামীন বাংলার শীতকালীন পরিস্থিতির পরিপেক্ষিতে ১৬ নভেম্বর থেকে বিদ্যালয়ের পঠন-পাঠন পর্ষদ নির্ধারিত সময়সীমায় বাস্তবোচিত নয়।এবিটিএ-র মতে এই পঠন পাঠন বেলা সাড়ে ১০.৩০টা থেকে চারটে পর্যন্ত চালু থাকুক। এই মর্মে শ্রেণিকক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রবেশসীমা এবং তার পদ্ধতি প্রকরণ বিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল নির্ধারণ করুক।
যে নিয়মগুলি আপাতত বলা হয়েছে।
আধ ঘন্টা আগে স্কুলে যেতে হবে
দুটি ক্লাস শুরু হলেও একসঙ্গে হবে না। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে কতক্ষণ কোন শ্রেণির ক্লাস হবে। শুধু তাই নয়, ক্লাস শুরু হওয়ার আধ ঘন্টা আগে স্কুলে পৌঁছতে হবে। তথ্য অনুযায়ী নবম ও একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে সকাল ১০ টা থেকে। চলবে ৩:৩০ পর্যন্ত। ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে পৌঁছতে হবে ৯:৩০ টার মধ্যে। দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ১১ টা থেকে। চলবে ৪:৩০ পর্যন্ত। ছাত্রীছাত্রীদের স্কুলে পৌঁছতে হবে সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে।
একাধিক শ্রেণি বাড়ানোর কথা ক্লাসের মধ্যে অবশ্যই সোশ্যাল ডিসটেন্স মানতে হবে। প্রয়োজনে একটি বেঞ্চে দুজনের বেশি বসা যাবে না। মনে হলে একাধিক ক্লাসকে একাধিক ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। শ্রেণিকক্ষের সংখ্যা বাড়াতে হবে। টিফিন খেতে ক্লাসের বাইরে যাওয়া যাবে না। কেউ কারোর টিফিন খেতে পারবে না।
ক্লাস চলাকালীন একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর পর ক্লাসরুম, ল্যাব বা অন্যান্য ঘরগুলি স্যানিটাইজ করতে হবে। শুধু তাই নয়, স্কুল শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও স্যানিটাইজ করতে হবে। আপাতত স্কুলের মধ্যে কোনও অভিভাবক ঢুকতে পারবে না। বারবার হাত ধুতে হবে পড়ুয়াদের। এছাড়াও আরও একগুচ্ছ নির্দেশের কথা বলা হয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের। ইতিমধ্যে এই সমস্ত নির্দেশিকা সমস্ত স্কুলকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর তা মানতে বলা হয়েছে।
শুধুমাত্র নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুযাদের জন্য আগামী ১৬ নভেম্বর স্কুল খুলে যাচ্ছে। বাকি ক্লাসের পড়ুয়াদের সশরীরে ক্লাসে এখনই যেতে হচ্ছে না। অর্থাৎ অনলাইনেই ক্লাস হবে।
এবিটিএ র বক্তব্য প্রত্যন্ত গ্রামে বা পাহাড়ি অঞ্চলে তাড়াতাড়ি অন্ধকার নেমে আসে। তাই সব বিদ্যালয়ে পূর্ণ সময় ক্লাস হওয়া উচিত। সময়সীমা বিজ্ঞানসম্মত নয় বলে মন্তব্য এবিটিএ এর।
We hate spam as much as you do