Tranding

05:23 PM - 04 Feb 2026

Home / Education / চাইলে বরখাস্ত ২৬৯ জন চাকরিতে ফিরতে পারেন পর্ষদের নতুন নির্দেশিকা

চাইলে বরখাস্ত ২৬৯ জন চাকরিতে ফিরতে পারেন পর্ষদের নতুন নির্দেশিকা

স্থগিতাদেশ দেয় শীর্ষ আদালত কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে বরখাস্ত করা হয়েছিল ওই ২৬৯ জনকে। পরে ডিভিশন বেঞ্চও সেই নির্দেশ বহাল রেখেছিল। নিয়োগে বেনিয়মের অভিযোগে বরখাস্ত করা হয় তাঁদের। পরে সুপ্রিম কোর্টে যায় সেই মামলা। শীর্ষ আদালতের বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু ও বিচারপতি বিক্রম নাথের বেঞ্চ সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয়।

চাইলে বরখাস্ত ২৬৯ জন চাকরিতে ফিরতে পারেন পর্ষদের নতুন নির্দেশিকা

চাইলে বরখাস্ত ২৬৯ জন চাকরিতে ফিরতে পারেন পর্ষদের নতুন নির্দেশিকা


Nov 07, 2022 


কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে প্রাথমিকের শিক্ষকপদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল ২৬৯ জনকে। এবার সুপ্রিম কোর্ট ওই মামলায় স্থগিতাদেশ দেওয়ার পর ওই ২৬৯ জনকে ফের চাকরিতে যোগ দেওয়ার কথা জানাল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। গত ১৯ অক্টোবর ওই মামলায় স্থগিতাদেশ দেয় শীর্ষ আদালত। সেই নির্দেশের ভিত্তিতেই এদিন পর্ষদের তরফে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হল। নয়া বিজ্ঞপ্তিতে পর্ষদ জানিয়েছে, ওই ২৬৯ জন চাইলে চাকরিতে ফের যোগ দিতে পারেন। তবে এই ২৬৯ জনের মধ্যে সন্দীপ মুখোপাধ্যায় নামে একজনের চাকরি ফেরানো হয়েছে আগেই।


স্থগিতাদেশ দেয় শীর্ষ আদালত কলকাতা 
 হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে বরখাস্ত করা হয়েছিল ওই ২৬৯ জনকে। পরে ডিভিশন বেঞ্চও সেই নির্দেশ বহাল রেখেছিল। নিয়োগে বেনিয়মের অভিযোগে বরখাস্ত করা হয় তাঁদের। পরে সুপ্রিম কোর্টে যায় সেই মামলা। শীর্ষ আদালতের বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু ও বিচারপতি বিক্রম নাথের বেঞ্চ সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয়।

হাইকোর্টের নির্দেশের পর সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন বরখাস্ত হওয়া প্রার্থীরা। তাঁরা দাবি করেছিলেন, কীভাবে তাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন তা খতিয়ে দেখা হোক।  সুপ্রিম কোর্ট শেষ পর্যন্ত সেই নির্দেশ দেয়। আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য দাবি করেছিলেন, ২৬৯ জন চাকরি প্রার্থীকে আদত একটা সুযোগ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। হাইকোর্টের কাছে গিয়ে হলফনামা দাখিল করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে যাতে তাঁরা নিয়োগগুলো অবৈধ নয় প্রমাণ করতে পারেন।

 

পার্টি করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়
ওই ২৬৯ জনকে মামলার পার্টি বা  সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর ওই প্রার্থীদের মামলায় পার্টি করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়। মামলাকারীর আইনজীবীরা চিঠি পাঠান প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে। ২৬৯ জনের নাম, ঠিকানা , কোন স্কুলে তাঁরা কর্মরত ছিলেন, সে সব জানতে চাওয়া হয়।


ওই ২৬৯ জনকে কেন বাড়তি ১ নম্বর করে দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে। সেই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি বলে জানায় ডিভিশন বেঞ্চও। এবার সেই ২৬৯ জনকেই চাকরিতে পুনরায় যোগ দেওয়ার কথা বলা হল।

Your Opinion

We hate spam as much as you do